খুঁজুন
, ,

রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস!

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস!
শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর নতুন রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—কে বসতে যাচ্ছেন বঙ্গভবনের সর্বোচ্চ আসনে?

সংবিধান অনুযায়ী, আগামী ২৪ অক্টোবরের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। এরই মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। ক্ষমতাসীন বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নামও।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ড. ইউনূসের নাম আলোচনায় আসার পেছনে বড় কারণ তার আন্তর্জাতিক পরিচিতি, নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা। ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া এই অর্থনীতিবিদ ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত দেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিশ্লেষকদের ধারণা, সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির ভূমিকা মূলত সাংবিধানিক হলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপ্রধানের ব্যক্তিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সে কারণে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত কোনো ব্যক্তিকে এই পদে বসানো হলে সরকারের কূটনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে পারে।

তবে ড. ইউনূসের নাম সামনে আসায় বিএনপির ভেতরে তৈরি হয়েছে ভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক সমীকরণ। একদিকে রয়েছে আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও নিরপেক্ষ ভাবমূর্তির বিষয়, অন্যদিকে রয়েছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রামে দলের প্রতি অনুগত ও পরীক্ষিত নেতাকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে বসানোর দাবি।

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির ভেতর থেকেও কয়েকজন অভিজ্ঞ নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। তাঁদের মধ্যে আছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

এদিকে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমেদকেই স্থায়ীভাবে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা রয়েছে। তবে অতীতের কিছু রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ঘিরে দলটির ভেতরে এ নিয়ে কিছু মতপার্থক্য রয়েছে বলেও জানা গেছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকেই আসবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

অন্যদিকে বিএনপি প্রধানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল মনে করেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ এই পদে এমন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া উচিত, যিনি রাজনৈতিকভাবে পরীক্ষিত এবং দলের আদর্শের প্রতি আস্থাশীল।

তবে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, দলের গঠনতন্ত্র ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হবে।

এখন নজর থাকবে বিএনপির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে। রাষ্ট্রপতির পদে দলটি শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিকভাবে ঘনিষ্ঠ কোনো নেতাকে বেছে নেয়, নাকি আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুত্ব দিয়ে ড. ইউনূসের মতো ব্যক্তিত্বের দিকে ঝুঁকে—সেটিই হবে আগামী দিনের বড় রাজনৈতিক প্রশ্ন।

শ্যালকের অ্যাকাউন্টে লেনদেন করেন সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
শ্যালকের অ্যাকাউন্টে লেনদেন করেন সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল
শেয়ার করুন

পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১১ শত কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের প্রমাণ পেয়েছে দুদক। সংস্থাটি বলছে, দায়িত্ব পালনকালে অবৈধ সম্পদের তথ্য গোপন করতে শ্যালকের ব্যাংক হিসাবে এসব সম্পদ জমা করেন। এ ঘটনায় মনিরুল, তার স্ত্রী সাবেক অতিরিক্ত সচিব শায়লা ফারজানা ও শ্যালকসহ চারজনকে আসামি করে দুটি মামলা করেছে দুদক।

 

আওয়ামী শাসনামলজুড়ে প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম। ৫ আগস্টের পর দেশ ছেড়ে পালানো এই কর্মকর্তার দুর্নীতি অনুসন্ধান করতে গিয়ে বিপুল সম্পদের খোঁজ পায় দুদক।

অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে তার শ্যালক রেজাউল করিম শাহীনের ব্যাংক হিসাবে ১০ হাজার ৪৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের তথ্য পায় সংস্থাটি। এছাড়া ২৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ মিললেও কোনো আয়ের উৎস দেখাতে পারেননি শ্যালক শাহীন।

দুদকের উপ-পরিচালক মোজাম্মিল হোসেন জানান, মনিরুল ও তার স্ত্রী সাবেক অতিরিক্ত সচিব শায়লা ফারজানা তাদের সম্পদ গোপন করতে শ্যালককে হস্তান্তর করেন। সিপাহী বাবা শাহীনকে ২৫ কোটি টাকা দান করেছেন দেখানো হয়েছে, যার কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ মেলেনি।

একইভাবে মনিরুলের শ্যালক শাহীনের স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পার হিসাবেও দুদক খুঁজে পেয়েছে ৫৮ কোটি টাকার বেশি মানিলন্ডারিংয়ের তথ্য। এছাড়া অবৈধ সম্পদ পেয়েছে ১৫ কোটি টাকার বেশি।

এদিকে, সাবেক এই এসবি প্রধান মনিরুলের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের দুটি এনজিওতে অর্থ পাচার এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আরও অনুসন্ধান চলমান রয়েছে বলেও জানায় দুদক।

বিরোধী দলে থাকতেই কবর দিতে বাধা, ক্ষমতায় গেলে কী করবেন: তাসনিম জারা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ণ
বিরোধী দলে থাকতেই কবর দিতে বাধা, ক্ষমতায় গেলে কী করবেন: তাসনিম জারা
শেয়ার করুন

নিজেদের নেতাদের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের কথা বললেও অন্যদের বেলায় জামায়াতে ইসলামী সেই নীতি অনুসরণ করতে চায় না বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা। পিরোজপুরে এক মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি প্রশ্ন করেছেন, বিরোধী দলে থাকতেই যারা একজন মানুষকে নিজের বসতভিটায় কবর দিতে বাধা দেন, রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে পেলে তারা কী করবেন?

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

পোস্টে তাসনিম জারা জানান, গত শনিবার সকাল ১০টার দিকে পিরোজপুরে ৮৭ বছর বয়সী মানিক পশারী নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। তিনি সরকারি গেজেটভুক্ত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তবে তার দাফন ঘিরে স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীরা বাধা সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তাসনিম জারা লেখেন, ‘আমাদের সমাজে কেউ মারা গেলে কবর খুঁড়তে কাউকে ডেকে আনতে হয় না। খবর পেয়ে পাড়ার ছেলেরা কোদাল হাতে নিজেরাই চলে আসে। কেউ বাঁশ কেটে আনে, কেউ চাটাই। মৃত মানুষের দাফনে দেরি করতে নেই, এটা শুনেই বড় হয়েছি।’

 

তিনি অভিযোগ করেন, মানিক পশারীর মৃত্যুর পর স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীরা মিছিল করেন এবং মাইক ও ফেসবুকে ঘোষণা দেন, তাকে পিরোজপুরে দাফন করতে দেওয়া হবে না। এতে মরদেহ নিয়ে দিনভর উৎকণ্ঠায় অপেক্ষা করতে হয় পরিবারকে।

 

মৃতের মেয়ে সীমু আক্তারের বক্তব্য তুলে ধরে তাসনিম জারা জানান, বাড়িতে প্রথমে একটি কবর খোঁড়া হলেও কয়েকজন এসে তা ভরাট করে দেন। পরে সীমু আক্তার তার ফুফুদের নিয়ে নতুন করে কবর খোঁড়েন। পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় অন্য কেউ কবর খুঁড়তে এগিয়ে আসেননি।

 

তিনি লেখেন, ‘যে কোদাল পাড়ার ছেলেদের হাতে থাকার কথা, সেদিন তা ছিল মৃত ব্যক্তির মেয়ে আর বোনেদের হাতে।’

 

তার ভাষ্য অনুযায়ী, শেষ পর্যন্ত মধ্যরাতের পর পুলিশ পাহারায় পরিবারের সদস্যদের খোঁড়া কবরে মানিক পশারীকে দাফন করা হয়। এ সময় প্রশাসনের কর্মকর্তা ছাড়া পরিবারের বাইরের কেউ উপস্থিত ছিলেন না।

 

পোস্টে তাসনিম জারা আরও উল্লেখ করেন, পিরোজপুর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মানিক পশারীকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে তাকে গার্ড অব অনার ও পিরোজপুরে দাফন করতে না দেওয়ার কথা বলেছিলেন। অথচ দাফনের পর একই নেতা দাবি করেন, জামায়াতের নেতারা লাশের রাজনীতি করেন না।

 

মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি নিয়ে প্রশ্ন থাকলে তা যাচাইয়ের জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও আদালত রয়েছে উল্লেখ করে তাসনিম জারা বলেন, কোনো ব্যক্তির মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে আপত্তি থাকতেই পারে। কিন্তু সেই বিরোধের নিষ্পত্তি দাফন আটকে দিয়ে কিংবা মাইকে ঘোষণা দিয়ে করা যায় না।

 

তিনি লেখেন, ‘মানিক পশারী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কি না, সেই প্রশ্ন আপনি চাইলে তুলতে পারেন। তোলার জায়গাও আছে। যাচাইয়ের জন্য রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান আছে, আদালত আছে।’

 

মৃত ব্যক্তির প্রতি সামাজিক ও ধর্মীয় মর্যাদা রক্ষার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, সাধারণত জানাজার আগে মৃতের পরিবারের সদস্যরা তার ভুলত্রুটির জন্য সবার কাছে ক্ষমা চান। কিন্তু পিরোজপুরের ঘটনায় সেই সুযোগও পায়নি মানিক পশারীর পরিবার। এমনকি নিজের গ্রামে তার জানাজাও অনুষ্ঠিত হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

 

জামায়াতের ভূমিকার সমালোচনা করে তাসনিম জারা লেখেন, ‘পিরোজপুরের মাটিতে দাফন করতে দেওয়া হবে না’ এই কথাটা ওনারা এমনভাবে বলেন, যেন এই মাটির দলিল ওনাদের নামে লেখা। যেন একজন মানুষ নিজের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে শুয়ে থাকবেন কি না, সেই অনুমতিও তাদের কাছ থেকে নিতে হবে।’

 

একাত্তরে জামায়াতের ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় দল হিসেবে জামায়াত বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। অথচ এখন সেই দলের নেতাকর্মীরাই কে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা, কে রাষ্ট্রীয় সম্মান পাবেন কিংবা কার কবর কোথায় হবে, তা নির্ধারণ করতে চাইছেন।

 

তাসনিম জারা আরও বলেন, একসময় জামায়াতের নেতাকর্মীদের উদ্দেশেও দেশ ছাড়ার স্লোগান দেওয়া হতো। এমন বক্তব্য কতটা অন্যায়, তা তাদের বোঝার কথা। কিন্তু বিরোধী দলে থাকা অবস্থাতেই তারা সেই অভিজ্ঞতা ভুলে গেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

পোস্টের শেষাংশে জামায়াতের ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাসনিম জারা লেখেন, ‘নিজেদের নেতাদের ক্ষেত্রে জামায়াত ন্যায়বিচার, মানবাধিকার, ডিউ প্রোসেস আর মানবিক মর্যাদার কথা বলেন। কিন্তু অন্যদের ক্ষেত্রে সেটা করতে নারাজ।’

 

তিনি আরও লেখেন, ‘ভোটের আগে আর বক্তৃতায় ইনসাফের কথা বলেন। কিন্তু একজন মৃত মানুষের সঙ্গে ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সঙ্গে এমন আচরণ করেন। বিরোধীদলে থাকতেই নিজের বসতভিটায় কবর দিতে বাধা দিচ্ছেন, রাষ্ট্রের সব ক্ষমতা ওনাদের হাতে গেলে কী করবেন?’

 

তবে তাসনিম জারার এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জামায়াত নেতাদের কোনো নতুন বক্তব্য ওই পোস্টে উল্লেখ করা হয়নি।

এইচএসসির ফল প্রকাশের দুই দিন আগে ঢাকা বোর্ডের সচিবকে ‍কুমিল্লায় বদলি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
এইচএসসির ফল প্রকাশের দুই দিন আগে ঢাকা বোর্ডের সচিবকে ‍কুমিল্লায় বদলি
শেয়ার করুন

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে নতুন সচিব পদে নিযুক্ত হন অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার। তিনি বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ পদে কর্মরত ছিলেন। ১৮ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছিল, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারকে বোর্ডটির সচিব পদে নিযুক্ত করা হয়।