অধ্যাপক মুহাম্মদ শামসুল আলমকে হত্যার ১২ বছর পার হলেও এখনো ন্যায়বিচার পাননি তাঁর পরিবার। দিনদুপুরে বাবাকে হত্যার অভিযোগ তুলে দীর্ঘ এক যুগ ধরে বিচারের অপেক্ষায় থাকার কথা জানিয়েছেন তাঁর সন্তান। একই সঙ্গে মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছেন এবং তাঁদের পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে আবেগঘন বক্তব্যে তিনি বলেন, ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার হয়নি। এখনো আসামিরা আইনের আওতায় আসেননি। উল্টো তাঁদের পরিবারকে হুমকির মুখে থাকতে হচ্ছে। এতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সব সময় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
তিনি বলেন, শুধু তাঁদের পরিবার নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে এমন হাজারো পরিবার স্বজন হারিয়ে বিচারের আশায় অপেক্ষা করছে। কেউ বাবাকে হারিয়েছেন, কেউ সন্তানকে। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও অনেক পরিবার এখনো ন্যায়বিচার পায়নি।
বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, একটি মামলার সুষ্ঠু বিচার পেতে ১০ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত সময় লেগে যায়। এ দীর্ঘ সময়ে আদালতের নানা জটিলতার পাশাপাশি আসামিদের হুমকি-ধমকিও সহ্য করতে হয় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে। ফলে তাঁদের প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাতে হয়।
তিনি আরও বলেন, অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হলে অপরাধ প্রবণতা কমাতে তা ভূমিকা রাখবে। এজন্য দেশের আইনশৃঙ্খলা ও বিচারব্যবস্থার কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বাবা হত্যার ১২ বছরেও বিচার না পাওয়ার আক্ষেপ জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁরা কোনো প্রতিশোধ চান না, চান ন্যায়বিচার। দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক এবং কোনো পরিবার যেন স্বজন হারিয়ে বছরের পর বছর বিচারের অপেক্ষায় না থাকে—এটাই তাঁদের প্রত্যাশা।প্রকাশের আগে: মামলার বর্তমান অবস্থা, আসামিদের পরিচয় এবং হুমকির অভিযোগ সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য দিয়ে যাচাই করে নেওয়া ভালো। এতে প্রতিবেদনটি আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য হবে।

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশের সময়: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ । ৭:০৩ অপরাহ্ণ