খুঁজুন
, ,

টঙ্গীর সেই শিশুর বাবা রুমি দেশ ছেড়েছেন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ
টঙ্গীর সেই শিশুর বাবা রুমি দেশ ছেড়েছেন

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

শেয়ার করুন

টঙ্গীর একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের ঘটনায় আলোচনায় আসা শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি দেশ ছেড়েছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে রুমির পরিবার। তবে তিনি কোন দেশে গেছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পরিবারের সূত্রের দাবি, তিনি এখন বাংলাদেশে নেই এবং এ ঘটনা নিয়ে আর ভাবছেন না।

এর আগে, গত ২১ অক্টোবর টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিনকে মারধর করেন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি। পরে ওই শিক্ষককে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে শাহজালাল রুমি টঙ্গী পশ্চিম থানায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মামলা করেন।

এদিকে, মাদ্রাসার অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে রুমির বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করা হয়। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে ১৭ লাখ টাকা চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পাল্টা মামলা হওয়ার পর থেকে রুমি আড়ালে চলে যান বলে জানা গেছে।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে এর আগে রুমি বলেছিলেন, একজন আলেম হয়েও তিনি মিথ্যা বলেছেন এবং এখনো বলে যাচ্ছেন বলে তার অভিযোগ।

তবে রুমির দেশ ছাড়ার খবর, তার বর্তমান অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর সর্বশেষ অবস্থা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে খোকন চেয়ারম্যানের প্রতিবাদ, শিলখালীতে উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৮ পূর্বাহ্ণ
চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে খোকন চেয়ারম্যানের প্রতিবাদ, শিলখালীতে উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালীতে সরকারি দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও ঠিকাদারের ওপর হামলার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন। তাঁর দাবি, নির্মাণকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে ঠিকাদার আবু বকর ছিদ্দিকের সঙ্গে তাঁর তর্ক হয়। তবে তাঁর বিরুদ্ধে আনা চাঁদা দাবি ও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

 

খোকন চেয়ারম্যানের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় কয়েকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি সরেজমিনে নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রকল্পে ২ নম্বর কংকর ও সাগরের লবণাক্ত পানি ব্যবহার করে ঢালাইয়ের কাজ করার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। নির্মাণকাজের এসব অনিয়মের বিষয় তুলে ধরার পর ঠিকাদারের সঙ্গে তাঁর তর্ক হয় বলে জানান খোকন।

 

প্রকল্পের তথ্য

 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সাইনবোর্ডে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, ‘দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালীতে আশ্রয়কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

 

প্রকল্পের প্যাকেজ নম্বর DDM/MKP-RCN-021 এবং টেন্ডার আইডি 861512। সাইনবোর্ডে প্রকল্পটির প্রাক্কলিত মূল্য ৭ কোটি ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৫২৫ টাকা এবং চুক্তিমূল্য ৬ কোটি ৮৭ লাখ ৯৮ হাজার ৩২৭ টাকা উল্লেখ রয়েছে।

 

সাইনবোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নির্মাণকাজ শুরুর তারিখ ১৯ মে ২০২৪ এবং কাজ সমাপ্তির নির্ধারিত তারিখ ৩০ জুন ২০২৭। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ রয়েছে এস. অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা লিমিটেড, সদর, খাগড়াছড়ি।

 

আগের প্রকল্পেও অনিয়মের অভিযোগ

 

প্রতিবাদলিপিতে খোকন চেয়ারম্যান আরও দাবি করেন, এর আগে শামলাপুর বাজারে নির্মিত একটি সরকারি ভবনের কাজেও অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় তিনি শনাক্ত করেছিলেন। ওই ভবনের কংকর ও ঢালাইসহ বিভিন্ন কাজের মান নিয়ে আপত্তি তুলে অনিয়মের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।

 

উত্তর শীলখালীর আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ তোলার কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে বলে দাবি করেন খোকন চেয়ারম্যান। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

আইজিপি চাকরিবিধি লঙ্ঘন করেছেন, তার বক্তব্য সংবিধান পরিপন্থি: জামায়াত

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ
আইজিপি চাকরিবিধি লঙ্ঘন করেছেন, তার বক্তব্য সংবিধান পরিপন্থি: জামায়াত
শেয়ার করুন

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ক্রসফায়ার নিয়ে মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

 

সোমবার (২৬ অক্টোবর) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার সহকারী মুজিবুল আলমের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান তিনি।

বিবৃতিতে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধান নিশ্চিত করার প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ পুলিশের। পুলিশ নাগরিকদের সেবক, শাসক নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান ব্যক্তি হয়ে আজ ঢাকার চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা ‘কমিউনিটি ইসলামিকের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ‘যেখানে ক্রসফায়ার প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ করে তাহলে আমরা সেটাই করবো’ বলে তিনি তার চাকরিবিধি লঙ্ঘন করেছেন। আমি তার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

 

অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আমলে এদেশের নাগরিকদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা ছিল না, বাকস্বাধীনতা ছিল না, বিনাবিচারে মানুষ হত্যা করা হতো, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে নাগরিকদের তুলে নিয়ে হত্যা, ক্রসফায়ার ও গুম করতো। সেই একই কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তির হুমকি ও ইঙ্গিত দিয়েছেন আইজিপি আলী হোসেন ফকির। তার এমন বক্তব্য সংবিধান ও আইনের শাসনের পরিপন্থি। সরকার তার বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে বলে আমি আশা করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির মধ্যে আইজিপির এমন বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য ও অনভিপ্রেত। তার বক্তব্য দেশে ভয়ের সংস্কৃতিতে ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত দেয়। রাষ্ট্রকে আবারও নতুন সংকটের দিকে নিয়ে যাওয়ার চক্রান্তের নকশা। রাষ্ট্রকে সংকটে ফেলার যে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে তা সরকারের এবং সরকারদলীয় বিভিন্ন স্তরের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হচ্ছে। দেশে বিএনপির সন্ত্রাসীদের দমন করতে না পারা, চাঁদাবাজি বন্ধ ও মাদক নির্মূল করতে না পারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চরম ব্যর্থতার পরিচয়। নাগরিকদের জীবনযাত্রাকে স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ করতে আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।’

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ
‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর
শেয়ার করুন

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, আইজিপি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাতে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের কঠোরতা বোঝাতেই তিনি শব্দটি উল্লেখ করেছেন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার সকালে রাধানীর চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংকের চকবাজার ইসলামিক ব্যাংকিং শাখার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইজিপির বক্তব্যে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দের ব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও শিরোনাম পুলিশ সদর দপ্তরের নজরে এসেছে। এ বিষয়ে জনমনে বিভ্রান্তি দূর করতেই ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

 

পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, অপরাধ দমন, অপরাধী গ্রেপ্তার, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এসব দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সময় পুলিশ সদস্যদের অপরাধী ও সংঘবদ্ধ হামলাকারীদের প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের ওপর ১৭৬টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় চার পুলিশ সদস্য নিহত এবং ৩৭০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

 

এতে আরও বলা হয়, দেশের প্রচলিত আইন, বিশেষ করে দণ্ডবিধি-১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি-১৮৯৮ এবং পুলিশ অ্যাক্ট-১৮৬১ অনুযায়ী পুলিশের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে।

 

পুলিশ সদর দপ্তরের দাবি, আইজিপি মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজসহ জননিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি আক্ষরিক অর্থে ব্যবহার করেছেন। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কিংবা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে কাউকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি এ শব্দ ব্যবহার করেননি।

 

একই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, সাংবাদিকদের সম্পর্কে ঢালাও কোনো মন্তব্য করার উদ্দেশ্য তার ছিল না। অসাবধানতাবশত ওই মন্তব্য করেছেন তিনি।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মানবাধিকার সমুন্নত রেখে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশ পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।