খুঁজুন
, ,

বাতিল হচ্ছে ‘গণভোট অধ্যাদেশ’, উঠবে না সংসদে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৩ পূর্বাহ্ণ
বাতিল হচ্ছে ‘গণভোট অধ্যাদেশ’, উঠবে না সংসদে
শেয়ার করুন

গণভোট অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করা হবে না বলে জানিয়েছে বিএনপি। ফলে অধ্যাদেশটি আগামী ১২ এপ্রিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে। বিএনপি বলছে, অধ্যাদেশ ব্যবহার করে গণভোট হয়ে যাওয়ায় ভবিষ্যৎ ব্যবহার না থাকায় অধ্যাদেশটি পাসের প্রয়োজন নেই। এতে ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট অবৈধ হবে না। সরকারি দলের এই সিদ্ধান্তে নোট অব ডিসেন্ট (ভিন্নমত) দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

 

গণভোট অধ্যাদেশ ছাড়াও অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩ অধ্যাদেশের অন্তত ১৫টিতে নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দল একমত হয়নি। সরকারি দল মানবাধিকার কমিশন, বিচারপতি নিয়োগ, গুম প্রতিরোধ, দুর্নীতি দমন কমিশন অধ্যাদেশে পরিবর্তন আনতে চায়। এতে আপত্তি করে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে জামায়াত।

 

রোববার (২৯ মার্চ) রাতে জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির সভা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। আগামী ২ এপ্রিল কমিটি প্রতিবেদন দেবে সংসদকে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলো ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে উত্থাপন করা হয়। পরবর্তী ৩০ দিন, অর্থাৎ আগামী ১২ এপ্রিলের মধ্যে অধ্যাদেশগুলো সংসদে অনুমোদিত না হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে যাবে।

 

গণভোট অধ্যাদেশ উঠছে না

গণভোট অধ্যাদেশে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের দিনে গণভোট হয়। কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সভার পর আভাস দেন, গণভোট অধ্যাদেশ উত্থাপন করা হবে না। অর্থাৎ, অধ্যাদেশটি বাতিল হয়ে যাবে। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, গণভোট হয়ে গেছে। অধ্যাদেশটির আর সামনে কোনো ব্যবহার নেই।

 

গণভোট অধ্যাদেশ সংবিধানের অংশ নয়। সংবিধানে না থাকলে গণভোট হবে না, সংবিধানে এমন বিধান নেই। গণভোট আয়োজনে একটি অধ্যাদেশ করা হয়েছিল। গণভোট হয়েছে। এই অধ্যাদেশের ব্যবহার হয়েছে। এর কোনো বিরোধিতা নেই। এই অধ্যাদেশকে সংসদে ধারণ করে ভবিষ্যতে ব্যবহার করার আর কিছু নেই।

 

সংসদে অধ্যাদেশটিকে অনুমোদন করা হবে কি না– প্রশ্নে সালাহউদ্দিন বলেছেন, সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। যেমন সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণে প্রণীত অধ্যাদেশের ব্যবহার আগামী ১০ বছরে বা পরবর্তী জনশুমারি না পর্যন্ত লাগবে না। গণভোট অধ্যাদেশের আর ব্যবহার নেই। তাই অনুমোদন করার কিছু নেই। ব্যবহার হয়ে গেছে। অধ্যাদেশটিকে বিল আকারে এনে আইনে পরিণত করা, রেটিফিকেশনের প্রয়োজন নেই।

 

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, ১৩৩টি অধ্যাদেশের ওপর আলোচনা হয়েছে। কতটি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন হবে, তা ২ এপ্রিল জানা যাবে। কিছু কিছু অধ্যাদেশ হুবহু পাস করা হবে। কিছু কিছু সংশোধনী আকারে উত্থাপন করা হবে। ১২ এপ্রিলের মধ্যে অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা থাকায় কিছু কিছু অধ্যাদেশ উত্থাপন করা হবে না। পরবর্তী সময় বিল আকারে আনা হবে। বিরোধী দলের নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে, তা যথাযথভাবে থাকবে প্রতিবেদেন।

 

বিরোধীদের দ্বিমত

কমিটির সদস্য জামায়াত এমপি রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, গণভোট, মানবাধিকার কমিশন ও বিচার বিভাগ পৃথক্‌করণের মতো ১৫টি অধ্যাদেশ বাতিল বা সংশোধনে তারা নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন। রবিবার ২২টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ১৫টিতে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছি। সরকারি দল সংখ্যার জোরে কিছু বিষয় পাস করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে মানবাধিকার কমিশন, পুলিশ কমিশন এবং গুম-খুন প্রতিরোধ কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে তারা আগের মতো দলীয়করণ করতে চাচ্ছেন।

 

বিচারপতি নিয়োগের কাউন্সিল গঠনের অধ্যাদেশ বিএনপি রহিত করতে চাচ্ছে বলে দাবি করেছেন রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং বিচারপতি নিয়োগের বাছাই কমিটি যেগুলো সংস্কারের মাধ্যমে আনা হয়েছিল, সেগুলো তারা রহিত করে আগের অবস্থায় ফিরে যেতে চায়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) স্বাধীনতা খর্ব করার বিষয়েও তীব্র আপত্তি জানিয়েছি।

 

গণভোট অধ্যাদেশের বিষয়ে রফিকুল ইসলাম বলেছেন, পুরো জাতি গণভোটে অংশ নিয়েছে। সরকারি দল এটি বাতিলের কথা বলছে, যা প্রত্যাখ্যান করেছি। যদি গণভোট সংবিধানবহির্ভূত হয়, তবে একই দিনে হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচন কীভাবে বৈধ হয়? জনগণ ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করেছে। সুতরাং গণভোটের রায় কার্যকর করতে হবে– এটাই মূল দাবি।

 

কমিটির বৈঠকে যেসব বিষয়ে একমত হওয়া সম্ভব হয়নি, সেগুলো চূড়ান্ত আলোচনার জন্য পুনরায় সংসদ অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি। রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১০-১৫টি বিষয়ে আমরা কিছু সংশোধনীসহ একমত হয়েছি।

 

বিশেষ কমিটির তৃতীয় দিনের সভা সংসদের ক্যাবিনেট কক্ষে রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে ৩ ঘণ্টা চলে। কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, এ এম মাহবুব উদ্দিন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, মুহাম্মদ নওশাদ জমির, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, মো. মুজিবুর রহমান। জামায়াতের পক্ষে ছিলেন মজিবুর রহমান এবং জিএম নজরুল ইসলাম। কমিটির আমন্ত্রণে অংশ নেন জামায়াতের মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান।

শ্যালকের অ্যাকাউন্টে লেনদেন করেন সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
শ্যালকের অ্যাকাউন্টে লেনদেন করেন সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল
শেয়ার করুন

পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১১ শত কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের প্রমাণ পেয়েছে দুদক। সংস্থাটি বলছে, দায়িত্ব পালনকালে অবৈধ সম্পদের তথ্য গোপন করতে শ্যালকের ব্যাংক হিসাবে এসব সম্পদ জমা করেন। এ ঘটনায় মনিরুল, তার স্ত্রী সাবেক অতিরিক্ত সচিব শায়লা ফারজানা ও শ্যালকসহ চারজনকে আসামি করে দুটি মামলা করেছে দুদক।

 

আওয়ামী শাসনামলজুড়ে প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম। ৫ আগস্টের পর দেশ ছেড়ে পালানো এই কর্মকর্তার দুর্নীতি অনুসন্ধান করতে গিয়ে বিপুল সম্পদের খোঁজ পায় দুদক।

অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে তার শ্যালক রেজাউল করিম শাহীনের ব্যাংক হিসাবে ১০ হাজার ৪৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের তথ্য পায় সংস্থাটি। এছাড়া ২৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ মিললেও কোনো আয়ের উৎস দেখাতে পারেননি শ্যালক শাহীন।

দুদকের উপ-পরিচালক মোজাম্মিল হোসেন জানান, মনিরুল ও তার স্ত্রী সাবেক অতিরিক্ত সচিব শায়লা ফারজানা তাদের সম্পদ গোপন করতে শ্যালককে হস্তান্তর করেন। সিপাহী বাবা শাহীনকে ২৫ কোটি টাকা দান করেছেন দেখানো হয়েছে, যার কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ মেলেনি।

একইভাবে মনিরুলের শ্যালক শাহীনের স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পার হিসাবেও দুদক খুঁজে পেয়েছে ৫৮ কোটি টাকার বেশি মানিলন্ডারিংয়ের তথ্য। এছাড়া অবৈধ সম্পদ পেয়েছে ১৫ কোটি টাকার বেশি।

এদিকে, সাবেক এই এসবি প্রধান মনিরুলের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের দুটি এনজিওতে অর্থ পাচার এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আরও অনুসন্ধান চলমান রয়েছে বলেও জানায় দুদক।

বিরোধী দলে থাকতেই কবর দিতে বাধা, ক্ষমতায় গেলে কী করবেন: তাসনিম জারা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ণ
বিরোধী দলে থাকতেই কবর দিতে বাধা, ক্ষমতায় গেলে কী করবেন: তাসনিম জারা
শেয়ার করুন

নিজেদের নেতাদের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের কথা বললেও অন্যদের বেলায় জামায়াতে ইসলামী সেই নীতি অনুসরণ করতে চায় না বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা। পিরোজপুরে এক মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি প্রশ্ন করেছেন, বিরোধী দলে থাকতেই যারা একজন মানুষকে নিজের বসতভিটায় কবর দিতে বাধা দেন, রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে পেলে তারা কী করবেন?

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

পোস্টে তাসনিম জারা জানান, গত শনিবার সকাল ১০টার দিকে পিরোজপুরে ৮৭ বছর বয়সী মানিক পশারী নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। তিনি সরকারি গেজেটভুক্ত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তবে তার দাফন ঘিরে স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীরা বাধা সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তাসনিম জারা লেখেন, ‘আমাদের সমাজে কেউ মারা গেলে কবর খুঁড়তে কাউকে ডেকে আনতে হয় না। খবর পেয়ে পাড়ার ছেলেরা কোদাল হাতে নিজেরাই চলে আসে। কেউ বাঁশ কেটে আনে, কেউ চাটাই। মৃত মানুষের দাফনে দেরি করতে নেই, এটা শুনেই বড় হয়েছি।’

 

তিনি অভিযোগ করেন, মানিক পশারীর মৃত্যুর পর স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীরা মিছিল করেন এবং মাইক ও ফেসবুকে ঘোষণা দেন, তাকে পিরোজপুরে দাফন করতে দেওয়া হবে না। এতে মরদেহ নিয়ে দিনভর উৎকণ্ঠায় অপেক্ষা করতে হয় পরিবারকে।

 

মৃতের মেয়ে সীমু আক্তারের বক্তব্য তুলে ধরে তাসনিম জারা জানান, বাড়িতে প্রথমে একটি কবর খোঁড়া হলেও কয়েকজন এসে তা ভরাট করে দেন। পরে সীমু আক্তার তার ফুফুদের নিয়ে নতুন করে কবর খোঁড়েন। পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় অন্য কেউ কবর খুঁড়তে এগিয়ে আসেননি।

 

তিনি লেখেন, ‘যে কোদাল পাড়ার ছেলেদের হাতে থাকার কথা, সেদিন তা ছিল মৃত ব্যক্তির মেয়ে আর বোনেদের হাতে।’

 

তার ভাষ্য অনুযায়ী, শেষ পর্যন্ত মধ্যরাতের পর পুলিশ পাহারায় পরিবারের সদস্যদের খোঁড়া কবরে মানিক পশারীকে দাফন করা হয়। এ সময় প্রশাসনের কর্মকর্তা ছাড়া পরিবারের বাইরের কেউ উপস্থিত ছিলেন না।

 

পোস্টে তাসনিম জারা আরও উল্লেখ করেন, পিরোজপুর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মানিক পশারীকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে তাকে গার্ড অব অনার ও পিরোজপুরে দাফন করতে না দেওয়ার কথা বলেছিলেন। অথচ দাফনের পর একই নেতা দাবি করেন, জামায়াতের নেতারা লাশের রাজনীতি করেন না।

 

মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি নিয়ে প্রশ্ন থাকলে তা যাচাইয়ের জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও আদালত রয়েছে উল্লেখ করে তাসনিম জারা বলেন, কোনো ব্যক্তির মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে আপত্তি থাকতেই পারে। কিন্তু সেই বিরোধের নিষ্পত্তি দাফন আটকে দিয়ে কিংবা মাইকে ঘোষণা দিয়ে করা যায় না।

 

তিনি লেখেন, ‘মানিক পশারী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কি না, সেই প্রশ্ন আপনি চাইলে তুলতে পারেন। তোলার জায়গাও আছে। যাচাইয়ের জন্য রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান আছে, আদালত আছে।’

 

মৃত ব্যক্তির প্রতি সামাজিক ও ধর্মীয় মর্যাদা রক্ষার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, সাধারণত জানাজার আগে মৃতের পরিবারের সদস্যরা তার ভুলত্রুটির জন্য সবার কাছে ক্ষমা চান। কিন্তু পিরোজপুরের ঘটনায় সেই সুযোগও পায়নি মানিক পশারীর পরিবার। এমনকি নিজের গ্রামে তার জানাজাও অনুষ্ঠিত হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

 

জামায়াতের ভূমিকার সমালোচনা করে তাসনিম জারা লেখেন, ‘পিরোজপুরের মাটিতে দাফন করতে দেওয়া হবে না’ এই কথাটা ওনারা এমনভাবে বলেন, যেন এই মাটির দলিল ওনাদের নামে লেখা। যেন একজন মানুষ নিজের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে শুয়ে থাকবেন কি না, সেই অনুমতিও তাদের কাছ থেকে নিতে হবে।’

 

একাত্তরে জামায়াতের ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় দল হিসেবে জামায়াত বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। অথচ এখন সেই দলের নেতাকর্মীরাই কে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা, কে রাষ্ট্রীয় সম্মান পাবেন কিংবা কার কবর কোথায় হবে, তা নির্ধারণ করতে চাইছেন।

 

তাসনিম জারা আরও বলেন, একসময় জামায়াতের নেতাকর্মীদের উদ্দেশেও দেশ ছাড়ার স্লোগান দেওয়া হতো। এমন বক্তব্য কতটা অন্যায়, তা তাদের বোঝার কথা। কিন্তু বিরোধী দলে থাকা অবস্থাতেই তারা সেই অভিজ্ঞতা ভুলে গেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

পোস্টের শেষাংশে জামায়াতের ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাসনিম জারা লেখেন, ‘নিজেদের নেতাদের ক্ষেত্রে জামায়াত ন্যায়বিচার, মানবাধিকার, ডিউ প্রোসেস আর মানবিক মর্যাদার কথা বলেন। কিন্তু অন্যদের ক্ষেত্রে সেটা করতে নারাজ।’

 

তিনি আরও লেখেন, ‘ভোটের আগে আর বক্তৃতায় ইনসাফের কথা বলেন। কিন্তু একজন মৃত মানুষের সঙ্গে ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সঙ্গে এমন আচরণ করেন। বিরোধীদলে থাকতেই নিজের বসতভিটায় কবর দিতে বাধা দিচ্ছেন, রাষ্ট্রের সব ক্ষমতা ওনাদের হাতে গেলে কী করবেন?’

 

তবে তাসনিম জারার এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জামায়াত নেতাদের কোনো নতুন বক্তব্য ওই পোস্টে উল্লেখ করা হয়নি।

এইচএসসির ফল প্রকাশের দুই দিন আগে ঢাকা বোর্ডের সচিবকে ‍কুমিল্লায় বদলি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
এইচএসসির ফল প্রকাশের দুই দিন আগে ঢাকা বোর্ডের সচিবকে ‍কুমিল্লায় বদলি
শেয়ার করুন

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে নতুন সচিব পদে নিযুক্ত হন অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার। তিনি বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ পদে কর্মরত ছিলেন। ১৮ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছিল, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারকে বোর্ডটির সচিব পদে নিযুক্ত করা হয়।