খুঁজুন
, ,

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির জাতীয় বিতর্ক উৎসবের সমাপ্তি:

চ্যাম্পিয়ন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, মহসীন কলেজ ও ইস্পাহানী স্মৃতি বিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক।
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
চ্যাম্পিয়ন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, মহসীন কলেজ ও ইস্পাহানী স্মৃতি বিদ্যালয়
শেয়ার করুন

তিন দিনব্যাপী ‘দ্বাদশ পিইউডিএস জাতীয় বিতর্ক উৎসব ২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

 

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি (পিইউডিএস) আয়োজিত এ উৎসবে আন্তঃস্কুল, আন্তঃকলেজ ও আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় এই তিন বিভাগে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিতার্কিকরা অংশ নেন।

 

সমাপনী অনুষ্ঠানের আগে তিনটি বিভাগের ফাইনাল বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। আন্তঃকলেজ বিভাগের ফাইনালে বিতর্কের বিষয় ছিল‌ এই সংসদ মনে করে, চট্টগ্রামের টেকসই উন্নয়নের জন্য পাহাড় ও পরিবেশ সংরক্ষণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি দল যুক্তি দেয়, পাহাড় ও পরিবেশ ধ্বংস হলে ভূমিধস, জলাবদ্ধতা ও জীববৈচিত্র্যের অপূরণীয় ক্ষতি দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতি ও মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করবে। অন্যদিকে বিরোধী দল দাবি করে, কর্মসংস্থান ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য অর্থনৈতিক অগ্রগতি অপরিহার্য; তবে পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনার মাধ্যমে উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ একসঙ্গে নিশ্চিত করা সম্ভব।

 

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর এস. এম. নছরুল কদির। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইফতেখার মনির, প্রক্টর মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী এবং দৃষ্টি চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক মাসুদ বকুল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিইউডিএসের চিফ মডারেটর জুলিয়া পারভীন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পিইউডিএসের মডারেটর সঞ্জয় বিশ্বাস, হিল্লোল সাহা, সাইফুদ্দিন মুন্না ও নিলুফার সুলতানা। স্বাগত বক্তব্য দেন পিইউডিএস সভাপতি ফজল আল মাহমুদ অয়ন ও সাধারণ সম্পাদক সিফাত নূর চৌধুরী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি সাবের শাহ।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর এস. এম. নছরুল কদির বলেন, বিতর্ক কেবল প্রতিযোগিতা নয়; এটি যুক্তিবোধ, নেতৃত্ব, বিশ্লেষণী দক্ষতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিকাশের অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। শিক্ষার্থীদের তথ্য ও যুক্তিনির্ভর চিন্তাশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 

বিশেষ অতিথি মোহাম্মদ ইফতেখার মনির বলেন, জাতীয় পর্যায়ের এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, বিশ্লেষণী সক্ষমতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

 

মাসুদ বকুল বলেন, যুক্তিচর্চা একটি আলোকিত সমাজ গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত। তরুণদের মধ্যে বিতর্কচর্চা যত বিস্তৃত হবে, তারা তত বেশি তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম হবে।

 

সভাপতির বক্তব্যে জুলিয়া পারভীন বলেন, জাতীয় পর্যায়ে যুক্তিচর্চা বিস্তারে পিইউডিএস দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও আরও বৃহৎ পরিসরে এ আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

 

প্রতিযোগিতার ফলাফলে ষষ্ঠ আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় মির্জা আহমেদ ইস্পাহানী স্মৃতি বিদ্যালয় এবং রানার্সআপ হয় সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। প্রতিযোগিতার সেরা বক্তা নির্বাচিত হন ডাঃ খাস্তগীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অমৃতা সিংহ এবং ফাইনালের সেরা বক্তা হন সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের সাদমান সারার।

 

ষষ্ঠ আন্তঃকলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসীন কলেজ, চট্টগ্রাম এবং রানার্সআপ হয় চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ। প্রতিযোগিতা ও ফাইনালের সেরা বক্তা নির্বাচিত হন সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসীন কলেজের নুহা আলম।

 

দ্বাদশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি (সিইউডিএস) এবং রানার্সআপ হয় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)। প্রতিযোগিতার সেরা বক্তা নির্বাচিত হন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ফারদিন আলাদিন এবং ফাইনালের সেরা বক্তা হন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্নব মিত্র।

 

অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন।

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও বিদ্যালয়ের বিতার্কিকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এ জাতীয় বিতর্ক উৎসব যুক্তি, মেধা, নেতৃত্ব ও সুস্থ চিন্তাচর্চার এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।