খুঁজুন
, ,

ধর্ষণের দায়ে এক থানার ৭৮ পুলিশ সদস্য ও কর্মচারী বরখাস্ত!

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
ধর্ষণের দায়ে এক থানার ৭৮ পুলিশ সদস্য ও কর্মচারী বরখাস্ত!
শেয়ার করুন

পাকিস্তানের লাহোরের একটি থানায় ২০ বছর বয়সী বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওই থানার সব পুলিশ কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। দেশটির পুলিশ বাহিনীর ইতিহাসে এটি অন্যতম বৃহৎ শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা বলে মনে করা হচ্ছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ওই তরুণীকে আটক করে লাহোরের গাজিয়াবাদ থানায় নিয়ে যান। পরে থানার দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে তাকে ধর্ষণ করা হয়। তরুণীর পরিবারের দাবি, তিনি রাস্তায় নিখোঁজ হওয়ার পর কান্নাকাটি করতে করতে বাড়ি ফিরে জানান, থানার ভেতরেই তাকে যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।

 

 

অভিযুক্ত এএসআইকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে ফৌজদারি তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে মঙ্গলবার গাজিয়াবাদ থানার ৭৮ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

 

লাহোর পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (অপারেশনস) ফয়সাল কামরান দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, পুলিশি বিধিমালা অনুযায়ী থানার ভেতরে কোনো ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধ ও তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো প্রতিটি সদস্যের দায়িত্ব। কিন্তু এ ঘটনায় তারা সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন।

 

 

তিনি বলেন, “কোনো পুলিশ সদস্য প্রশ্ন তোলেননি যে, কেন ওই সহকারী উপপরিদর্শক কোনো নারী পুলিশ সদস্য ছাড়া ওই তরুণীকে থানায় নিয়ে এসেছিলেন।”

 

ফয়সাল কামরান আরও বলেন, “আমি থানার ৭৮ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছি। জেন্ডার ক্রাইম উইং ঘটনাটি তদন্ত করছে। দোষীদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে এবং শহরের সব থানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

ঘটনাটি পাকিস্তাজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দীর্ঘদিনের অভিযোগ, সামাজিক কলঙ্কের ভয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আস্থার অভাবের কারণে অনেক নারী যৌন সহিংসতার অভিযোগ জানাতে সাহস পান না। তাদের মতে, পুলিশের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ জনসাধারণের আস্থা আরও দুর্বল করে দিয়েছে।

 

নারী অধিকারকর্মী ফারজানা বারি বলেন, “এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক ঘটনা এবং পুলিশ বাহিনীর দীর্ঘদিনের জবাবদিহিতার অভাবকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। এটি ক্ষমতার অপব্যবহারের একটি নির্মম উদাহরণ। পুলিশের অসদাচরণ ও হেফাজতে ধর্ষণের অভিযোগ নতুন নয়; বছরের পর বছর আমরা এমন ঘটনা দেখে আসছি।”

 

তিনি বলেন, “১৯৯০-এর দশকে আমরা নারী পুলিশ স্টেশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে নিরলসভাবে আন্দোলন করেছি, কারণ অনেক নির্যাতিত নারী পুরুষ পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ জানাতে নিরাপদ বোধ করতেন না। নারীদের সুরক্ষায় পুলিশের রেকর্ড এখনও দুর্বল হলেও, অন্তত এ ঘটনার অভিযোগটি সামনে এসেছে— এতে আশা করা যায়, ভুক্তভোগী বিচার পাবেন।”

 

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আইন সংস্কার হলেও পাকিস্তানে ধর্ষণের ঘটনায় দণ্ডাদেশের হার এখনও খুবই কম। সাসটেইনেবল সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশটিতে ধর্ষণ মামলায় দণ্ডাদেশের হার ছিল মাত্র শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। আর সরকারি তথ্য বলছে, ঘটনাস্থল পাঞ্জাব প্রদেশে ২০২৫ সালে এ হার ছিল ৪ শতাংশ।

 

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, দুর্বল তদন্ত, যথাযথ আলামত সংগ্রহে ব্যর্থতা, মামলার দীর্ঘসূত্রতা এবং যৌন সহিংসতা নিয়ে সামাজিক কলঙ্ক— এসব কারণেই দণ্ডাদেশের হার এত কম।

 

পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে পাঞ্জাব প্রদেশে নারীদের বিরুদ্ধে ২০ হাজারের বেশি অপরাধের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় বেশি।

 

ফারজানা বারি বলেন, “রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে এ ধরনের অপরাধ চলতেই থাকবে। সাধারণ মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজন কাঠামোগত সংস্কার এবং আরও শক্তিশালী তদারকি ব্যবস্থা।”

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।