খুঁজুন
, ,

হামলা না করা শর্তে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০১ অপরাহ্ণ
হামলা না করা শর্তে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব
শেয়ার করুন

সৌদি আরবের ওপর হামলা বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইরান মারফত ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীকে ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব। গালফ অঞ্চলের কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে এই তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টাইমস অফ ইন্ডিয়াতে এই সংবাদের সত্যতা প্রকাশ করা হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে জানানো হয়, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান হুথিদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনার জন্য তেহরান সফর করেন। একটি কূটনৈতিক সূত্র দাবি করেছে, সৌদি মন্ত্রী তার হারকিউলিস সামরিক পরিবহন বিমানে করে এই ১০০ কোটি ডলার অর্থ তেহরানে নিয়ে এসেছিলেন। তবে অর্থ হস্তান্তরের বিষয়টি কোনো সৌদি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেননি।

 

তেহরানের এই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের গোয়েন্দা প্রধান ইব্রাহিম কালিন, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান অসীম মুনীর, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক মহসেন রেজাই এবং ইসলামিক রিভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের শীর্ষ কর্মকর্তারা। সৌদি বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হুথিদের ক্রমাগত হামলার কারণে সৌদি আরবে অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ায় ইরান মধ্যস্থতার এই প্রস্তাব দিয়েছিল।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সফরের বিষয়ে এক সরকারি বিবৃতিতে জানায়, ‘প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের তেহরান সফরটি বর্তমান সংকটের পক্ষগুলোর মধ্যে উত্তেজনা হ্রাস, সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানকে উৎসাহিত করা এবং কাতার রাজ্য ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানের পরিচালিত মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার জন্য ন্যাটো-রীতির এই জোটের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এসেছে।’

 

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এক সৌদি কর্মকর্তা অর্থ হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত না করলেও জানান, তিন বছর আগে পৌঁছানো সমঝোতা বাস্তবায়নেই সংঘাতের মূল কারণ।

ঐ সমঝোতার আওতায় হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলের সরকারি কর্মচারীদের বেতন এবং অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে সরাসরি অর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল, যার বিনিময়ে হুথিরা হামলা বন্ধ রাখবে। হুথিরা সৌদি আরবকে অঙ্গীকার ভঙ্গের অভিযুক্ত করলেও সৌদি আরবের অবস্থান হলো তারা কোনো সামরিক ব্ল্যাকমেইলের মুখে নতুন করে যুদ্ধবিরতিতে যাবে না।

 

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোট এবং ইরানি নেতৃত্বের মধ্যে এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক, যা মূলত গত সপ্তাহে পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের তেহরান সফরের সময় রূপ নেয়। ইরানের ১০০ কোটি ডলারের এই প্রস্তাব বা বিমানে অর্থ বহনের দাবিটি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

 

সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া

অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের

আমি তোমার যত্ন নেব’ বলেই ‘ধর্ষণ’ করেন ট্রাম্প

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৬ অপরাহ্ণ
আমি তোমার যত্ন নেব’ বলেই ‘ধর্ষণ’ করেন ট্রাম্প
শেয়ার করুন

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন সাবেক মিস সুইজারল্যান্ড ও মডেল বিয়াট্রিস কিউল। ১৯৯৩ সালের নভেম্বরে নিউইয়র্কের প্লাজা হোটেলে ট্রাম্প তার ওপর এই নির্যাতন চালান বলে ডেমোক্র্যাটদের এক তদন্তকারী দলের কাছে তিনি দাবি করেন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

হোয়াইট হাউস এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে ভুয়া খবর বলে আখ্যা দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র জানান, ট্রাম্প অ্যাপস্টাইন সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় থেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন। ডেমোক্র্যাটদের উন্মোচিত প্রতিবেদনটিকে ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঐতিহাসিক সাফল্যের ওপর ভর করে তৈরি হওয়া রিপাবলিকানদের ঊর্ধ্বমুখী গতি থেকে আমেরিকানদের মনোযোগ সরানোর জন্য উন্মাদ ডেমোক্র্যাটদের একটি মরিয়া চেষ্টা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে হোয়াইট হাউস।

ডেমোক্র্যাটিক কমিটির কর্মচারীদের সঙ্গে কয়েক সপ্তাহের সাক্ষাৎকারে ২৪ বছর বয়সে ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের প্রথম সাক্ষাতের কথা জানান কিউল। তিনি জানান, ট্রাম্প তাকে ভিসা ও নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছিলেন, ‘আমি তোমার যত্ন নেব।’ পরবর্তীতে ট্রাম্পের এক প্রতিনিধি তাকে প্লাজা হোটেলের ওপরের তলায় ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে নিয়ে যান।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘প্রবেশ মাত্রই ট্রাম্প কিউলকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরেন এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন; এই প্রক্রিয়ায় তার পোশাক ছিঁড়ে যায় এবং শরীরের একাধিক স্থানে রক্তপাত ও আঘাতের চিহ্ন তৈরি হয়।’ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কিউল এই ধর্ষণকে ‘নৃশংস’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ঘটনার পর ট্রাম্প তাকে বিছানার ধারে বসিয়ে পুনরায় ভিসা ও ভর্তির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং চুপ থাকতে বলে বলেন, ‘শো চলতেই হবে।’

 

এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ডেইলিমেইলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কিউল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘তিনি আমাকে ঠোঁটে ও ঘাড়ে চুমু খেয়েছিলেন। তিনি আমার পোশাক তোলার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি আমার শরীরের সর্বত্র স্পর্শ করছিলেন।’ তবে সেই সময় কিউল জানান, তিনি কথা বলে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং তার উচ্চতার কারণে তিনি বেঁচে গিয়েছিলেন।

২০ বছর আগেই কিউল তার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে এই ঘটনার কথা জানিয়েছিলেন বলে ডেইলিমেইল উল্লেখ করে এবং তখন ট্রাম্পের তৎকালীন প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিটের অভিযোগটি ভুয়া বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন।

 

কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য জেমি রাসকিন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘পাঁচজন নারী অ্যাপস্টাইনের উপস্থিতিতে বা তার সান্নিধ্যে সরাসরি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন; অন্যরা ইঙ্গিত দিয়েছেন, অ্যাপস্টাইন বা ম্যাক্সওয়েল তাদের ট্রাম্পের কাছে পাচারের চেষ্টা করেছিলেন।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘প্রেসিডেন্টকে রক্ষা করতে ট্রাম্পের বিচার বিভাগ এই অপরাধগুলো ধামাচাপা দিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।’

 

আসন্ন ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হলো। নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্পের অ্যাপস্টাইন সংক্রান্ত নথি ব্যবস্থাপনা এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে দেখা দেওয়া মূল্যস্ফীতি রিপাবলিকান প্রার্থীদের রাজনৈতিক চাপের মুখে ফেলেছে।

 

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ।

জুতো পালিশ থেকে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট, যেভাবে লুলার উত্থান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
জুতো পালিশ থেকে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট, যেভাবে লুলার উত্থান
শেয়ার করুন

ছোটবেলায় পরিবারের অভাব মেটাতে জুতো পালিশ করেছেন, রাস্তায় বিক্রি করেছেন চীনাবাদাম। জীবনের আরেক পর্যায়ে কারখানায় কাজ করতে গিয়ে হারিয়েছেন বাঁ হাতের কনিষ্ঠ আঙুল। শ্রমিকের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেমে জেলেও গেছেন। একসময় দুর্নীতির মামলায় কারাবন্দি হয়েছিলেন। সেই মানুষটিই বারবার ফিরে এসেছেন রাজনীতির ময়দানে।

এবার চতুর্থবারের মতো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ডানপন্থি ফ্লাভিও বলসোনারোকে হারিয়ে আবারও দেশটির ক্ষমতায় ফিরেছেন ৮০ বছর বয়সী এই বামপন্থি নেতা।

তার বিজয়ের মাধ্যমে ব্রাজিলে ফিরলো বাম-ধারা। যেন ‘রক্ষা’ পেল লাতিন আমেরিকার ‘শেষ বাম-দুর্গ’।

বিবিসির তথ্য বলছে, এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো নির্বাচনে জয় পেলেন লুলা। ২০০৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় ফেরেন।

টঙ্গীর সেই শিশুর বাবা রুমি দেশ ছেড়েছেন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ
টঙ্গীর সেই শিশুর বাবা রুমি দেশ ছেড়েছেন

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

শেয়ার করুন

টঙ্গীর একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের ঘটনায় আলোচনায় আসা শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি দেশ ছেড়েছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে রুমির পরিবার। তবে তিনি কোন দেশে গেছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পরিবারের সূত্রের দাবি, তিনি এখন বাংলাদেশে নেই এবং এ ঘটনা নিয়ে আর ভাবছেন না।

এর আগে, গত ২১ অক্টোবর টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিনকে মারধর করেন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি। পরে ওই শিক্ষককে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে শাহজালাল রুমি টঙ্গী পশ্চিম থানায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মামলা করেন।

এদিকে, মাদ্রাসার অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে রুমির বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করা হয়। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে ১৭ লাখ টাকা চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পাল্টা মামলা হওয়ার পর থেকে রুমি আড়ালে চলে যান বলে জানা গেছে।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে এর আগে রুমি বলেছিলেন, একজন আলেম হয়েও তিনি মিথ্যা বলেছেন এবং এখনো বলে যাচ্ছেন বলে তার অভিযোগ।

তবে রুমির দেশ ছাড়ার খবর, তার বর্তমান অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর সর্বশেষ অবস্থা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।