খুঁজুন
, ,

‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ
‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
শেয়ার করুন

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যকে সরাসরি নাকচ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘সরকার তো ক্রসফায়ার চায় না; বরং সরকার ক্রসফায়ারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স।’ আইজিপি অসতর্কতাবশত এমন কথা বলেছেন উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা ঠিক হয়নি, উচিত হয়নি।’

 

গতকাল সোমবার রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। তিনি বলেন, পুলিশ বলপ্রয়োগ করলে এক পক্ষ পুলিশকে ফ্যাসিস্ট বলে, আবার নিষ্ক্রিয় থাকলে দুর্বল বলে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে।

 

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘উনি (আইজিপি) সহজ–সরল মানুষ। আইনের কঠোর প্রয়োগের বিষয়ে বলতে গিয়ে অসতর্কতাবশত বলে ফেলেছেন। এটা ঠিক হয়নি, উচিত হয়নি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, সরকার তো ক্রসফায়ার চায় না; বরং সরকার ক্রসফায়ারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স। সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না, এ বিষয়ে সরকার অত্যন্ত কঠোর। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, কাস্টডিয়াল ডেথ (পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু) সহ্য করবে না।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনের শাসন সরকারের প্রধান লক্ষ্য এবং আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। এ পর্যন্ত ক্রসফায়ারে মৃত্যু এবং হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে অপরাধ দমন এবং আইনের যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকার যা যা দরকার, সব করবে।

 

এর আগে আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য সরকারের জন্য বিব্রতকর বলে মন্তব্য করেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, যে বিএনপি দীর্ঘদিন গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, সেই দলের সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় পুলিশপ্রধানের মুখে ক্রসফায়ারের কথা তাঁদের ভাবিয়ে তুলছে।

 

গতকাল সোমবার ‘সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ার করা হবে’— আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের এই বক্তব্যের পরপর তাৎক্ষণিকভাবে জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, এবি পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ জানায়।

 

আইজিপির বক্তব্য নিয়ে সমালোচনার মধ্যে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর একটি ব্যাখ্যা দেয়। তাতে বলা হয়, আইজিপি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার অর্থে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের কঠোরতা বোঝাতে তিনি শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

শীতে যাতায়াতের কষ্ট দেখে কর্মীদের বিএমডব্লিউ উপহার দিলেন মালিক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
শীতে যাতায়াতের কষ্ট দেখে কর্মীদের বিএমডব্লিউ উপহার দিলেন মালিক
শেয়ার করুন

তীব্র শীতে বৈদ্যুতিক স্কুটারে চড়ে কর্মীদের কাজে আসার কষ্ট দেখে তাদের নতুন বিএমডব্লিউ গাড়ি উপহার দিয়েছেন চীনের এক রেস্তোরাঁমালিক। সেরা কর্মীদের প্রতি এমন উদারতায় অনলাইনে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন মা ইয়ানলি নামের ওই ব্যবসায়ী।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্য চীনের হেনান প্রদেশের জিয়াওজুও শহরভিত্তিক একটি বিফ হটপট রেস্তোরাঁ চেইনের মালিক মা। গত ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি কয়েকজন কর্মীকে নিয়ে গাড়ি নিতে শোরুমে যান। হেনান টিভি জানিয়েছে, প্রতিটি গাড়ির দাম তিন লাখ ইউয়ান। দুই সপ্তাহ আগেই পুরো টাকা পরিশোধ করেছিলেন তিনি।

 

 

উপহার পাওয়া কর্মীদের একজন লি জিয়ে। আট বছর ধরে ওই রেস্তোরাঁয় কাজ করছেন তিনি। লির নামে সেদিনই একটি সাদা বিএমডব্লিউ নিবন্ধন করা হয়। এ জন্য তাকে কোনো টাকা দিতে হয়নি, এমনকি কোনো চুক্তিতেও সই করতে হয়নি।

 

 

লি বলেন, ‘আমি ভীষণ আনন্দিত! এমন কিছু কখনো ভাবিনি। শোরুমে যাওয়ার পথে মালিক শুধু বলেছিলেন, আমাকে একটি বড় খেলনা দেবেন।’

 

 

মা জানান, গত শীতে এক সকালে লিকে প্রচণ্ড ঠান্ডায় লাল হয়ে যাওয়া মুখ, বেগুনি কান ও আড়ষ্ট হাত নিয়ে কাজে আসতে দেখেন। সেই দৃশ্য থেকেই গাড়ি উপহার দেওয়ার ভাবনা আসে।

 

 

তার ভাষ্য, ‘আমি গাড়িতে উষ্ণতা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে চলাচল করতে পারলে সে কেন পারবে না? আমার প্রতিষ্ঠানের সমৃদ্ধি সব কর্মীর সম্মিলিত পরিশ্রমের ফল। তাই তাদেরও এই সাফল্যের সুফল পাওয়া উচিত।’

 

 

আরেক কর্মী লিউ ইংইং পেয়েছেন ধূসর রঙের বিএমডব্লিউ। কঠোর পরিশ্রম ও চমৎকার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে গাড়িটি দেওয়া হয়েছে। এর আগেও বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী উৎসবে কর্মীদের নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ও নগদ বোনাস দিয়েছেন মা।

মাকে ভিডিওতেও এনে বাবার বিরুদ্ধে ১৮ বিয়ের অভিযোগ তাশরীফের

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ
মাকে ভিডিওতেও এনে বাবার বিরুদ্ধে ১৮ বিয়ের অভিযোগ তাশরীফের
শেয়ার করুন

নিজের মাকে ভিডিওতে এনে বাবার বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ের অভিযোগ তুললেন আলোচিত বক্তা ও সামাজিক মাধ্যমে ‘উসকানি’ দেওয়া জুবায়ের আহমাদ তাশরীফ। ভিডিওতে তাশরীফের মা পরিচয় দেওয়া এক নারী অভিযোগ করেছেন হেদায়েতুল্লাহ ১৭ থেকে ১৮টি বিয়ে করেছেন।

আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে তাশরীফের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক ভিডিওতে এসব অভিযোগ করেন তার মা। ভিডিওতে ওই নারী বলেন, তাশরীফ তার বাবার ভরণ-পোষণ বা খোঁজখবর নেন না বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তার দাবি, তাশরীফ প্রতি মাসে বাবাকে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা দেন। তবে সম্প্রতি পারিবারিক ঝগড়াঝাটির কারণে দু-তিন মাস ধরে সেই টাকা দেওয়া হচ্ছে না।

তাশরীফের মা অভিযোগ করেন, তার বাবা চান না ছেলে তার চেয়ে ভালো অবস্থানে থাকুক। তিনি বলেন, মানুষের বিভিন্ন কথায় তাশরীফের বাবার সঙ্গে ছেলের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। মানুষ তাকে বলে, তোর ছেলে এত উপরে থাকবে আর তুই এভাবে থাকবি কেন। মানুষের এসব কথা শুনে তিনি তাশরীফের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেন।’

এ সময় তাশরীফের বাবা মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ একাধিক বিয়ে করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, তিনি হেদায়েতুল্লাহর ঘরে থাকাকালে সাতটি বিয়ে করেছেন এবং পরে শুনেছেন, সব মিলিয়ে তিনি ১৭ থেকে ১৮টি বিয়ে করেছেন।

তাশরীফের বিরুদ্ধে তার বাবার অভিযোগকে ‘সাজানো ষড়যন্ত্র’ বলেও মন্তব্য করেন তার মা। তিনি অভিযোগ করেন, তাশরীফ বাবার বাড়িতে গেলে ঠিকমতো খাবারও পান না। একই সঙ্গে নিজের ওপর স্বামীর নির্যাতন এবং বাবার বাড়ি থেকে সম্পদ আনার জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

তাশরীফের বিরুদ্ধে নিজের অভিযোগের বিষয়ে মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ জানান, তিনি কষ্ট করে ছেলেকে পড়াশোনা করিয়েছেন এবং অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গেছেন। তার দাবি, ছেলের ছোটবেলায় শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে মানুষের কাছ থেকে সহযোগিতা নিয়ে তাকে চিকিৎসা করিয়েছেন। ছেলের কাছে টাকা চেয়েছিলেন। কিন্তু ছেলে জমি কেনার কথা বলে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে মানুষের সহযোগিতা নিয়ে চিকিৎসা করিয়েছেন। তবে চিকিৎসার পরও তিনি পুরোপুরি সুস্থ হননি এবং এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে হেদায়েতুল্লাহ বলেন, ‘যখন তোমার কেউ ছিল না, তখন ছিলাম আমি। এখন তোমার সব হইছে, পর হইলাম আমি। সে আজকে আমার খোঁজখবর লয় না, আমারে সে দেহে না, আমারে টাকা-পয়সা দেয় না। আমি কষ্টের ভিতরে আছি।’

এ ছাড়া ছেলের পরামর্শে ইমামতির চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পরও প্রতিশ্রুত টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করেন হেদায়েতুল্লাহ। তার দাবি, তাশরীফ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার জন্য দোয়া চেয়ে তাকে ক্ষমা করতে বলেন। পরে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলে ইমামতির চাকরি ছেড়ে দিতে বলেন। ছেলের কথায় চাকরি ছাড়লেও পরে তাকে কোনো টাকা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

হেদায়েতুল্লাহ আরও বলেন, ছেলের ব্যক্তিগত সহকারী ওবায়দুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করেও তিনি সহযোগিতা পাননি। ছেলেকে বারবার ফোন করেও যোগাযোগ করতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি।

তাশরীফের বিরুদ্ধে আলোচিত দীপু দাস হত্যায় সামাজিক মাধ্যমে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি চড়কাণ্ডে আলোচিত শাহজালাল রুমির বিরুদ্ধেও সামাজিক মাধ্যমে একের পর এক পোস্ট দিয়ে উসকানি দিয়েছিলেন, পরে ক্ষমা চান তাশরীফ।

ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ, সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ, সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
শেয়ার করুন

ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রামের জুবলী রোড শাখা থেকে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে ৬৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তার স্ত্রী রুকমীলা জামানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) চট্টগ্রাম দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি করেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. রুবেল হোসেন। দুদকের পিপি মোকাররম হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৪ জানুয়ারি আরামিট সিমেন্ট লিমিটেডের নামে ইসলামী ব্যাংকের নগরের বহদ্দারহাট শাখায় একটি চলতি হিসাব খোলা হয়। পরে ২০১৭ সালের ১৫ মে হিসাবটি জুবলী রোড শাখায় স্থানান্তর করা হয়।

 

ওই বছরের ১৫ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুকমীলা জামান ৫০০ কোটি টাকা ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ঋণের আবেদন করেন। পরে ব্যাংকের ক্রেডিট কমিটির সুপারিশে ৩৫০ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করা হয়।

এজাহারে বলা হয়, ঋণের অর্থ ছাড় করতে ক্লাসিক ট্রেডিং নামে একটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান দেখানো হয়। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী হিসেবে আরামিট গ্রুপের হিসাব বিভাগের এজিএম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের নাম ব্যবহার করা হয়। তবে দুদকের অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠানটির নির্ধারিত ঠিকানায় কোনো কার্যালয়, গুদাম বা ওয়্যারহাউসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

 

অভিযোগে আরও বলা হয়, ক্লিংকার, জিপসাম, লাইমস্টোন ও স্ল্যাগসহ বিভিন্ন কাঁচামাল সরবরাহের কথা উল্লেখ করে ভুয়া ইনভয়েস ও অন্যান্য কাগজপত্র ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। বাস্তবে পণ্য সরবরাহ না করেই এসব নথির ভিত্তিতে ২৭টি বাই-মুরাবাহা ডিলের বিপরীতে পে-অর্ডার ইস্যু করা হয়।

 

পে-অর্ডারের অর্থ প্রথমে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) স্টেশন রোড শাখায় ক্লাসিক ট্রেডিংয়ের হিসাবে জমা হয়। পরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব ঘুরে অর্থের একটি অংশ আরামিট সিমেন্টের হিসাবে স্থানান্তর করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর পর্যন্ত ২৭টি ডিলের মাধ্যমে ৬৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়।

 

মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও আরামিট গ্রুপের মালিক সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এবং তার স্ত্রী রুকমীলা জামান ছাড়াও আরামিট সিমেন্টের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহ আলম, এজিএম একেএম মারুফ, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং ইসলামী ব্যাংকের জুবলী রোড শাখার কয়েকজন কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে।

দুদক আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় প্রতারণা, জালিয়াতি, অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ এনেছে।