খুঁজুন
, ,

যে দফা গুলো লিখলো সিটি কলেজ শিবির

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ জুন, ২০২৫, ২:৫১ অপরাহ্ণ
যে দফা গুলো লিখলো সিটি কলেজ শিবির
শেয়ার করুন

দক্ষিণ চট্টগ্রামের অন্যতম স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ কক্সবাজার সিটি কলেজের শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধি, সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কক্সবাজার সিটি কলেজ শাখার পক্ষে কলেজ প্রশাসনের নিকট নিন্মোক্ত ৮ (আট) দফা দাবি উত্থাপন করছি।

১। এই অঞ্চলের অধিকাংশ শিক্ষার্থী নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসে। বেসরকারি কলেজ হিসেবে শিক্ষার্থীদের উচ্চ ফি প্রদানের কারণে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত, মানোন্নয়ন ও স্বল্প খরচে মানসম্মত শিক্ষাগ্রহণ এবং কলেজের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে ঐতিহ্যবাহী কক্সবাজার সিটি কলেজকে জাতীয়করণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অনতিবিলম্বে গ্রহণ করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

২। কলেজ প্রশাসনের সিদ্ধান্তে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে প্রকাশ্যে ছাত্ররাজনীতি (কার্যক্রম) নিষিদ্ধ থাকা সত্তে¡ও ছাত্রদল ক্যাম্পাসে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম অবাধে পরিচালনা করে যাচ্ছে। কিন্তু কলেজ প্রশাসন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দিনের পর দিন এ বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আমরা কলেজ প্রশাসনের নিকট এ বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য জানতে চাই। পাশাপাশি জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

৩। ছাত্র – জনতার জুলাই বিপ্লবকে সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে ফ্যাসিস্ট আইকন বর্তমানে পরিত্যাক্ত শেখ মুজিব চত্তরকে শহীদ আবু সাঈদ – মুগ্ধ চত্তর নামকরণ করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

৪। আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ ও চলমান ভোগান্তি নিরসনে কলেজের মাসিক বেতন ও পরীক্ষার ফি গ্রহণের জন্য আধুনিক “অটোমেশন” মেশিন স্থাপন করে আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

৫। কলেজে চলমান অস্থিরতা নিরসন ও প্রশাসনিক জটিলতা উত্তরণকল্পে প্রাক্তন অধ্যক্ষের দুর্নীতির পূর্ণাঙ্গ তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষামন্ত্রণালয় ও জা: বি: এর নীতিমালার আলোকে অধ্যক্ষ – উপাধ্যক্ষ নিয়োগ প্রদানের আহŸান জানাচ্ছি।

৬। ছাত্রসংসদ বাংলাদেশে শিক্ষাঙ্গনসমূহে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। শিক্ষার্থীবান্ধব নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতকরণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ছাত্রসংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য কলেজ প্রশাসনকে আহ্বান করছি।

৭। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভূক্ত প্রায় সকল কলেজে বিজ্ঞান ক্লাব, বির্তক ক্লাবসহ প্রয়োজনীয় ক্লাবসমূহ থাকলেও কক্সবাজার সিটি কলেজে এখনো সকল ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। অনতিবিলম্বে বিধি মোতাবেক যাবতীয় ক্লাব প্রতিষ্ঠা করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একই সাথে কলেজের শৃঙ্খলা ও সৌন্দর্য রক্ষায় নিয়োজিত ডিসিপ্লিন সংগঠন হিসেবে পরিচিত বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটের প্রয়োজনীয় সংস্কার করে মানসম্মত পরিবেশ এবং ক্যাডেট ও রোভারদের প্রাপ্য সুবিধা নিশ্চিত করা হোক।

৮। ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বর্ধন, কলেজ লাইব্রেরী সংস্কার ও প্রায়োজনীয় বইয়ের ব্যবস্থা করা এবং বিদ্যমান কলেজ বাস মেরামতকরণ সহ আরো (০২) দুইটি কলেজ বাস বৃদ্ধি করার অনুরোধ করছি। পাশাপাশি দ্রæত সময়ের মধ্যে কলেজ ওয়েবসাইট উন্নতকরণ, বিজ্ঞান ল্যাব ও আইসিটি ল্যাবের প্রয়োজনীয় সংস্কার পূর্বক একটি আধুনিক সুবিধা সম্বলিত ক্যাম্পাস নিশ্চিতকরণের অনুরোধ রইল।

অতএব, মহোদয় কলেজের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে উল্লেখিত ০৮ (আট) দফা দাবি মেনে নিয়ে শিক্ষার্থীবান্ধব নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন ।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।