খুঁজুন
, ,

রোগীর পেটে কাঁচি রেখেই সেলাই করে দিল চিকিৎসক, ৭ মাস পর অপসারণ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫, ১২:৫১ অপরাহ্ণ
রোগীর পেটে কাঁচি রেখেই সেলাই করে দিল চিকিৎসক, ৭ মাস পর অপসারণ
শেয়ার করুন

বরগুনার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে কোহিনুর বেগম নামে ষাটোর্ধ্ব এক নারীর জরায়ু অপারেশনের পর পেটের মধ্যে কাঁচি রেখে সেলাই করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার দীর্ঘ সাত মাস পর পুনরায় আরেকটি অপারেশন করে ওই নারীর পেট থেকে কাঁচিটি উদ্ধার করা হয়। তবে দীর্ঘদিন পেটের মধ্যে কাঁচি থাকায় খাদ্যনালীতে পচন ধরে বর্তমানে মৃত্যুশয্যায় দিন কাটছে ভুক্তভোগী ওই নারীর।

বুধবার (৯ জুলাই) বিষয়টি জানাজানি হয়। এ ঘটনায় ন্যায় বিচার পেতে মঙ্গলবার (৮ জুলাই) জেলার সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বজনরা।

বরগুনা সদর উপজেলার ২নং গৌরীচন্না ইউনিয়নের কুয়েত প্রবাসী নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। স্বজনদের অভিযোগ, বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. ফারহানা মাহফুজ ওই হাসপাতালে কোহিনূর বেগমের অপারেশন করেন। এছাড়া তার সঙ্গে কুয়েত প্রবাসী হাসপাতালের নিয়মিত চিকিৎসক ডা. সাফিয়া পারভীনও ছিলেন বলে জানান তারা।

ভুক্তভোগীর স্বজন সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালীর কলপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী নামক এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী কোহিনুর বেগম। গত বছর তিনি মেয়ের বাড়ি বরগুনায় বেড়াতে আসেন। পরে তার শারীরিক অসুস্থতার কারণে সদর উপজেলার ২নং গৌরীচন্না ইউনিয়নের কুয়েত প্রবাসী নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জরায়ুর সমস্যা ধরা পরলে গত বছরের ১৮ নভেম্বর ওই বেসরকারি হাসপাতালেই কোহিনুর বেগমের একটি অপারেশন হয়। তবে তার পেটের মধ্যে ৭ ইঞ্চি সাইজের একটি কাঁচি রেখেই সেলাই করে অপারেশন সম্পন্ন করা হয়। ফলে হাসপলে ৪ দিন ভর্তি থাকার পর বাড়িতে গেলে কোহিনুর বেগমের অবস্থা আরও অবনতি হতে শুরু করে। এরপর গত কয়েকমাস ধরে অবস্থার বেশি অবনতি হলে স্বজনরা কোহিনুর বেগমকে নিয়ে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যায়। সেখানে পুনরায় তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলে পেটের মধ্যে একটি কাঁচি শনাক্ত করেন চিকিৎসকরা। পরবর্তীতে গত ১৮ জুন আরেকটি অপারেশন করে ওই কাঁচিটি অপসারণ করা হয়। তবে দীর্ঘদিন ধরে পেটের মধ্যে সাত ইঞ্চি লম্বা একটি কাঁচি থাকায় পচন ধরেছে কোহিনুর বেগমের খাদ্যনালীতে। এতে তার খাদ্যনালীর একাংশ কেটে ফেলতে হয়েছে। আর এ কারণেই বর্তমানে স্বাভাবিক মলত্যাগ করতে পারছেন না কোহিনুর বেগম। চিকিৎসকরা তার পেটের সঙ্গে বাইরে একটি ব্যাগ যুক্ত করে দিয়েছেন, যেখানে জমা হচ্ছে মল। বর্তমানে মুমূর্ষ অবস্থায় বিছানায় শয্যাশায়ী আছেন কোহিনুর বেগম।

কোহিনুর বেগমের ছেলে ইসা ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমরা দুই ভাই তিন বোন এবং বাবা বৃদ্ধ। আমাদের কারো তেমন ভালো কোনো আয়ের উৎস নেই। মায়ের চিকিৎসার জন্য বরগুনা কুয়েত প্রবাসী হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার অপারেশনের পর একটি কাঁচি পেটে রেখে সেলাই করে দেয় ডা. ফারহানা মাহফুজ। এ ঘটনার সাত মাস পর বিষয়টি জানতে পেরে ওই হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তারা আমাদের পাশে দাঁড়ায়নি। আমাদের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় এখন মায়ের চিকিৎসা খরচ মিটাতে পারছি না। আমার মায়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চাই।

ভুক্তভোগী কোহিনুর বেগমের মেয়ে ফাহিমা বেগম ঢাকা পোস্টকে বলেন, বরগুনা একটি জেলা শহর হওয়ায় কুয়েত প্রবাসী হাসপাতালে আমার মায়ের অপারেশন করাই। তবে তিনি ধিরে ধিরে আরও অসুস্থ হয়ে পড়লে কলাপাড়ায় তাকে ডাক্তার দেখাই। পরে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার পেটে একটি কাঁচি ধরা পরে। বর্তমানে আমার মা মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। প্রতিদিন প্রায় তার পেছনে ২-৩ হাজার টাকা খরচ করতে হচ্ছে। এছাড়াও হাসপাতালের অন্য খরচ বহন করতে না পারায় মাকে নিয়ে বাড়িতে চলে এসেছি। তিনমাস পরে আবারও আরেকটি অপারেশন করতে হবে বলেও জানান তিনি।

কোহিনুর বেগমের মেয়ের জামাই মো. হুমায়ুন ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমার শাশুড়ির অপারেশনের পর চার দিন কুয়েত প্রবাসী হাসপাতালে ভর্তি ছিল। পরে বাড়িতে এসে অপারেশনের জায়গায় ইনফেকশন হলে আবারও ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ১১ দিন তাকে ভর্তি রাখা হয়। এরপর থেকে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে শুরু করলে বরিশালে নিয়ে গেলে তার পেটের মধ্যে একটি কাঁচি ধরা পরে। তবে এ ঘটনায় কুয়েত প্রবাসী হাসপাতাল কতৃপক্ষ আমাদেরকে কোনো প্রকার সহযোগিতা না করে উল্টো হুমকি দিয়েছে।

আল মামুন নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা ঢাকা পোস্টকে বলেন, কুয়েত প্রবাসী হাসপাতালে যে ঘটনাটি ঘটেছে তা চিকিৎসকের দায়িত্ব অবহেলায় হয়েছে। সাত ইঞ্চি লম্বা একটা কাঁচি ছোট নয়, যা দেখা যাবে না। একটি ভুলের কারণে ওই পরিবারটি শেষ হয়ে গেছ। তাদের চিকিৎসা খারচ মেটানোর টাকা না থাকায় বিভিন্ন জায়গায় তারা ঋণগ্রস্ত হয়ে পরেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে ওই হাসপাতালসহ জড়িত সকলের বিচারের দাবি জানাই।

ভুক্তভোগী কোহিনুর বেগমের অপারেশনের পর তার পেটের মধ্যে কাঁচি রেখে সেলাই করার অভিযোগের বিষয়ে জানতে সরেজমিনে কুয়েত প্রবাসী হাসপাতালে গেলে পাওয়া যায়নি অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. ফারহানা মাহফুজকে। পরে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

কুয়েত প্রবাসী হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গাজী মো. ফজলুল হক (মন্টু) ঢাকা পোস্টকে বলেন, কোহিনুর বেগমের জরায়ু অপারেশন হয়েছিল। তার অপারেশন করেছিল সরকারের হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ফারহানা মাহফুজ। পর সুস্থ হয়ে রোগী বাড়ি চলে গেছিলেন। দীর্ঘ সাত আট মাস পর তারা আমাকে এ ঘটনা জানায়। পরে বরিশাল গিয়ে আমি তাদের সঙ্গে দেখা করেছি। আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, আমারতো কোনো ত্রুটি নেই। এছাড়া অপারেশন যে ডাক্তার করেছে তার যদি কাগজপত্র না থাকতো তাহলে আমি দায়ী থাকতাম। তবে রোগীর স্বজনরা গত সাত-আট মাসে রোগীর অসুস্থতার বিষয়ে হাসপাতালে কোনো যোগাযোগ করেননি বলেও জানান তিনি।

বরগুনা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমি চার মাস হয়েছে বরগুনায় যোগদান করেছি। এখানে ১২৫টি ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে। অভিযুক্ত কুয়েত প্রবাসী হাসপাতালের মালিকসহ সবাইকে তলব করা হয়েছে। তাদের সব কাগজ পত্র দিতে বলেছি। কুয়েত প্রবাসী হাসপাতালের বিরুদ্ধে যে অভিযোগটি উঠেছে সে বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের বিধি মোতাবেক তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া কোহিনুর বেগম নামে ভুক্তভোগী ওই নারীর সকল অভিযোগ আমি আমলে নিয়েছি। এই ধরনের মানহীন ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জেলা প্রশাসনসহ জেলা বিচার বিভাগের সঙ্গে ইতোমধ্যে কথা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।