খুঁজুন
শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

মহেশখালী থানার ওসির কান্ড

১০ বছর আগে মৃত্যুবরণ করা ব্যক্তির নামে চাদাঁবাজি ও লুটপাটের মামলা

শাহেদ ফেরদৌস হিরু
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
১০ বছর আগে মৃত্যুবরণ করা ব্যক্তির নামে চাদাঁবাজি ও লুটপাটের মামলা
শেয়ার করুন

 

মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের অমাবশ্যাখালী এলাকায় চিংড়ি ঘের দখলকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা, মোটা অংকের চাঁদা দাবি, ব্যাপক লুটপাট এবং এর পরপরই ঘটনার শিকার পক্ষের বিরুদ্ধেই পাল্টা মামলায় মৃত ব্যক্তি ও নীরিহ মানুষকে আসামী করার ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, পুলিশকে টাকা দিয়ে যদি এভাবে পেছন থেকে শক্তিশালী অপরাধীচক্র মামলা সাজাতে পারে, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? বিশেষ করে দশ বছর আগে প্রবাসে মারা যাওয়া এক মৃত ব্যক্তিকে আসামি বানিয়ে তাকে চাঁদাবাজ বানানোর নজির দেশের আইনি ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও দুর্বল করে দিচ্ছে।

চিংড়ি চাষি এনামুল করিম অভিযোগ করেন, তার পৈত্রিক মালিকানাধীন চিংড়ি ও লবণ চাষের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে একাধিক মামলার আসামিরা আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে একাধিকবার চাঁদা দাবি ও সশস্ত্র হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

সর্বশেষ গত ১৩ জুলাই গভীর রাতে ১৯ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তার চিংড়ি ঘেরে হামলা চালায়। হামলার আহত কর্মচারীদের রশি দিয়ে বেঁধে খালের পানিতে ফেলে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। এরপর হাতে বন্দুক দিয়ে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে জোর করে স্বীকার করানোর চেষ্টা করা হয়।
ঘেরের বাসা ভাঙচুর, বাঁধ কেটে মাছের পোনা নষ্ট করা এবং প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগও মামলায় উল্লেখ করা হয়। চাষযোগ্য মাছ ও কাঁকড়াসহ প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকার সম্পদ লুটে নেওয়া হয়। শ্রমিকদের ব্যবহৃত চারটি মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন এনামুল।

এ ঘটনায় ভূক্তভোগী এনামুল করিম ২১ জুলাই মহেশখালী থানায় ১৯ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নম্বর ৩৫। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, নারী নির্যাতনসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলেও তিনি জানান।
তবে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, মামলা দায়েরের চারদিন পর ২৫ জুলাই অভিযুক্ত পক্ষের নুরুল কবির নামের এক ব্যক্তি থানায় এনামুল ও তার এক মৃত ভাই সহ ২২ জনের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নম্বর ৩০।

সেই মামলার ১৭ নম্বর আসামি হলেন এনামুল করিমের ছোট ভাই মাহমুদুল করিম। যিনি ১০ বছর আগে মালয়েশিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর ডেথ সার্টিফিকেট ও দাফনের কাগজপত্র এনামুল হকের কাছে রয়েছে বলে জানান। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, মামলায় তাকে চাঁদাবাজি ও লুটপাটের মূলহোতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এছাড়াও মামলায় যাদের নাম রয়েছে, তাদের অনেকে ঘটনার সময় এলাকায়ই ছিলেন না। এমনকি ঘটনার স্থানও উল্লেখ করা হয়েছে অন্য এলাকায়, যা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পাল্টা মামলা দায়েরের জন্য বাদীপক্ষ থানার ওসিকে মোটা অংকের টাকা দিয়েছেন। ফলে প্রকৃত ভুক্তভোগীদেরকেই হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এনামুল করিম ও তার পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি, ওসির ভূমিকা নিয়ে তদন্ত করা হোক এবং প্রকৃত হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হোক। তারা বলেন, যদি এই ঘটনাও ধামাচাপা পড়ে যায়, তাহলে পুলিশি অপব্যবহার ও সন্ত্রাসী জোটের অপতৎপরতা আরও ভয়ংকর রূপ নেবে।

পাল্টা মামলার বিষয় ও মৃত ব্যাক্তিকে কেন আসামী করা হয়েছে জানতে চাইলে নুরুল কবির জানান, ভুলে মৃত ব্যাক্তির নাম চলে এসেছে। এটা টাইপিং মিস্টেক হতে পারে। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে পাল্টা মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে সামনাসামনি দেখা করতে বলে ফোন কেটে দেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মামলা পাল্টা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর মোঃ এনায়েত কবীর বলেন, উভয় পক্ষের মামলা দায়ের বা পাল্টা মামলায় মৃত ব্যাক্তি আসামীর কিছুই জানি না। থানায় মামলা দায়ের হওয়ার পরে আমার নামে এন্ডোস করেছে। তদন্তে যদি কোন নীরিহ ব্যাক্তি পাওয়া যায় তাকে বাদ দেওয়া হবে।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মঞ্জুরুল হক বলেন, থানায় এসে কেউ যদি মামলার এজাহার জমা দেয় তাহলে কারো নাম বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। চার্জশিট দেওয়ার সময় তদন্ত করে নীরিহ কেউ থাকলে বাদ দেওয়া হবে। এছাড়া মহেশখালীর প্রায় লোক চাঁদাবাজির ধারা দিয়ে এজাহার জমা দেয়। মামলা না নিলে আবার বিভিন্নভাবে ব্লেইম দেয়।

কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন বলেন, মহেশখালীতে দখল-বেদখল নিয়ে বেশিরভাগ সময় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ গুলোতে দেখা যায় অনেক বেশি আসামী দেওয়া হয়। যার কারনে সবগুলো আসামীর ক্ষেত্রে তদন্ত করা সম্ভব হয়ে উঠে না। মামলায় নীরিহ বা মৃত ব্যাক্তিকে আসামী করা হলে তদন্ত করে বাদ দেওয়া যাবে। আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে যদি মামলা নেওয়ার অভিযোগ উঠে তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

রামুতে সিটি ব্যাংক পিএলসির নতুন এজেন্ট আউটলেট উদ্বোধন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
রামুতে সিটি ব্যাংক পিএলসির নতুন এজেন্ট আউটলেট উদ্বোধন
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় আধুনিক ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। চৌমুহনী এলাকার রবিন শপিং কমপ্লেক্সে সিটি ব্যাংক পিএলসি-এর রামু সদর এজেন্ট আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর ২ ঘটিকার সময় ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে সিটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের কার্যক্রম শুরু হয়।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক-এর ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক কাজী মুতমাইন্না তাহমিদা। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ব্যাংকিং রেগুলেশনস অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ এর অতিরিক্ত পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম, পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ এর অতিরিক্ত পরিচালক রাবেয়া খন্দকার, এসএমই ও স্পেশাল প্রোগ্রাম ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক হাফিয়া তাজরিয়ান এবং একই বিভাগের যুগ্ম পরিচালক নাজিয়া হক ও সালাহউদ্দীন মাহমুদ।

 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংক পিএলসির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব স্মল, মাইক্রোফাইন্যান্স অ্যান্ড এজেন্ট ব্যাংকিং বিজনেস কামরুল মেহেদী এবং হেড অব এজেন্ট ব্যাংকিং বিজনেস মহিবুর রহমান সহ সিটি ব্যাংকের সিনিয়র ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নতুন এই আউটলেট চালুর মাধ্যমে রামু এলাকার সাধারণ মানুষ সহজে, দ্রুত ও নিরাপদে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

 

রামু চৌমুহনী এজেন্ট আউটলেটে এই অগ্রযাত্রায় এজেন্ট মালিক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন তরুণ ও উচ্চশিক্ষিত উদ্যোক্তা আশরাফুল করিম। রামুর পূর্ব শাহমদর পাড়া (চাকমারকুল) এলাকার কৃতি সন্তান আশরাফুল করিম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। তাঁর বাবা শামসুল আলম এবং মাতা শাহিদা খানম। একজন শিক্ষিত তরুণ হিসেবে স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখার লক্ষ্যেই তিনি সিটি ব্যাংকের এই উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছেন।

 

এই এজেন্ট আউটলেটের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দারা জমা উত্তোলন রেমিট্যান্সসহ বিভিন্ন আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা ঘরের কাছেই পাবেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ রামুর অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

 

 

উদ্বোধনের মাধ্যমে রামু বাসীর জন্য আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা আরও একধাপ এগিয়ে গেল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

দুর্ঘটনায় নিভল স্বামী-স্ত্রীর প্রাণ, অনাথ ৩ মাসের শিশু

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
দুর্ঘটনায় নিভল স্বামী-স্ত্রীর  প্রাণ, অনাথ ৩ মাসের শিশু
শেয়ার করুন

শুক্রবার (১ মে) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের মধুখালী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পরীক্ষেতপুর হাচারির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

 

 

নিহতরা হলেন উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের আশাপুর গ্রামের হাবিবুল ইসলামের ছেলে তামিম মিয়া (২০) এবং তার স্ত্রী শিমলা খাতুন (১৯)। তারা মোটরসাইকেলে করে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে ফরিদপুর যাচ্ছিলেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইঞ্জিনচালিত পাঁচ চাকার ট্রলির সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুজনই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তামিম মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

 

 

এদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় শিমলা খাতুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানেও তিনি মারা যান।

 

 

 

নিহত দম্পতির তিন মাস বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। তাদের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

 

 

এ বিষয়ে করিমপুর হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উখিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
উখিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
শেয়ার করুন

উখিয়ায় নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে রাশেদা বেগম (৪৩) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

 

শুক্রবার (১ মে) সকালে উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম নিধানিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৮টার আগে যেকোনো সময় নিজ বসতঘরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন রাশেদা বেগম। পরে সকাল ৯টার দিকে তার স্বামী আবুল হাসেম ঘরে প্রবেশ করে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এসময় তিনি দ্রুত ইনানী পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। খবর পেয়ে ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির এসআই দুর্জয় ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।

 

ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ দুর্জয় সরকার জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। মরদেহের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।