খুঁজুন
, ,

সমন্বয়ক কাদের, মাহিন ও আরমানকে ধন্যবাদ জানালো ছাত্রলীগ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫, ১২:২৭ অপরাহ্ণ
সমন্বয়ক কাদের, মাহিন ও আরমানকে ধন্যবাদ জানালো ছাত্রলীগ
শেয়ার করুন

‘শিবিরের যে সকল ছেলেরা ছাত্রলীগে গুপ্ত আকারে প্রবেশ করতো তারাই বেশি আগ্রাসী ছিল। হলে হলে ছাত্র নির্যাতন, শিবির ট্যাগ দিয়ে নির্যাতনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিবির থেকে আগত ছাত্রলীগরাই সম্মুখ সারিতে থাকতো’- সম্প্রতি এমন মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ঢাবি শাখার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের। তার এ বক্তব্যে সমর্থন জানিয়েছেন আরেক সাবেক সমন্বয়ক ও এনসিপি নেতা মাহিন সরকার। এছাড়া এতে সম্মতি জ্ঞাপন করেন আরমান হোসেন নামে আরেক সাবেক সমন্বয়ক। শিবিরের বিরুদ্ধে তিনজনের এই অবস্থানকে সাদরে গ্রহণ করে ধন্যবাদ জানিয়েছে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

সংগঠনটি বলছে, সমন্বয়ক কাদের, মাহিন ও আরমান খুব গুরুত্বপূর্ণ স্বীকারোক্তি দিয়েছে, যা তারা বছরের পর বছর অভিযোগ করে আসছিল। তারা বলছে, এই সত্যগুলো প্রকাশ করার জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ।

গতকাল শনিবার (২ আগস্ট) নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনটির ‘বাংলাদেশ স্টুডেন্টস লীগ’ নামক অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এই তিনি সমন্বয়কের শিবির নিয়ে করা মন্তব্যগুলোর স্ক্রিনশট ‍যুক্ত করে তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি পোস্ট করা হয়।

এতে লেখা হয়, ‘সমন্বয়ক আব্দুল কাদের, মাহিন সরকার ও আরমান হোসেন আজ খুব গুরুত্বপূর্ণ স্বীকারোক্তি দিয়েছে, যা আমরা বছরের পর বছর অভিযোগ করে আসছি। সত্য কখনো গোপন থাকে না। সত্যগুলো এভাবেই প্রকাশিত হবে। সমন্বয়ক আব্দুল কাদের, মাহিন সরকার ও আরমান হোসেনকে ধন্যবাদ এই সত্যগুলো প্রকাশ করার জন্য।’

পোস্টে আরও বলা হয়, ‘আমরা বহুদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছি, গুপ্ত শিবিরের একাংশ ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ করে নানা রকম অপকর্মে জড়িয়ে জনমনে ছাত্রলীগের প্রতি বিরূপ ধারণা তৈরি করেছে। যার অন্যতম উদাহরণ ছিলো বুয়েটের আবরার হত্যা। এছাড়াও গেস্টরুম নির্যাতনসহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে নানা রকম অপকর্মে যাদের নাম বার বার সামনে এসেছে হলগুলোতে এখনো তাদের শক্তিশালী উপস্থিতিই প্রমাণ করে, তারা গুপ্ত শিবিরের প্রতিনিধি হিসেবে ছাত্রলীগে মিশে ছিলো। শিবিরের সাবেক সাথী ও বর্তমান সমন্বয়ক আব্দুল কাদেরের আজকের স্বীকারোক্তি আমাদের এই অভিযোগকে আরো বেশি সত্য প্রমাণ করে।’

গত বছরের ১৫ জুলাই শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার দায় শিবিরের ওপর চাপিয়ে এবং সমন্বয়ক আরমানের বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে পোস্টে বলা হয়, ‘১৫ জুলাইয়ের ঘটনার সূত্রপাত যেখান থেকে, বিজয় একাত্তর হলে হামলা, তা যে সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত ও একপাক্ষিক, তা ইতোমধ্যেই প্রথম আলোর প্রতিবেদন ও বিভিন্ন সূত্রে সবাই জেনেছেন। পাশাপাশি আজ আরমান হোসেনের মন্তব্যে এটাও প্রমাণিত হলো, শিবির ও ছাত্রদল প্রথমে বিজয় একাত্তর হলে হামলা করে এবং এর প্রতিক্রিয়ায় ছাত্রলীগের ভেতরে লুকিয়ে থাকা গুপ্ত শিবির ছাত্রলীগকে দেশবাসীর সামনে হামলাকারী হিসেবে উপস্থাপন করার জন্য পাল্টা হামলা করে।’

এর আগে, গত শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের কমেন্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ছাত্রলীগের রূপ নিয়ে বা ছাত্রলীগের সাথে মিশে শিবিরের নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থী নির্যাতন করেছেন বলে অভিযোগ তুলেন আব্দুল কাদের। পরে সেটির সত্যতা যাচাই ও মূল্যায়নের জন্য আমজাদ হোসেন হৃদয় নামে ঢাবির এক ক্যাম্পাস সাংবাদিক ফেসবুকে পোস্ট করলে মাহিন সরকার তার কমেন্ট বক্সে লেখেন, ‘ট্রু’। মানে আব্দুল কাদেরের দাবি সত্য। অন্যদিকে, আরমান হোসেন লেখেন, ‘শতভাগ সত্য বলেছে (আব্দুল কাদের)। ১৫ই জুলাইয়ের আক্রমণে ছাত্রলীগের ভেতরে থাকা শিবিরের লোকজনের অংশগ্রহণ এবং মামলার আসামী হওয়া এর প্রমাণ।’

উল্লেখ্য, মাহিন সরকার চব্বিশের ১৫ জুলাই শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনায় শেখ হাসিনা, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন, সাধারণ সম্পাদক তানভির হাসান সৈকত, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম বাপ্পি ও সাধারণ সম্পাদক সজল কুণ্ডু, ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদসহ ৩৯১ জনের নাম উল্লেখ করে গত বছরের ২১ অক্টোবর শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন। সেখানে ৮০০ থেকে ১ হাজার জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। অন্যদিকে, একই ঘটনায় আরমান হোসেনও ২২০ জনের নাম উল্লেখ করে ২৭ অক্টোবর আরেকটি মামলা করেন।

আব্দুল কাদেরের বক্তব্য, যা নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত:

‘আমরা ক্যাম্পাসে দেখেছি, শিবিরের যে সকল ছেলেরা ছাত্রলীগে গুপ্ত আকারে প্রবেশ করতো তারাই বেশি আগ্রাসী ছিল। ক্যাথলিক মোর দ্যান পোপ সাজার চেষ্টা করত। গেস্টরুমে তারাই বেশি আক্রমণাত্মক থাকতো। নিজেকে ছাত্রলীগার প্রমাণ করার জন্য এসব কাজ করতো। হলে হলে ছাত্র নির্যাতন, শিবির ট্যাগ দিয়ে নির্যাতনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিবির থেকে আগত ছাত্রলীগরাই সম্মুখ সারিতে থাকতো। অসংখ্য নজির আছে এমন।’

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।