খুঁজুন
শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

সমন্বয়ক কাদের, মাহিন ও আরমানকে ধন্যবাদ জানালো ছাত্রলীগ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫, ১২:২৭ অপরাহ্ণ
সমন্বয়ক কাদের, মাহিন ও আরমানকে ধন্যবাদ জানালো ছাত্রলীগ
শেয়ার করুন

‘শিবিরের যে সকল ছেলেরা ছাত্রলীগে গুপ্ত আকারে প্রবেশ করতো তারাই বেশি আগ্রাসী ছিল। হলে হলে ছাত্র নির্যাতন, শিবির ট্যাগ দিয়ে নির্যাতনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিবির থেকে আগত ছাত্রলীগরাই সম্মুখ সারিতে থাকতো’- সম্প্রতি এমন মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ঢাবি শাখার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের। তার এ বক্তব্যে সমর্থন জানিয়েছেন আরেক সাবেক সমন্বয়ক ও এনসিপি নেতা মাহিন সরকার। এছাড়া এতে সম্মতি জ্ঞাপন করেন আরমান হোসেন নামে আরেক সাবেক সমন্বয়ক। শিবিরের বিরুদ্ধে তিনজনের এই অবস্থানকে সাদরে গ্রহণ করে ধন্যবাদ জানিয়েছে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

সংগঠনটি বলছে, সমন্বয়ক কাদের, মাহিন ও আরমান খুব গুরুত্বপূর্ণ স্বীকারোক্তি দিয়েছে, যা তারা বছরের পর বছর অভিযোগ করে আসছিল। তারা বলছে, এই সত্যগুলো প্রকাশ করার জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ।

গতকাল শনিবার (২ আগস্ট) নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনটির ‘বাংলাদেশ স্টুডেন্টস লীগ’ নামক অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এই তিনি সমন্বয়কের শিবির নিয়ে করা মন্তব্যগুলোর স্ক্রিনশট ‍যুক্ত করে তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি পোস্ট করা হয়।

এতে লেখা হয়, ‘সমন্বয়ক আব্দুল কাদের, মাহিন সরকার ও আরমান হোসেন আজ খুব গুরুত্বপূর্ণ স্বীকারোক্তি দিয়েছে, যা আমরা বছরের পর বছর অভিযোগ করে আসছি। সত্য কখনো গোপন থাকে না। সত্যগুলো এভাবেই প্রকাশিত হবে। সমন্বয়ক আব্দুল কাদের, মাহিন সরকার ও আরমান হোসেনকে ধন্যবাদ এই সত্যগুলো প্রকাশ করার জন্য।’

পোস্টে আরও বলা হয়, ‘আমরা বহুদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছি, গুপ্ত শিবিরের একাংশ ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ করে নানা রকম অপকর্মে জড়িয়ে জনমনে ছাত্রলীগের প্রতি বিরূপ ধারণা তৈরি করেছে। যার অন্যতম উদাহরণ ছিলো বুয়েটের আবরার হত্যা। এছাড়াও গেস্টরুম নির্যাতনসহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে নানা রকম অপকর্মে যাদের নাম বার বার সামনে এসেছে হলগুলোতে এখনো তাদের শক্তিশালী উপস্থিতিই প্রমাণ করে, তারা গুপ্ত শিবিরের প্রতিনিধি হিসেবে ছাত্রলীগে মিশে ছিলো। শিবিরের সাবেক সাথী ও বর্তমান সমন্বয়ক আব্দুল কাদেরের আজকের স্বীকারোক্তি আমাদের এই অভিযোগকে আরো বেশি সত্য প্রমাণ করে।’

গত বছরের ১৫ জুলাই শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার দায় শিবিরের ওপর চাপিয়ে এবং সমন্বয়ক আরমানের বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে পোস্টে বলা হয়, ‘১৫ জুলাইয়ের ঘটনার সূত্রপাত যেখান থেকে, বিজয় একাত্তর হলে হামলা, তা যে সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত ও একপাক্ষিক, তা ইতোমধ্যেই প্রথম আলোর প্রতিবেদন ও বিভিন্ন সূত্রে সবাই জেনেছেন। পাশাপাশি আজ আরমান হোসেনের মন্তব্যে এটাও প্রমাণিত হলো, শিবির ও ছাত্রদল প্রথমে বিজয় একাত্তর হলে হামলা করে এবং এর প্রতিক্রিয়ায় ছাত্রলীগের ভেতরে লুকিয়ে থাকা গুপ্ত শিবির ছাত্রলীগকে দেশবাসীর সামনে হামলাকারী হিসেবে উপস্থাপন করার জন্য পাল্টা হামলা করে।’

এর আগে, গত শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের কমেন্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ছাত্রলীগের রূপ নিয়ে বা ছাত্রলীগের সাথে মিশে শিবিরের নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থী নির্যাতন করেছেন বলে অভিযোগ তুলেন আব্দুল কাদের। পরে সেটির সত্যতা যাচাই ও মূল্যায়নের জন্য আমজাদ হোসেন হৃদয় নামে ঢাবির এক ক্যাম্পাস সাংবাদিক ফেসবুকে পোস্ট করলে মাহিন সরকার তার কমেন্ট বক্সে লেখেন, ‘ট্রু’। মানে আব্দুল কাদেরের দাবি সত্য। অন্যদিকে, আরমান হোসেন লেখেন, ‘শতভাগ সত্য বলেছে (আব্দুল কাদের)। ১৫ই জুলাইয়ের আক্রমণে ছাত্রলীগের ভেতরে থাকা শিবিরের লোকজনের অংশগ্রহণ এবং মামলার আসামী হওয়া এর প্রমাণ।’

উল্লেখ্য, মাহিন সরকার চব্বিশের ১৫ জুলাই শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনায় শেখ হাসিনা, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন, সাধারণ সম্পাদক তানভির হাসান সৈকত, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম বাপ্পি ও সাধারণ সম্পাদক সজল কুণ্ডু, ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদসহ ৩৯১ জনের নাম উল্লেখ করে গত বছরের ২১ অক্টোবর শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন। সেখানে ৮০০ থেকে ১ হাজার জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। অন্যদিকে, একই ঘটনায় আরমান হোসেনও ২২০ জনের নাম উল্লেখ করে ২৭ অক্টোবর আরেকটি মামলা করেন।

আব্দুল কাদেরের বক্তব্য, যা নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত:

‘আমরা ক্যাম্পাসে দেখেছি, শিবিরের যে সকল ছেলেরা ছাত্রলীগে গুপ্ত আকারে প্রবেশ করতো তারাই বেশি আগ্রাসী ছিল। ক্যাথলিক মোর দ্যান পোপ সাজার চেষ্টা করত। গেস্টরুমে তারাই বেশি আক্রমণাত্মক থাকতো। নিজেকে ছাত্রলীগার প্রমাণ করার জন্য এসব কাজ করতো। হলে হলে ছাত্র নির্যাতন, শিবির ট্যাগ দিয়ে নির্যাতনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিবির থেকে আগত ছাত্রলীগরাই সম্মুখ সারিতে থাকতো। অসংখ্য নজির আছে এমন।’

রামুতে সিটি ব্যাংক পিএলসির নতুন এজেন্ট আউটলেট উদ্বোধন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
রামুতে সিটি ব্যাংক পিএলসির নতুন এজেন্ট আউটলেট উদ্বোধন
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় আধুনিক ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। চৌমুহনী এলাকার রবিন শপিং কমপ্লেক্সে সিটি ব্যাংক পিএলসি-এর রামু সদর এজেন্ট আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর ২ ঘটিকার সময় ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে সিটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের কার্যক্রম শুরু হয়।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক-এর ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক কাজী মুতমাইন্না তাহমিদা। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ব্যাংকিং রেগুলেশনস অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ এর অতিরিক্ত পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম, পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ এর অতিরিক্ত পরিচালক রাবেয়া খন্দকার, এসএমই ও স্পেশাল প্রোগ্রাম ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক হাফিয়া তাজরিয়ান এবং একই বিভাগের যুগ্ম পরিচালক নাজিয়া হক ও সালাহউদ্দীন মাহমুদ।

 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংক পিএলসির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব স্মল, মাইক্রোফাইন্যান্স অ্যান্ড এজেন্ট ব্যাংকিং বিজনেস কামরুল মেহেদী এবং হেড অব এজেন্ট ব্যাংকিং বিজনেস মহিবুর রহমান সহ সিটি ব্যাংকের সিনিয়র ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নতুন এই আউটলেট চালুর মাধ্যমে রামু এলাকার সাধারণ মানুষ সহজে, দ্রুত ও নিরাপদে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

 

রামু চৌমুহনী এজেন্ট আউটলেটে এই অগ্রযাত্রায় এজেন্ট মালিক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন তরুণ ও উচ্চশিক্ষিত উদ্যোক্তা আশরাফুল করিম। রামুর পূর্ব শাহমদর পাড়া (চাকমারকুল) এলাকার কৃতি সন্তান আশরাফুল করিম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। তাঁর বাবা শামসুল আলম এবং মাতা শাহিদা খানম। একজন শিক্ষিত তরুণ হিসেবে স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখার লক্ষ্যেই তিনি সিটি ব্যাংকের এই উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছেন।

 

এই এজেন্ট আউটলেটের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দারা জমা উত্তোলন রেমিট্যান্সসহ বিভিন্ন আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা ঘরের কাছেই পাবেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ রামুর অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

 

 

উদ্বোধনের মাধ্যমে রামু বাসীর জন্য আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা আরও একধাপ এগিয়ে গেল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

দুর্ঘটনায় নিভল স্বামী-স্ত্রীর প্রাণ, অনাথ ৩ মাসের শিশু

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
দুর্ঘটনায় নিভল স্বামী-স্ত্রীর  প্রাণ, অনাথ ৩ মাসের শিশু
শেয়ার করুন

শুক্রবার (১ মে) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের মধুখালী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পরীক্ষেতপুর হাচারির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

 

 

নিহতরা হলেন উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের আশাপুর গ্রামের হাবিবুল ইসলামের ছেলে তামিম মিয়া (২০) এবং তার স্ত্রী শিমলা খাতুন (১৯)। তারা মোটরসাইকেলে করে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে ফরিদপুর যাচ্ছিলেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইঞ্জিনচালিত পাঁচ চাকার ট্রলির সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুজনই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তামিম মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

 

 

এদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় শিমলা খাতুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানেও তিনি মারা যান।

 

 

 

নিহত দম্পতির তিন মাস বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। তাদের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

 

 

এ বিষয়ে করিমপুর হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উখিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
উখিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
শেয়ার করুন

উখিয়ায় নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে রাশেদা বেগম (৪৩) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

 

শুক্রবার (১ মে) সকালে উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম নিধানিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৮টার আগে যেকোনো সময় নিজ বসতঘরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন রাশেদা বেগম। পরে সকাল ৯টার দিকে তার স্বামী আবুল হাসেম ঘরে প্রবেশ করে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এসময় তিনি দ্রুত ইনানী পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। খবর পেয়ে ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির এসআই দুর্জয় ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।

 

ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ দুর্জয় সরকার জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। মরদেহের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।