খুঁজুন
, ,

সব মামলার নিষ্পত্তি

তারেক রহমান ফিরছেন কবে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১:০০ অপরাহ্ণ
তারেক রহমান ফিরছেন কবে
শেয়ার করুন

গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে দেশের সর্বমহলে সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন—বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরছেন কবে? বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের কাছে এখনো এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো জবাব মেলেনি। তারপরও কয়েক মাস ধরে বেশ জোরেশোরে আলোচনা চলছে—তারেক শিগগির দেশে ফিরছেন এবং তার আগমন ঘিরে দলীয়ভাবে নানা প্রস্তুতিও নাকি প্রায় সম্পন্ন! এমনকি গুলশানে কোন বাড়িতে তিনি উঠবেন, তা নিয়েও আগাম তথ্য দিয়েছেন অনেকে। যদিও এখন পর্যন্ত সেসব খবরের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

এমন প্রেক্ষাপটে গত বৃহস্পতিবার একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা থেকে তারেক রহমানকে খালাস দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় টিকে গেছে আপিল বিভাগেও। এর মধ্য দিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট সব মামলার বেড়াজাল থেকে মুক্ত হয়েছেন তারেক। ফলে আবারও আলোচনায় এসেছে পুরোনো সেই প্রশ্ন—কবে দেশে ফিরছেন তিনি?

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের কাছে এ প্রশ্নের আনুষ্ঠানিক কোনো জবাব নেই এখনো। তবে দায়িত্বশীল কয়েকজন নেতা এবং দেশে-বিদেশে তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরের শুরুতে তারেক রহমানের দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

বিএনপির শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা জানান, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে দেশের মাটিতে বরণ করে নিতে তারা প্রস্তুত। কিন্তু তারেক রহমানের দেশে ফেরার সঙ্গে আগামী জাতীয় নির্বাচনের দিনক্ষণ, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন দিক জড়িত। তাই কোন সময়ে তিনি দেশে ফিরলে বিএনপির রাজনৈতিক অর্জনের পাশাপাশি তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন উজ্জ্বল হবে, সেটি বিশেষভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কালবেলাকে বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কিছু লিগ্যাল সমস্যা ছিল। সেগুলো নিষ্পত্তি হয়েছে। আমাদের বিশ্বাস, তিনি শিগগির দেশে ফিরবেন।

২০০১ সালের নির্বাচনী প্রচারে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে আলোচনায় আসেন তারেক রহমান। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠপুত্র তারেক রহমান নিজের রাজনৈতিক দক্ষতা-দূরদর্শিতা এবং প্রজ্ঞার মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই দলে নিজের মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান গড়ে তোলেন। ২০০৭ সালের সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের পর রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে নানা অপতৎপরতা শুরু করে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তথাকথিত দুর্নীতির মামলার আসামি হিসেবে তারেক রহমানকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মইনুল রোডের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে সময় তার বিরুদ্ধে আরও ১৩টি দুর্নীতির মামলা দায়ের করা হয় এবং তাকে বিচারের সম্মুখীন করা হয়। কিন্তু বেশিরভাগ অভিযোগ ভিত্তিহীন হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়ায় তাকে কিছু করা যাবে না বুঝতে পেরে কারাগারে তাকে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল ১/১১ সরকার হিসেবে পরিচিত সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ক্রীড়নকরা।

২০০৮ সালের আগস্টে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলাগুলো আদালতে গতি পায়। একই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর সব মামলায় তিনি জামিন পান এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুক্তি লাভ করেন। ওই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে যান। এখনো সপরিবারে যুক্তরাজ্যে আছেন তারেক রহমান।

২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তারেক রহমান সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বানোয়াট সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে গেলে দলের নেতৃত্বে আসেন তারেক রহমান। সুদূর লন্ডনে থেকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও শীর্ষ নেতাদের পরামর্শক্রমে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন এখনো। তার নেতৃত্বে বিএনপি কেবল দল হিসেবে সুসংহত হয়নি, বরং দীর্ঘ লড়াই শেষে দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করার পেছনেও তারেক রহমানের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

তারেক রহমানের মামলা সম্পর্কে তার অন্যতম আইনজীবী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল কালবেলাকে বলেন, সব মামলা মিথ্যা জেনেও তারেক রহমান সেগুলো আইনগতভাবে মোকাবিলা করেছেন। কারণ, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আল্লাহর রহমতে আইনি মোকাবিলার মাধ্যমেই সব মামলা থেকে আদালত তাকে খালাস দিয়েছেন। কায়সার কামাল বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার আদায়ের আন্দোলন কিন্তু এখনো চলমান। আর নিশ্চয়ই সংসদ নির্বাচন ঘিরে তারেক রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করবেন ইনশাআল্লাহ।

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।