খুঁজুন
, ,

অনুষ্ঠিত হলো ছবির ফ্রেমে জীবনের গল্প শীর্ষক সংলাপ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
অনুষ্ঠিত হলো ছবির ফ্রেমে জীবনের গল্প শীর্ষক সংলাপ
শেয়ার করুন

“আঁই চাই আঁরার গল্প ছবির মাইধ্যমে তুলি ধরিবার লাই। যেন নেকি গোডা দুইন্না জানিত তারে আঁরা কেন গরি বাঁচি।” (“আমি চাই ছবিতে আমাদের জীবনটা দেখাতে। যেন সারা বিশ্ব জানে আমরা কেমন করে বাঁচি।)” কথাগুলো বলছিলেন কুতুপালংয়ের ওয়ান ইস্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা হেমায়েত উল্লাহ। তাঁর হাতে ছিল মোবাইল ফোন, আর চোখে ছিল অন্যরকম স্বপ্ন। এই স্বপ্ন নিজের তোলা ছবির মাধ্যমে নিজের কমিউনিটিকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার। হেমায়েতের মতো ত্রিশ স্বপ্নবাজ তরুণকে নিয়ে বুধবার আয়োজন করা হয়েছিল ‘ছবির ফ্রেমে জীবনের গল্প’ শিরোনামের একটি সংলাপের। শুধু রোহিঙ্গা কমিউনিটির নয়, বাংলাদেশী তরুণরাও অংশ নিয়েছিল এই আয়োজনে। সংলাপে উপস্থিত ছিলেন দুই কমিউনিটির ৩০ জন তরুণ। এই সংলাপের আয়োজন করে ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন (ইপসা)। এতে সহযোগিতা করে ডয়েচে ভেলে একাডেমি।

বুধবার সকাল ১১টায় কক্সবাজারের উখিয়ার ক্যাম্প ওয়ান ইস্টের বি ব্লকে শুরু হয় সংলাপ। মোহাম্মদ ইব্রাহীম ও ইয়াসমিন আক্তারের সঞ্চালনায় এই সংলাপে অংশ নেন প্রথম আলোর নিজস্ব আলোকচিত্রী জুয়েল শীল ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত রোহিঙ্গা আলোকচিত্রী আবদুল্লাহ। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও কাজের উদাহরণ তরুণ অংশগ্রহণকারীদের অনুপ্রাণিত করে। ছবির ভেতর দিয়ে জীবন, সংগ্রাম, স্বপ্ন আর আশার কথা তাঁরা তুলে ধরেন আলোচনায়।

আলোচনায় অংশ নিয়ে জুয়েল শীল বলেন, ‘শরণার্থী শিবিরের সরু গলি, অস্থায়ী ঘর আর ভিড়ভাট্টার ভেতরেও লুকিয়ে আছে অসংখ্য গল্প। সেই গল্পগুলোকে বলা যায় না শুধু শব্দে, বরং ছবির মাধ্যমে ধরা যায় আরও গভীরভাবে। ছবির শক্তি শব্দের মতোই প্রভাব ফেলে। একটি ছবি অনেক সময় পুরো একটি সমাজকে ভাবতে বাধ্য করতে পারে।” আলাপচারিতায় জুয়েল শীল আরও বলেন, “ছবি কখনো একটা মানুষকে কাঁদাতে পারে, কখনো আবার দাঁড় করিয়ে দেয় প্রতিবাদের মঞ্চে।” তরুণদের উদ্দেশ্যে তাঁর পরামর্শ—ক্যামেরা দিয়ে শুধু সৌন্দর্য নয়, সমাজের সত্যিটাও তুলে ধরতে হবে।

আলোকচিত্রী আবদুল্লাহ’র অভিজ্ঞতা যেন তরুণদের আরও ছুঁয়ে গেল। তিনি জানালেন, “আমি নিজেই শরণার্থী। নিজের কষ্টই যখন ছবি দিয়ে বলি, তখন বাইরের মানুষের কাছে সেটা হয়ে ওঠে বাস্তবতার সাক্ষ্য।” তাঁর কথায় তরুণদের চোখেমুখে ভেসে উঠল নতুন এক উপলব্ধি—ছবি শুধু শিল্প নয়, পরিবর্তনের হাতিয়ারও হতে পারে। আলোচনার পাশাপাশি দুই আলোকচিত্রশিল্পী ছবি তোলার বেশকিছু মৌলিক দিকনির্দেশনা দেন তরুণদের।

সংলাপজুড়ে তরুণরাও বললেন তাঁদের ভাবনার কথা। কেউ বললেন, ছবি তুলে নিজেদের গল্প ছড়িয়ে দিতে চান বিশ্বজুড়ে, কেউ আবার স্বপ্ন দেখলেন আলোকচিত্রী হয়ে সমাজের ভেতরের কষ্ট আর লুকানো সৌন্দর্যকে তুলে ধরবেন। সংলাপে অংশ নেওয়া বাংলাদেশী তরুণ হামিদ হোসাইন জানান, তিনি ছবি তোলার কৌশল শেখার পাশাপাশি বুঝতে পেরেছেন—একটি ছবির ভেতরে লুকিয়ে থাকতে পারে মানুষের জীবনসংগ্রাম ও আত্মকথন। রোহিঙ্গা যুবক নুর বশর জানালেন এই ধরণের আয়োজনের অংশ নিতে পেরে তাঁর ভালো লাগার কথা। বললেন ভবিষ্যতে এই ধরণের আয়োজনগুলো তাঁদের হতাশা দূর করতে বেশ সহযোগিতা করবে।

আয়োজন প্রসঙ্গে কমিউনিটি কমিউনিকেশন স্কীলস ডেভেলপমেন্ট ফর সোশ্যাল অ্যাওয়ারনেস ইন কক্সবাজার প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক শিহাব জিশান বলেন, ‌“আমাদের প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো তরুণদের এমন একটি প্ল্যাটফর্ম দেওয়া, যেখানে তারা তাদের জীবন, সংগ্রাম ও আশা-আকাঙ্ক্ষা নিজেরাই তুলে ধরতে পারে। রোহিঙ্গা ও স্থানীয় তরুণদের নিয়ে এই আয়োজন আমাদের দেখিয়েছে যে তারা শুধুমাত্র দর্শক নয়, বরং পরিবর্তনের সক্রিয় অংশীদার হতে চায়। ছবি সেই সুযোগ তৈরি করে—এটি ভাষার সীমা ছাড়িয়ে সবার হৃদয়ে পৌঁছে যায়। আমাদের জীবনের গল্পগুলো ছবির ফ্রেমে বন্দী হয়ে এক অনন্ত ভাষা সৃষ্টি করে। এই ভাষা শুধু শিল্প নয়, বরং সমাজে পরিবর্তন ও আশার হাতিয়ার। তরুণদের সৃজনশীলতা বিকাশ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াতে আমরা নিয়মিত এমন আয়োজন চালিয়ে যেতে চাই।”

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।