খুঁজুন
, ,

নো ডেভেলপমেন্ট জোনে নির্মাণকাজ নিয়ে নানা প্রশ্ন

অনুমতি ছাড়া কক্সবাজার সৈকতের কাছে তৈরি হচ্ছে ১৪ তলা হোটেল

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ
অনুমতি ছাড়া কক্সবাজার সৈকতের কাছে তৈরি হচ্ছে ১৪ তলা হোটেল
শেয়ার করুন

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে শহরের কলাতলী পয়েন্ট দিয়ে নামতেই দেখা যাবে বাঁ পাশে সাগরতীরে বহুতল ভবন নির্মাণ চলছে। সরকার ঘোষিত নো ডেভেলপমেন্ট জোনে বিশাল এলাকাজুড়ে টিনের ঘেরা দিয়ে ১৪ তলা হোটেল করা হচ্ছে। ঘেরা দেওয়া জায়গার এক পাশে একটি ভবনের প্রথম তলার ছাদ ঢালাইয়ের প্রস্তুতি চলছে। অন্য পাশে আরেকটি ভবনের জন্য পাইলিং হচ্ছে।

প্রশাসনের নাকের ডগায় অবৈধভাবে নির্মাণকাজ কীভাবে চলছে– এ প্রশ্ন করছেন পর্যটকসহ স্থানীয় লোকজন। পরিবেশবাদীরা বলছেন, আইন অমান্য করে স্থাপনা গড়া হচ্ছে। সরকার দ্রুত কাজ বন্ধের ব্যবস্থা না নিলে তারা আদালতে যাবেন। নির্মাণকাজে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এখানে অত্যাধুনিক হোটেল নির্মাণ করা হচ্ছে। ছুটি নামের একটি আবাসন প্রতিষ্ঠান এটি করছে। ছুটির ফেসবুক পেজে দেখা গেছে, ‘ছুটি বে’ নামে সাত তারকা মানের হোটেল নির্মাণ হচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমে এ হোটেলের প্রচারণাও চালাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। বলা হয়েছে, এখানে হচ্ছে দেশের প্রথম সাত তারকা মানের হোটেল। মাত্র দুই লাখ টাকায় এ হোটেলের মালিকানায় অংশীদার করা হবে। এ ছাড়া নানা সুযোগ-সুবিধার কথা জানিয়ে হোটেলের অংশীদারিত্ব বিক্রির চমকপ্রদ প্রচার চলছে।পরিবেশ অধিদপ্তর ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে খোঁজ নিলে কর্মকর্তারা বলেন, কলাতলী এলাকায় ‘ছুটি বে’ নামে কোনো হোটেল নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। সামাজিক মাধ্যমে এভাবে প্রচার করা প্রতারণার শামিল।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিচালক মো. জমির উদ্দিন বলেন, হোটেল নির্মাণের জন্য কোনো ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। যে জায়গায় হোটেল নির্মাণ করা হচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে, সেখানে স্যান্ডক্র্যাব নামের একটি রিসোর্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া নির্মাণকাজ করায় স্যান্ডক্র্যাবকে সম্প্রতি চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সরকার ঘোষিত নো ডেভেলপমেন্ট জোনে অনুমতি ছাড়া অবৈধভাবে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেছে একটি পরিবেশবাদী সংগঠন। ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি (ইয়েস) নামের সংগঠনের পক্ষ থেকে গত ২ নভেম্বর অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ২০১৩ সালের ৬ মে গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ‘ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান ফর কক্সবাজার টাউন অ্যান্ড সি-বিচ আপ টু টেকনাফ’ নামে একটি মহা পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। এই মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী কক্সবাজার পৌরসভা এলাকায় জোয়ার-ভাটার মধ্যবর্তী লাইন থেকে সৈকতসংলগ্ন প্রথম ৩০০ মিটার ‘নো ডেভেলপমেন্ট জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এখানে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। কিন্তু ১০০ মিটারের মধ্যে অবৈধভাবে হোটেল নির্মাণ করা হচ্ছে। তারা বিজ্ঞাপনও প্রচার করছে সামাজিক মাধ্যমে।

অভিযোগের বিষয়ে সংগঠনটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মজিবুল হক বলেন, আইন অমান্য করে এভাবে নিষিদ্ধ এলাকায় বহুতল ভবন নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। সরকার দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আদালতে যাবেন তারা। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন সমকালকে বলেন, একটি পরিবেশ সংগঠনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। খোঁজ-খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছুটি কক্সবাজার লিমিটেডের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ তারিক মাহমুদ বলেন, ব্যাংক থেকে অনেক টাকা ঋণ নিয়েছি। এখন প্রচার না চালালে টাকা তুলব কীভাবে? তিনি বলেন, অনুমোদনের বিষয়টি জমির মালিক শাহজাহান মুনির জানেন।এ প্রসঙ্গে শাহজাহান মুনির সমকালকে বলেন, ‘স্যান্ডক্র্যাব নামের রিসোর্ট নির্মাণের জন্য ২০১৫ সালে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েছি।’

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ২৩ নভেম্বর কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন ২০ শর্তে স্যান্ডক্র্যাব নামের একটি রিসোর্ট নির্মাণের অনুমতি দেন। কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদণ্ডী এলাকার চার ভাই শাহজাহান মুনির, হাবিবুর রহমান, মুজিবুর রহমান ও মিজানুর রহমানের নামে সাড়ে ৬৫ শতক জমির ওপর ১৪ তলা রিসোর্ট নির্মাণ করতে অনুমতি দেওয়া হয়। অনুমতিপত্রে ৫ নম্বর শর্তে বলা হয়েছে, অনুমতি দেওয়ার দুই বছর পর্যন্ত নকশা অনুমোদন বহাল থাকবে। এ সময়ের মধ্যে নির্মাণ না করলে ফের যথোপযুক্ত ফি দিয়ে নকশা অনুমোদন করতে হবে। এ প্রসঙ্গে ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মজিবুল হক বলেন, জেলা প্রশাসকের ওই অনুমোদন ছিল অবৈধ। এ ছাড়া অবৈধ ওই অনুমোদন অনুযায়ী নকশার মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে। তাই এখানে স্থাপনা গড়ার কোনো সুযোগ নেই। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, নো ডেভেলপমেন্ট জোনে হোটেল নির্মাণ এবং মিথ্যা প্রচারণার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সূত্র সমকাল।

মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদ্রাসায় নিজের কন্যাশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পর ‘ভবিষ্যতের চিন্তায়’ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন শাহজালাল রুমি। পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগে তিনি বাসা ছেড়েছেন বলে জানিয়েছেন ভবনটির কেয়ারটেকার। তবে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ তিনি বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, তা জানা যায়নি।

ভবনটির কেয়ারটেকার জানান, টঙ্গীর মাদ্রাসায় ওই ঘটনার পর থেকেই রুমি হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করছিলেন। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কায়ও ছিলেন তিনি। স্ত্রী, দুই সন্তান এবং শ্বশুর-শাশুড়ির নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন রুমি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) টঙ্গীতে রুমির বাসায় গিয়ে দরজায় তালা দেখা যায়। কেয়ারটেকার হাবিবুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, গত দুই থেকে তিন দিন ধরে ভয়ের কারণে রুমির পরিবারের সদস্যরা বাসায় থাকছেন না।

 

হাবিবুর রহমান আরও জানান, যে মেয়েটির সঙ্গে এসব ঘটেছে, সেও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। রুমি এখন মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আছেন বলে আমাদের জানিয়ে গেছেন।

রুমি পেশায় একজন ফেব্রিক ব্যবসায়ী। পাশাপাশি বডি বিল্ডিংয়ের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। ঢাকায় ব্যবসার সুবাদে তিনি তার বাবার ফ্ল্যাটে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন। তার এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মেয়ের বয়স আট বছর এবং ছেলের বয়স চার বছর। রুমির শ্বশুরের নাম হাজি মোহাম্মদ মোকাররম আলী।

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রুমি এবং তার পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। রুমি ফেসবুক লাইভে একাধিকবার তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। বিভিন্ন ব্যক্তি তাকে হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

 

পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি দুই শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সন্তানদের ভালোভাবে পড়াশোনা করিয়ে মানুষ করার স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন রুমি। কিন্তু সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা কখনো কল্পনাও করেননি বলে তার বক্তব্যে উঠে এসেছে।

 

ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকে রুমি ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে অভিযোগের পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে হুমকি ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

 

পাল্টাপাল্টি মামলা, তদন্তে পুলিশ

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। একটি মামলা করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং অন্যটি করেছেন শিশুটির বাবা রুমি। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও বক্তব্য সামনে এসেছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মামলায় অর্থ আত্মসাৎ, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে, রুমি তার মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চেয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

 

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন বলেন, ‘দুটি মামলাই আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে পুরো বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

 

তদন্তের স্বার্থে মামলার বিস্তারিত বিষয়ে আপাতত কিছু জানাতে চাননি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা।

 

মাদ্রাসা ও রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়

 

ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোচনায় আসার পর থেকে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা এবং রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঘটনার প্রকৃত তথ্য, দুই পক্ষের বক্তব্য এবং তদন্তের অগ্রগতি জানতে সাংবাদিকেরা সেখানে যাচ্ছেন।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা
শেয়ার করুন

অনলাইন সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাম নিউজে টার্মিনালকেন্দ্রিক ইয়াবা সিন্ডিকেট নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের একাংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা।

 

এক প্রতিবাদলিপিতে শহিদুল মোস্তফা বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর ছবি ব্যবহার করে ইয়াবা সিন্ডিকেটের সঙ্গে তাঁকে সম্পৃক্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি তাঁর নজরে আসার পর তিনি বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

 

শহিদুল মোস্তফা জানান, তিনি মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী। পাশাপাশি তিনি পশ্চিম লারপাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মসজিদ পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সদস্য এবং লারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।

 

প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেন, এ ধরনের গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে কারও নাম বা ছবি ব্যবহারের আগে তথ্য ও পরিচয় যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত সুনাম ও পেশাগত অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

শহিদুল মোস্তফা টেলিগ্রাম নিউজ কর্তৃপক্ষকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য ও ছবি পুনরায় যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

প্রতিবাদকারী:

শহিদুল মোস্তফা

স্বত্বাধিকারী, মুনজারিন টাইলস।

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।