খুঁজুন
, ,

ভারুয়াখালীর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হতে মরিয়া আওয়ামীলীগ নেতা শাহাবুদ্দিন

বার্তা পরিবেশক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
ভারুয়াখালীর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হতে মরিয়া আওয়ামীলীগ নেতা শাহাবুদ্দিন
শেয়ার করুন

 

কক্সবাজার সদরের ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদে ‘প্যানেল চেয়ারম্যান’ পদকে কেন্দ্র করে নথি জালিয়াতির ঘটনায় সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য।

গুরুত্বপূর্ণ এই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান হতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন আওয়ামী লীগ নেতা শাহাবুদ্দিন। যিনি বহিষ্কৃত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিনের চাচাতো ভাই।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হতে বিভিন্ন দপ্তরে দফায় দফায় আবেদনও করেন শাহাবুদ্দিন।

এরই ধারাবাহিকতায় শাহাবুদ্দিন ১৫ এপ্রিল ২০২৫ ইং তারিখে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করেন সেখানে উল্লেখ করেন চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন নির্বাচিত হওয়ার প্রথম সভায় প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করেন।

এছাড়া ২৪ আগস্ট ২০২৫ইং তারিখে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদনে উল্লেখ করেন একইভাবে চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন নির্বাচিত হওয়ার প্রথম সভায় প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করেন। এবং ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং তারিখে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদনে একইভাবে উল্লেখ করেন। তবে দুইদিন পর ২৩ সেপ্টেম্বর আবারও ডিসি বরাবর আবেদনে লিখেন তাকে ২৩ অক্টোবর ২০২২ইং তাকে প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। কিন্তু ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনের পর শপথ গ্রহণ পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হয় ফেব্রুয়ারী মাসে। আগের তিন আবেদনে প্রথম সভায় প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করার দাবি করলেও মূলত তার আবেদনে উল্লেখিত তারিখ প্রায় ৯ মাস পর।

এদিকে সর্বশেষ আবেদন অনুযায়ী রীট করেন হাইকোর্টে। যেখানে ডিসি ও ইউএনও বরাবর আবেদন করা সব আবেদন পত্র যুক্ত করে দেন। হাইকোর্টে রীট করেছে। রীট পিটিশন নম্বর ১৬১৮৪/২০২৫। চলতি বছরের ২৮ অক্টোবরের রীটের শুনানীতে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও মোঃ আশিফ হাসানের আদালত রায় দেন যে, ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন। তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, ভারুয়াখালীর ইউনিয়ন পরিষদের বহিষ্কৃত ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা কামাল উদ্দিনের চাচাতো ভাই হওয়ায় ক্ষমতা হারানোর পরও সাহাব উদ্দিনকে চেয়ারে বসাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। যার ফলে ইউনিয়ন পরিষদের সভার বহিতে খালা রাখা পৃষ্ঠায় মেম্বারদের স্বাক্ষর নিয়ে তাকে প্যানেল চেয়ারম্যান বানিয়েছেন বলে দাবি করেন।

কিন্তু আমাদের হাতে আসা কয়েকটি নথি পর্যবেক্ষন করে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের অধকাংশ মেম্বারগণ ২০২২ সালের ৮ মে ইউনিয়ন পরিষদে প্যানেল চেয়ারম্যান না থাকায় তৎকালীন ডিসি বরাবর প্যানেল চেয়ারম্যান দিতে আবেদন করেন। সেখানে তারা উল্লেখ করেন, প্রথম সভা হয় ৭ই ফেব্রুয়ারী ২০২২ইং তারিখে। সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রথম সভার পর ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে প্যানেল চেয়ারম্যান করার নিয়ম থাকলেও তিনি করেন নি এবং তারা আরো উল্লেখ করেন চেয়রাম্যান কামাল সবার অগোচরে পছন্দের ব্যক্তিকে প্যানেল বানাতে চেষ্টা করছে। এদিকে চেয়ারম্যান পদে বসতে মরিয়া সাহাব উদ্দিন হাইকোর্টে করা রীট আবেদনে ২৩ অক্টোবর প্রথম সভায় প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত করার দাবি করলেও মেম্বারদের আবেদন অনুযায়ী জানা যায় প্রথম সভা হয়েছে মূলত ৭ই ফেব্রুয়ারী।

এদিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার তৎকালীন ইউএনও মোহাম্মদ জাকারিয়া নানা অনিয়মের অভিযোগে ২০২২সালের ১২ ডিসেম্বর ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি মেম্বারদের স্বাক্ষরযুক্ত কিন্তু বর্ননা ও তারিখবিহীন বেশ কিছু সভার কার্যবিবরণী খাতা জব্দ করেন। যা তিনি স্মারক ১১১০/২০২২ মূলে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি মেম্বার বলেন, সাহাব উদ্দিনকে চেয়ারম্যান বানানোর মিশন মূলত আওয়ামী লীগের। কারণ আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি কমল ইতিমধ্যে মেম্বারদের ফোনে অনুরোধ করেছেন সাহাব উদ্দিনকে প্যানেল বানাতে।

এদিকে, ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ৩৩ ধারার ৫ উপধারা অনুযায়ী সদস্যদের মধ্য থেকে চেয়ারম্যানের প্যানেল গঠন করা সম্ভব না হয়, তাহলে সরকার প্রয়োজনে সদস্যদের মধ্য থেকে চেয়ারম্যানের প্যানেল তৈরি করতে পারবে। এবং এই ধারা অনুযায়ী বর্তমান এমইউপি মোঃ ফজলুল হককে প্যানেল চেয়ারম্যান বানাতে চলতি বছরের ১০ আগস্ট ১০ জন মেম্বারের স্বাক্ষর দিয়ে ডিসি বরাবর আবেদন করেন। সেই ১০ মেম্বারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ফজলুল হক মেম্বারকে আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রদানের নিমিত্তে ইউনিওকে সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন দিতে অনুরোধ করেন জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের সহকারি কমিশনার ইরফান উল হাসান একটি চিঠি দেন। এবং চিঠির প্রেক্ষিতে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং তারিখে ডিসি বরাবর একটি মতামতসহ প্রতিবেদন দেন। যেখানে তিনি উল্লখে করেন ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক ও দৈনন্দিন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য এমইউপি ফজলুল হককে প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে দেওয়া যেতে পারে মর্মে মতামত দেন। এরপর থেকেই দৌড়ঝাপ শুরু করেন শাহাবউদ্দিন।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় ভোলাখালে অষ্টম সেতু নির্মাণের প্রস্তাব

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় ভোলাখালে অষ্টম সেতু নির্মাণের প্রস্তাব
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ভোলাখালের ওপর মগনামা বাজারপাড়া থেকে বারবাকিয়া ইউনিয়নের বোধামাঝির ঘোনা পর্যন্ত ১০০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত সেতুটি নির্মিত হলে মগনামা ও বারবাকিয়ার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের পাশাপাশি পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার মানুষের যাতায়াত, পণ্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

সম্প্রতি সেতু নির্মাণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও প্রস্তাব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতু নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের মতে, সেতুটি বাস্তবায়িত হলে মগনামা ও বারবাকিয়ার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের পাশাপাশি পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার সঙ্গে মহেশখালী হয়ে চট্টগ্রামের যোগাযোগে একটি বিকল্প ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথ তৈরি হতে পারে। এতে যাতায়াতের সময় ও পেকুয়া বাজার কেন্দ্রীক যানজট ভোগান্তি কমার পাশাপাশি উপকূলীয় এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক কর্মকাণ্ড, কৃষিপণ্য,লবণ, মৎস্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে ‎ভোলাখালের বিভিন্ন অংশে ইতোমধ্যে সাতটি সেতু নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- মগনামা শরৎঘোনা–রাজাখালী নতুনঘোনা সেতু, পেকুয়া পশ্চিম গোঁয়াখালী অংশের রাবারড্যাম সেতু, পেকুয়া বাজার–বারবাকিয়া ফাঁশিয়াখালী সেতু, পেকুয়া মৌলভীপাড়া অংশের আঞ্চলিক মহাসড়ক সেতু, পেকুয়া-বারবাকিয়া বাজার সেতু, পেকুয়া সাবমেরিন নৌঘাঁটি সড়কের সালাহউদ্দিন সেতু এবং বাগুজারা-সাকুরপাড় সেতু।

স্থানীয়দের দাবি, এসব সেতুর ধারাবাহিকতায় মগনামা বাজারপাড়া-বোধামাঝির ঘোনা সেতুটি নির্মিত হলে ভোলাখালের ওপর এটি হবে অষ্টম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতু। সেতুটি নির্মিত হলে পেকুয়া উপজেলার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি কুতুবদিয়ার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

 

‎

 

‎এতে শিক্ষা, চিকিৎসা, লবণ,মৎস্য ও কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে দুই উপজেলার মানুষ সুফল পাবেন বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে পেকুয়া বাজারকেন্দ্রিক সড়কে যানবাহনের চাপও কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

 

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভোলাখাল মগনামা ও বারবাকিয়ার মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের ক্ষেত্রে একটি বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে আছে। খালের ওপর প্রস্তাবিত সেতুটি নির্মিত হলে দুই এলাকার মধ্যে যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতি ও জনজীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

 

‎দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশার পর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রেস সচিব ছফওয়ানুল করিম বলেন, ‘চকরিয়া-পেকুয়া-মাতামুহুরী অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় ভোলাখালের মগনামা বাজারপাড়া অংশে ১০০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও প্রস্তাব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদনের পর পরবর্তী প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতু নির্মাণের কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

 

‎তিনি বলেন, ‘সেতুটি নির্মিত হলে মগনামা, বারবাকিয়া ও আশপাশের এলাকার মানুষের চলাচল সহজ হওয়ার পাশাপাশি পেকুয়া-চকরিয়া অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগব্যবস্থায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।’

 

‎

 

‎পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসাইন বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের প্রচেষ্টায় মগনামা-বোধামাঝির ঘোনা সেতু নির্মাণের উদ্যোগের খবরে বারবাকিয়া ও আশপাশের এলাকার মানুষের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষ যোগাযোগের ক্ষেত্রে নানা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। সেতুটি নির্মিত হলে বারবাকিয়াসহ আশপাশের এলাকার সঙ্গে পেকুয়া উপজেলার সরাসরি ও সহজ যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠবে। একই সঙ্গে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের চলাচলেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

তিনি বলেন, ‘মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার মধ্যে যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও এ সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরুর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।’