খুঁজুন
, ,

রামুতে বর্ণিল আয়োজনে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী’২৫ উদ্বোধন

মো.আবদুল্লাহ,রামু
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
রামুতে বর্ণিল আয়োজনে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী’২৫ উদ্বোধন
শেয়ার করুন

“দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি—প্রাণিসম্পদে হবে উন্নতি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাদেশের মতো কক্সবাজারের রামুতেও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫।

২৬ নভেম্বর সকাল ১১টায় রামু উপজেলা পরিষদ চত্বরে উৎসবমুখর পরিবেশে সপ্তাহব্যাপী এ আয়োজনের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরফানুল হক চৌধুরী এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. অসীম বরন সেন।
এবারের প্রাণীসম্পদ সপ্তাহে প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মাঝে সচেতনতা, সেবা ও প্রযুক্তি বিস্তারের লক্ষ্য রাখা হয়েছে—

প্রথম দিন: প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী,দ্বিতীয় দিন: বিনামূল্যে ভ্যাকসিনেশন ও কৃমিনাশক বিতরণ
তৃতীয় দিন: ভ্রাম্যমাণ প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম
চতুর্থ দিন: ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প
পঞ্চম দিন: ফ্রি স্কুল ফিডিং কার্যক্রম,ষষ্ঠ দিন: তারুণ্যের ভাবনা নিয়ে বিশেষ আলোচনা সভা,সপ্তম দিন: সমাপনী অনুষ্ঠান

উদ্বোধনের পর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলা চত্বর থেকে বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা পরিষদে এসে শেষ হয়।

উচ্ছ্বাস, অংশগ্রহণ আর সচেতনতামূলক বার্তায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো উপজেলা।পরে অতিথিরা প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। প্রতিটি স্টল ছিল ভিন্ন ভিন্ন উপকরণে সমৃদ্ধ—গবাদিপশু, গরু, ছাগল, ভেড়া, হাঁস-মুরগি, কোয়েল, ডিম, দুগ্ধজাত পণ্য, ওষুধ সামগ্রী, খড় কাটার মেশিন, কাঁচা ঘাসসহ কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে ব্যবহৃত বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তি-পণ্য।

স্থানীয় উদ্যোক্তারা বলেন“এ ধরনের প্রদর্শনী আমাদের উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা বাড়ায়। ভবিষ্যতে রামুর প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও এগিয়ে নিতে এটি অনুপ্রেরণার কাজ করবে।”

বিকেলে উপজেলা পরিষদের বাঁকখালী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. অসীম বরন সেন।প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরফানুল হক চৌধুরী। উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবদুল মোতালেবের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. আজিজা আক্তার ঝিনুক।

সভায় বক্তব্য রাখেন—ডেইরি এসোসিয়েশন ও দুগ্ধ উৎপাদনকারী দল, রামুর সভাপতি আকতার কামাল,উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন কবীর,কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুশান্ত দেবনাথ,উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দিন শরীফ,উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ আমজাদ হোসেন,আবাসিক প্রকৌশলী (বিউবো) এস.এম মঈনুল ইসলাম,রামু প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম আবদুল্লাহ আল মামুন।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—এসএএলও নাছির আহাম্মদ, এসএএলও সুভাষ দে, ভিএফএ শাহাদাত করিম, ভিএফএ তপন চৌধুরী, ভিএফএ মিছবাহ উদ্দিন, ড্রেসার মোঃ ফজলুল হক, এলএফএ পার্থ প্রকাশ রায়, এলএফএ মোঃ পারভেজ প্রমুখ।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন ডেইরি ক্যাটাগরি – ১ম: খামারী কফিল উদ্দিন,পোল্ট্রি ক্যাটাগরি-১ম:তাহের পোল্ট্রি ফার্ম, প্রযুক্তি ও প্রাণীজাত দ্রব্য ক্যাটাগরিতে – ১ম: নিউ মুসলিম সুইটস

সপ্তাহব্যাপী প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের এই আয়োজনে রামু উপজেলার খামারী, উদ্যোক্তা, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ প্রাণিসম্পদ উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা ও প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হয়েছেন।দেশীয় জাতের সংরক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সমন্বিত উন্নয়ন—এই তিন লক্ষ্যকে সামনে রেখে রামুর প্রাণিসম্পদ খাত আরও এগিয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশা সকলের।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।