খুঁজুন
, ,

৫ লাখ টাকার ঘুষের অডিও! রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবৈধ ফুটবল টার্ফ নিয়ে নতুন বিতর্ক

এম ফেরদৌস ::
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
৫ লাখ টাকার ঘুষের অডিও! রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবৈধ ফুটবল টার্ফ নিয়ে নতুন বিতর্ক
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির এলাকায় অত্রযত্র অনুমোদনবিহীন ফুটবল টার্ফ গড়ে উঠছে। প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়াই রোহিঙ্গাদের অর্থায়নে এসব আধুনিক ফুটবল মাঠ (টার্ফ) অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনিক তদারকি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, রোহিঙ্গা মাদক কারবারিদের অর্থ ব্যবহার করে এসব টার্ফ নির্মাণ ও পরিচালনা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নিয়মিত গণজমায়েত ঘটিয়ে লাখ লাখ টাকার অবৈধ বাণিজ্য চালানোর পাঁয়তারা করছে একটি অসাধু চক্র।

অনুসন্ধান ও তথ্যসূত্রে জানা গেছে, এসব টার্ফের মালিকানা ও অর্থায়নের পেছনে রয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পকেন্দ্রিক অবৈধ কর্মকাণ্ডের টাকা। তবে বিষয়টি আড়াল করতে পরিচালনার দায়িত্ব কৌশলে স্থানীয় কিছু ব্যক্তির নামে রাখা হচ্ছে, যাতে এটি একটি স্বাভাবিক ব্যবসা হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে মাদক কারবারসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি টার্ফের মতো তথাকথিত বিনোদনমূলক অবকাঠামো ব্যবহার করে রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের মেলামেশার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, ২০১৭ সাল থেকে কয়েক দফায় রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটলেও এখনো প্রত্যাবাসনের কার্যকর কোনো অগ্রগতি নেই। এই সুযোগে একটি চক্র অবৈধ ব্যবসা ও বসবাসকে স্থায়ী রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। এতে সহযোগিতা করতে স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তিকে অর্থের লোভ দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায় অংশীদার করা হচ্ছে।

একইভাবে ফুটবল টার্ফগুলোও স্থানীয়দের নামে পরিচালিত হলেও বাস্তবে এর পেছনে রোহিঙ্গা মাদক কারবারিদের অর্থ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর মাধ্যমে এলাকায় একটি প্রভাবশালী বলয় তৈরির চেষ্টা চলছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মধুরছড়া ও জামতলীসহ অন্তত চারটি ফুটবল টার্ফ গড়ে উঠেছে। এসব টার্ফে দলবেঁধে রোহিঙ্গাদের খেলাধুলা করতে দেখা যায়। থাইংখালী ক্যাম্প-১২ এলাকায় দেখা গেছে, ‘আকতার’ নামের এক ব্যক্তি একটি টার্ফ নির্মাণ করে সেখানে নিয়মিত রোহিঙ্গাদের গণজমায়েতের আয়োজনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে। পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকলে যে কোনো সময় বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

পার্শ্ববর্তী এলাকাবাসীর অভিযোগ, বনের জমি অবৈধভাবে দখল করে রোহিঙ্গাদের নিয়ে এসব আয়োজন করা হচ্ছে। এসব টার্ফ নির্মাণে সিআইসি বা আরআরআরসি থেকে কোনো লিখিত অনুমতিও নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে আকতারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, কাগজে-কলমে অনুমতি না থাকলেও মৌখিকভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি বন বিভাগের জমি নয়, খতিয়ানভুক্ত জমি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জয়নাল বলেন, আকতারের টার্ফটি বন বিভাগের জমিতে। অন্য কয়েকটি টার্ফে আংশিক খতিয়ানভুক্ত জমি ও আংশিক বনভূমি রয়েছে।

এদিকে হাতে আসা একটি কল রেকর্ডে শোনা গেছে, ক্যাম্প-১২-এর সিআইসিকে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে এসব টার্ফের মৌখিক অনুমোদন নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। অনুমতির বিষয়টি কমিশনার আবু সালেহ মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ ভালো বলতে পারবেন। তথ্য দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (যুগ্মসচিব) আবু সালেহ মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ বলেন, লিখিতভাবে কাউকে কোনো টার্ফ নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। আগে দেখতে হবে জমিগুলো কী শ্রেণির। বনভূমি হলে বন বিভাগকেও অবগত করতে হবে। নির্দিষ্ট তথ্য দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের একাংশ মনে করছেন, খেলাধুলা বা তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করেও সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অতীতে ক্যাম্পকেন্দ্রিক সহিংস ঘটনার অভিজ্ঞতা থেকে তারা আশঙ্কা করছেন, এসব টার্ফকে ঘিরে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে।

ক্যাম্প-১২ এলাকায় দায়িত্বে থাকা ৮ এপিবিএন পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার জহির উদ্দিন বলেন, টার্ফ নির্মাণের বিষয়টি তারা জানতেন না। হঠাৎ করেই সেখানে রোহিঙ্গাদের খেলাধুলা করতে দেখা গেছে। সংঘাতের আশঙ্কা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংঘাত হলে অবশ্যই পুলিশকে সেখানে যেতে হবে। বিষয়টি উর্ধ্বতন মহলকে অবগত করা হবে।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।