খুঁজুন
, ,

ধানের শীষের মনোনয়ন পেলেন সাবেক দুই আ’লীগ নেতা, ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:০১ অপরাহ্ণ
ধানের শীষের মনোনয়ন পেলেন সাবেক দুই আ’লীগ নেতা, ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা
শেয়ার করুন

বাগেরহাটে চারটি আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে আলোচনার চেয়ে সমালোচনাই বেশি বইছে। নেতাকর্মীদের অভিযোগ- মনোনয়নপ্রাপ্ত চার জনের মধ্যে দুইজনই আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা। মাত্র এক বছর আগে দলবদল করে আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে আসা এই নেতারা দলকে ডোবাবেন বলেই ধারণা স্থানীয় নেতাকর্মীদের। সামাজিক মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে তাদের ছবি শেয়ার করে নানা আলোচনা-সমালোচনা করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট-মোল্লহাট-চিতলমারী) আসনে মনোননয় পেয়েছেন মতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক কপিল কৃষ্ণ মন্ডল। তিনি একইসঙ্গে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের মহাসচিব ও বাংলাদেশ অশ্বিনী সেবা আশ্রমের সভাপতিও। ছিলেন চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।

অপরদিকে বাগেরহাট-৪ (শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন মতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্য জোটের সভাপতি সোমনাথ দে। তিনি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সাবেক সভাপতি ছিলেন। এছাড়া মোরেলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। গত বছরের আগস্টের শেষ দিকে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেন। এর আগে সোমনাথ দে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সংখ্যালঘু বিষয়ক উপদেষ্টা ও মোরেলগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক ছিলেন।

দেশবিরোধী চক্রান্তের অভিযোগে কপিল কৃষ্ণ মন্ডল চলতি বছরের মার্চে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। অপর একটি মামলায় কারাভোগ করেছেন সোমনাথ দে। জেল থেকে বেরিয়ে সনাতন ধর্মের অনুসারীদের নিয়ে ২০ আগস্ট বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুল দিয়ে দলটিতে যোগ দেন কপিল ও সোমনাথ।

শনিবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয় থেকে প্রার্থী ঘোষণার পর আসন দুটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।

মো. আসাদ নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘অভিভাবক যদি চিহ্নিত ফ্যাসিস্টদের দিয়ে রাষ্ট্র বিনির্মাণের কাজ করতে চান, তাহলে এমন সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়াটাও অন্যায়। ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে বিপ্লবী ওসমান হাদিকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের চিহ্নিত কিলার দ্বারা প্রকাশ্যে দিবালোকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তাদেরকে নমিনেশন দিয়ে সমস্ত ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

মো. শিমুল নামে একজন লিখেছেন, ‘এই সেই আওয়ামী লীগের দালাল। যাকে ১ আসন থেকে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। এটা মানুষ মেনে নেবে না। বিএনপির জনগণ এটা মেনে নেবে না।

সারা বছর রাজপথে থেকে, সতেরো বছর ঘুমাতে পারিনি। এখন উড়ে এসে জুড়ে বসেছে। কত টাকার বিনিময়ে নমিনেশন পেয়েছে এটা আমাদের জানতে হবে।’

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম বলেন, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বাইরে আমাদের করার কিছু নেই। তবে তৃণমূল নেতাকর্মীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।

দীর্ঘদিন দল করে, জুলুম-নির্যাতন সহ্য করার পর অন্যদলের কেউ এসে মনোনয়ন পাওয়ায় তারা ক্ষোভে ফুঁসছে। আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে এসব বিষয় কেন্দ্রকে জানিয়েছি।

জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ সালাম বলেন, আওয়ামী লীগের পদধারী নেতাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা এটি কীভাবে মেনে নিবে বলেন? তারা দুজনই সুবিধাবাদী। শেখ হেলালের ঘনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন। সনাতন ধর্মের যদি কাউকে দিতেও হয়, ভালো যে হিন্দু ভাইয়েরা রয়েছে তাদের থেকে দিতো। নেতাকর্মীরা সত্যিই হতাশ হয়ে পড়েছে।

এছাড়া দীর্ঘদিন রাজপথে ছিলেন জানিয়ে বাগেরহাট-২ আসনের মনোনয়নও পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তিনি।

বাগেরহাট-১ আসনের মনোনয়নপ্রাপ্ত কপিল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, ‘আমি কখনো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। এটিই আমার প্রথম রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া। দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ মন্দিরের সভাপতি হওয়ায় নির্যাতিত হিন্দুদের অধিকার আদায়ে আমি সবসময় সোচ্চার ছিলাম। এ কারণে এমপি-মন্ত্রীদের সঙ্গে আমার কথা বলতে হয়েছে। সেইসব ছবি দেখিয়ে এখন ষড়যন্ত্র চলছে। কেউ বলতে পারবে না, কোনো রাজনৈতিক মঞ্চে আমি বক্তব্য দিয়েছি।’

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটির কাগজ ভিত্তিহীন দাবি করে তিনি আরও বলেন, ‘চাইলে অনেক বড় পদ আমি পেতাম, ইউনিয়ন কমিটিতে কেন যাবো। আর মামলার বিষয়টিও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। উচ্চ আদালত থেকে গত সপ্তাহে মামলাটি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে।’

বাগেরহাট-৪ আসনে মনোনয়নপ্রাপ্ত সোমনাথ দে বলেন, ‘আমি মনোনয়ন পাওয়ায় যারা চাঁদাবাজ, জুলুমকারী তাদের গাত্রদাহ হচ্ছে। কিন্তু যারা সাধারণ মানুষ তারা আমাকে সাদরে গ্রহণ করেছেন। আমি জাতীয় পার্টি করেছি, আওয়ামী লীগ করেছি, ৫ আগস্টের পর জেল খেটেছি। আমার নামে এখনো তিনটি মামলা রয়েছে। এসব জেনেই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয়, দলের হাইকমান্ড আমাকে মনোনীত করেছেন। আমি নির্বাচিত হলে মোরেলগঞ্জ-শরণখোলায় কেউ এক কাপ চাও অবৈধভাবে খেতে পারবে না।’

ইউসিবি ব্যাংকে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও, থানায় জিডি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
ইউসিবি ব্যাংকে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও, থানায় জিডি
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাসস্টেশন এলাকার ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) শাখায় কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হকের ব্যাংক হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিজের অজান্তে হিসাব থেকে ওই অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে ঈদগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।

 

জানা গেছে, গতকাল সকালে ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা তুলতে চেক দিয়ে এক কর্মচারীকে ব্যাংকে পাঠান ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক। সেখানে গিয়ে ওই কর্মচারী জানতে পারেন, হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা নেই। পরে বিষয়টি অধ্যক্ষকে জানানো হলে তিনি নিজেই ব্যাংকে গিয়ে খোঁজ নেন। এ সময় তাঁর হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা স্থানান্তর হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

এ ঘটনায় ঈদগাঁও থানায় জিডি করেছেন ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক। জিডি নম্বর ৯৭৪ এবং ট্র্যাকিং নম্বর DEL665।

 

তবে কীভাবে, কখন এবং কার মাধ্যমে ওই অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে ব্যাংকের লেনদেনের তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে অর্থ স্থানান্তরের প্রকৃত কারণ জানা যেতে পারে।

 

এ বিষয়ে ইউসিবি ব্যাংক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদ্রাসায় নিজের কন্যাশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পর ‘ভবিষ্যতের চিন্তায়’ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন শাহজালাল রুমি। পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগে তিনি বাসা ছেড়েছেন বলে জানিয়েছেন ভবনটির কেয়ারটেকার। তবে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ তিনি বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, তা জানা যায়নি।

ভবনটির কেয়ারটেকার জানান, টঙ্গীর মাদ্রাসায় ওই ঘটনার পর থেকেই রুমি হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করছিলেন। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কায়ও ছিলেন তিনি। স্ত্রী, দুই সন্তান এবং শ্বশুর-শাশুড়ির নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন রুমি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) টঙ্গীতে রুমির বাসায় গিয়ে দরজায় তালা দেখা যায়। কেয়ারটেকার হাবিবুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, গত দুই থেকে তিন দিন ধরে ভয়ের কারণে রুমির পরিবারের সদস্যরা বাসায় থাকছেন না।

 

হাবিবুর রহমান আরও জানান, যে মেয়েটির সঙ্গে এসব ঘটেছে, সেও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। রুমি এখন মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আছেন বলে আমাদের জানিয়ে গেছেন।

রুমি পেশায় একজন ফেব্রিক ব্যবসায়ী। পাশাপাশি বডি বিল্ডিংয়ের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। ঢাকায় ব্যবসার সুবাদে তিনি তার বাবার ফ্ল্যাটে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন। তার এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মেয়ের বয়স আট বছর এবং ছেলের বয়স চার বছর। রুমির শ্বশুরের নাম হাজি মোহাম্মদ মোকাররম আলী।

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রুমি এবং তার পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। রুমি ফেসবুক লাইভে একাধিকবার তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। বিভিন্ন ব্যক্তি তাকে হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

 

পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি দুই শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সন্তানদের ভালোভাবে পড়াশোনা করিয়ে মানুষ করার স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন রুমি। কিন্তু সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা কখনো কল্পনাও করেননি বলে তার বক্তব্যে উঠে এসেছে।

 

ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকে রুমি ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে অভিযোগের পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে হুমকি ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

 

পাল্টাপাল্টি মামলা, তদন্তে পুলিশ

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। একটি মামলা করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং অন্যটি করেছেন শিশুটির বাবা রুমি। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও বক্তব্য সামনে এসেছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মামলায় অর্থ আত্মসাৎ, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে, রুমি তার মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চেয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

 

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন বলেন, ‘দুটি মামলাই আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে পুরো বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

 

তদন্তের স্বার্থে মামলার বিস্তারিত বিষয়ে আপাতত কিছু জানাতে চাননি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা।

 

মাদ্রাসা ও রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়

 

ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোচনায় আসার পর থেকে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা এবং রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঘটনার প্রকৃত তথ্য, দুই পক্ষের বক্তব্য এবং তদন্তের অগ্রগতি জানতে সাংবাদিকেরা সেখানে যাচ্ছেন।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা
শেয়ার করুন

অনলাইন সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাম নিউজে টার্মিনালকেন্দ্রিক ইয়াবা সিন্ডিকেট নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের একাংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা।

 

এক প্রতিবাদলিপিতে শহিদুল মোস্তফা বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর ছবি ব্যবহার করে ইয়াবা সিন্ডিকেটের সঙ্গে তাঁকে সম্পৃক্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি তাঁর নজরে আসার পর তিনি বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

 

শহিদুল মোস্তফা জানান, তিনি মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী। পাশাপাশি তিনি পশ্চিম লারপাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মসজিদ পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সদস্য এবং লারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।

 

প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেন, এ ধরনের গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে কারও নাম বা ছবি ব্যবহারের আগে তথ্য ও পরিচয় যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত সুনাম ও পেশাগত অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

শহিদুল মোস্তফা টেলিগ্রাম নিউজ কর্তৃপক্ষকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য ও ছবি পুনরায় যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

প্রতিবাদকারী:

শহিদুল মোস্তফা

স্বত্বাধিকারী, মুনজারিন টাইলস।