খুঁজুন
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮ ফাল্গুন, ১৪৩২

বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা মাহদী ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা মাহদী ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক
শেয়ার করুন

ব্যক্তিগত কাজে ভারত যাওয়ার পর সেখান থেকে দেশে ফেরার পথে বিমানবন্দরে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান।

 

আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ঢাকার ফ্লাইট ধরতে দিল্লী বিমানবন্দরে গেলে সেখানে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। তৎক্ষনাৎ তিনি হাইকমিশনের একজন কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানান।

 

দ্য ডিসেন্ট জানিয়েছে, ব্যক্তিগত কাজে দিল্লীতে অবস্থানকালে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মাহদীর অগোচরে ধারণ করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। সেসব পোস্টে নাম পরিচয় উল্লেখ করে তাকে ‘জুলাইয়ের আত্মস্বীকৃত খুনি’ বলে প্রচার করে হুমকি দেয়া হচ্ছিল।

 

ভারতস্থ বাংলাদেশের কনসুলেটে একটি সূত্রের বরাতে দ্য ডিসেন্ট জানিয়েছে, গতকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুমকির প্রেক্ষাপটে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে মাহদীর সাথে যোগাযোগ করা হয়। এরপর আজ দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে দিল্লী বিমানবন্দরে সেখানে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। তৎক্ষণাৎ তিনি হাইকমিশনের একজন কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানান।

 

গতকাল মাহদী হাসান গণমাধ্যমকে জানান, ফিনল্যান্ডের ভিসা সংক্রান্ত কাজে দিল্লীতে ভিএফএস সেন্টারে কাগজপত্র জমা দিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তার ভিডিও ধারণ করে।তারপর থেকে তার মোবাইলে বিভিন্ন অপরিচিত নম্বর থেকে মেসেজ ও কল আসতে থাকে। এসব কল ও মেসেজ থেকে তিনি বুঝতে পারেন কেউ তার অজান্তে তার বর্তমান অবস্থান, মোবাইল নম্বর এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছে। তবে কে বা কারা ভিডিওটি ধারণ করেছে এ ব্যাপারে তিনি জানতেন না বলেও জানান।

 

উল্লেখ্য, বছরের শুরুতে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হাসানকে আটক করেছিল থানায় নিয়ে যায় শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ। তার মুক্তির দাবিতে মাহদী হাসানের নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) আবুল কালামের কক্ষে অবস্থান নেন। এসময় বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে মাহদী হাসানকে বলতে শোনা যায়, ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম। ওই জায়গা থেকে উনি (ওসি) কোন সাহসে এটা (আন্দোলনকারী হয়েছে তো কী হয়েছে) বললেন। আমি স্ট্রিক্টলি এখানে আসছি। আমরা এতগুলা ছেলে ভাইসা আসছি নাকি?’

ফরজ গোসল না করে কি সেহরি খাওয়া যাবে?

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:২৪ পূর্বাহ্ণ
ফরজ গোসল না করে কি সেহরি খাওয়া যাবে?
শেয়ার করুন

সেহরি খেয়ে রোজা রাখা সুন্নত। হাদিসের ভাষায়, সেহরিতে রয়েছে অসংখ্য বরকত ও কল্যাণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেহরি খাও। কেননা, সেহরিতে বরকত রয়েছে।’ (সহিহ মুসলিম)

 

রমজান মাসে অনেকেরই এমন পরিস্থিতি হয়—সহবাস বা স্বপ্নদোষের কারণে গোসল ফরজ হয়েছে, কিন্তু সেহরির সময় খুব কম, বা ঘুম থেকে দেরিতে ওঠার কারণে তখনই গোসল করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় অনেকের মনে প্রশ্ন আসে: গোসল না করে সেহরি খেলে কি রোজা হবে?

 

গোসল ফরজ হওয়ার কারণ

 

সুনির্দিষ্ট চার কারণের যে কোনে একটি সংঘটিত হলেই গোসল ফরজ হয়। তাহলো-

 

১. জানাবাত থেকে অপবিত্রতা থেকে পবিত্রতা হওয়ার গোসল। এটি নারী-পুরুষের যৌন মিলন, স্বপ্নদোষ বা যে কোনো উপায়ে বীর্যপাত হলে। আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দেন-

 

وَإِن كُنتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُواْ

 

‘আর যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও।’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৬)

 

২. মাসিক বন্ধ হওয়ার পর নারীদের পবিত্র হওয়ার জন্য গোসল করা ফরজ।

 

৩. সন্তান প্রসবের পর নেফাসের রক্ত বন্ধ হলে পবিত্র হওয়ার জন্য নারীদের গোসল করা ফরজ।

 

৪. আর জীবতদের জন্য মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেওয়া ফরজ।

 

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র জীবন থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়। উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, রমজান মাসে সহবাসের ফলে ফরজ গোসল অবস্থায় রাসুল (সা.) সুবহে সাদিক অতিবাহিত করতেন। এরপর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন। (সহিহ বুখারি: ১৮২৯)

 

উম্মুল মুমিনিন হজরত উম্মে সালামা (রা.) থেকেও অনুরূপ বর্ণিত আছে যে গোসল ফরজ অবস্থায় আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর ফজরের সময় হয়ে যেত। তখন তিনি গোসল করতেন এবং রোজা পালন করতেন। (সহিহ বুখারি: ১৯২৬)

 

সব সময়ই মনে রাখতে হবে, গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও বিনা ওজরে গোসল না করে অপবিত্র অবস্থায় এক ওয়াক্ত নামাজের সময় অতিবাহিত হয়ে যাওয়া মারাত্মক গোনাহ। এক্ষেত্রে তীব্র লজ্জা কিংবা গোসলের পরিবেশ নাই মনে করা শরিয়তসম্মত ওজর নয়। (বাদায়েউস সানায়ে : ১/১৫১)

 

عَنْ نَوْفَلِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” مَنْ فَاتَتْهُ الصَّلَاةُ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ

.أَهْلَهُ وَمَالَهُ

 

হজরত নওফেল বিন মুআবিয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল ﷺ বলেছেন, যার নামাজ কাজা হয়ে গেল, যেন তার পরিবার ও সম্পদ সবই ধ্বংস হয়ে গেল।

 

(মুসনাদে আহমাদ : ২৩৬৪২)

ঘুমের ২০টি ট্যাবলেট একসঙ্গে খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা মেঘমল্লার বসুর, হাসপাতালে ভর্তি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
ঘুমের ২০টি ট্যাবলেট একসঙ্গে খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা মেঘমল্লার বসুর, হাসপাতালে ভর্তি
শেয়ার করুন

একসঙ্গে একাধিক ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি মেঘমল্লার বসু আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

গণমাধ্যমকে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল জানান, মেঘমল্লার বসু আত্মহননের চেষ্টা করেছেন।তাকে শুক্রবার দুপুরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন মেঘমল্লার বসুর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন জুবেল।

 

তবে কেন মেঘমল্লার বসু এই কাজ করেছেন এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ঘুমের ২০টি ট্যাবলেট একসঙ্গে খেয়ে নেন মেঘমল্লার বসু। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

প্রথমবার শহীদ মিনারে যাচ্ছেন জামায়াত আমির

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
প্রথমবার শহীদ মিনারে যাচ্ছেন জামায়াত আমির
শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির, সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

 

অন্য বছর এই দিনে ছাত্র শিবিরের পক্ষ থেকে শোভাযাত্রা, আলোচনার মত আয়োজন থাকলেও জামায়াত আমির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাচ্ছেন এবারই প্রথম।

 

শুক্রবার বিকালে জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে’ ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে শফিকুর রহমান শহীদ মিনারে যাবেন। ১১ দলীয় ঐক্যজোটের সংসদ সদস্যরা তার সঙ্গে থাকবেন।

 

 

সেখানে বলা হয়, জামায়াত আমির ভাষা শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করবেন।