খুঁজুন
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮ ফাল্গুন, ১৪৩২

আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি অফিসের ফটকে বঙ্গবন্ধুর ছবি রেখে স্লোগান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:১১ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি অফিসের ফটকে বঙ্গবন্ধুর ছবি রেখে স্লোগান
শেয়ার করুন

আক্রান্ত হওয়ার দেড় বছর পর আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের ফটকের সামনে জাতীয় পতাকা ও বঙ্গবন্ধু ছবি রেখে স্লোগান দিয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুব মহিলা লীগের একদল নেত্রী।

 

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সংগঠনের ১০-১২ জন নেতাকর্মীকে ধানমন্ডি ৩/এ সড়কের ৫১ নম্বর বাড়িটির সামনে দেখা যায়।

 

২০০২ সাল থেকে ভবনটি আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহাহৃত হয়ে আসছিল। তিন তলা ভবনে দলীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের জন্য কক্ষ ছিল।

 

দ্বিতীয় তলায় ছিল দলের মুখপত্র উত্তরণের অফিস। এ ছাড়া তৃতীয় তলায় আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যক্রম চলত।

 

প্রথমে ভাড়া নেওয়া হলেও ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে ভবনটি দলের নামে কিনে নেওয়া হয়। এরপর ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এলে পাশের চার তলা দুটি ভবন কিনে দলীয় সভাপতির কার্যালয়টির সম্প্রসারণ করা হয়।

 

সে সময় ভবন দুটি বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে কেনা হয়। এই দুই ভবনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বিষয়ভিত্তিক সম্পাদকমণ্ডলীর নেতারা এবং কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্যরা বসতেন। এখানকার একটি কক্ষে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন প্রকাশনা বিক্রির স্টল ছিল।

 

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগের টানা ১৫ বছরের শাসনাবসান ঘটে। সেদিন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবন চলে যায় জনতার দখলে। সেখানে ব্যাপক ভাংচুর-লুটপাট চলে।

 

সেদিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধু ভবনের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়েও হামলা হয়। ওই কার্যালয়ের তিনটি ভবনে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়।

 

প্রায় ছয় মাস পর স্থানীয় কিছু নেশাগ্রস্ত যুবক ওই পোড়া ভবনকে তাদের আশ্রয় হিসেবে বেছে নেয়। আবার স্থানীয় কিছু লোককে ভবনটি ঘিরে পাহারা দিতে দেখা যেন। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের কেউ সেখানে গেলে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে পুলিশ ডেকে ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

 

অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিগুলোর দাবিতে গতবছর মে মাসে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সব সংগঠনের কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। সেই হিসেবে যুব মহিলা লীগের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ।

 

সেই নিষেধাজ্ঞা ভেঙে বৃহস্পতিবার সকালে ১০-১২ জন নেত্রী বঙ্গবন্ধুর ছবি ও জাতীয় পতাকা নিয়ে উপস্থিত হন আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে। সেখানে কিছুক্ষণ স্লোগান দিয়ে তারা আবার চলে যান।

 

জানতে চাইলে সংগঠনটির একজন নেত্রী টেলিফোনে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আজকে আমরা একটু রিস্ক নিয়েই গিয়েছি।”

 

ধানমন্ডির এই আওয়ামী লীগ অফিস আবারও মুখরিত হয়ে উঠবে–এমন আশার কথাও তিনি বলেন।

ফরজ গোসল না করে কি সেহরি খাওয়া যাবে?

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:২৪ পূর্বাহ্ণ
ফরজ গোসল না করে কি সেহরি খাওয়া যাবে?
শেয়ার করুন

সেহরি খেয়ে রোজা রাখা সুন্নত। হাদিসের ভাষায়, সেহরিতে রয়েছে অসংখ্য বরকত ও কল্যাণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেহরি খাও। কেননা, সেহরিতে বরকত রয়েছে।’ (সহিহ মুসলিম)

 

রমজান মাসে অনেকেরই এমন পরিস্থিতি হয়—সহবাস বা স্বপ্নদোষের কারণে গোসল ফরজ হয়েছে, কিন্তু সেহরির সময় খুব কম, বা ঘুম থেকে দেরিতে ওঠার কারণে তখনই গোসল করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় অনেকের মনে প্রশ্ন আসে: গোসল না করে সেহরি খেলে কি রোজা হবে?

 

গোসল ফরজ হওয়ার কারণ

 

সুনির্দিষ্ট চার কারণের যে কোনে একটি সংঘটিত হলেই গোসল ফরজ হয়। তাহলো-

 

১. জানাবাত থেকে অপবিত্রতা থেকে পবিত্রতা হওয়ার গোসল। এটি নারী-পুরুষের যৌন মিলন, স্বপ্নদোষ বা যে কোনো উপায়ে বীর্যপাত হলে। আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দেন-

 

وَإِن كُنتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُواْ

 

‘আর যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও।’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৬)

 

২. মাসিক বন্ধ হওয়ার পর নারীদের পবিত্র হওয়ার জন্য গোসল করা ফরজ।

 

৩. সন্তান প্রসবের পর নেফাসের রক্ত বন্ধ হলে পবিত্র হওয়ার জন্য নারীদের গোসল করা ফরজ।

 

৪. আর জীবতদের জন্য মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেওয়া ফরজ।

 

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র জীবন থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়। উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, রমজান মাসে সহবাসের ফলে ফরজ গোসল অবস্থায় রাসুল (সা.) সুবহে সাদিক অতিবাহিত করতেন। এরপর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন। (সহিহ বুখারি: ১৮২৯)

 

উম্মুল মুমিনিন হজরত উম্মে সালামা (রা.) থেকেও অনুরূপ বর্ণিত আছে যে গোসল ফরজ অবস্থায় আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর ফজরের সময় হয়ে যেত। তখন তিনি গোসল করতেন এবং রোজা পালন করতেন। (সহিহ বুখারি: ১৯২৬)

 

সব সময়ই মনে রাখতে হবে, গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও বিনা ওজরে গোসল না করে অপবিত্র অবস্থায় এক ওয়াক্ত নামাজের সময় অতিবাহিত হয়ে যাওয়া মারাত্মক গোনাহ। এক্ষেত্রে তীব্র লজ্জা কিংবা গোসলের পরিবেশ নাই মনে করা শরিয়তসম্মত ওজর নয়। (বাদায়েউস সানায়ে : ১/১৫১)

 

عَنْ نَوْفَلِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” مَنْ فَاتَتْهُ الصَّلَاةُ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ

.أَهْلَهُ وَمَالَهُ

 

হজরত নওফেল বিন মুআবিয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল ﷺ বলেছেন, যার নামাজ কাজা হয়ে গেল, যেন তার পরিবার ও সম্পদ সবই ধ্বংস হয়ে গেল।

 

(মুসনাদে আহমাদ : ২৩৬৪২)

ঘুমের ২০টি ট্যাবলেট একসঙ্গে খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা মেঘমল্লার বসুর, হাসপাতালে ভর্তি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
ঘুমের ২০টি ট্যাবলেট একসঙ্গে খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা মেঘমল্লার বসুর, হাসপাতালে ভর্তি
শেয়ার করুন

একসঙ্গে একাধিক ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি মেঘমল্লার বসু আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

গণমাধ্যমকে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল জানান, মেঘমল্লার বসু আত্মহননের চেষ্টা করেছেন।তাকে শুক্রবার দুপুরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন মেঘমল্লার বসুর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন জুবেল।

 

তবে কেন মেঘমল্লার বসু এই কাজ করেছেন এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ঘুমের ২০টি ট্যাবলেট একসঙ্গে খেয়ে নেন মেঘমল্লার বসু। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

প্রথমবার শহীদ মিনারে যাচ্ছেন জামায়াত আমির

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
প্রথমবার শহীদ মিনারে যাচ্ছেন জামায়াত আমির
শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির, সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

 

অন্য বছর এই দিনে ছাত্র শিবিরের পক্ষ থেকে শোভাযাত্রা, আলোচনার মত আয়োজন থাকলেও জামায়াত আমির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাচ্ছেন এবারই প্রথম।

 

শুক্রবার বিকালে জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে’ ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে শফিকুর রহমান শহীদ মিনারে যাবেন। ১১ দলীয় ঐক্যজোটের সংসদ সদস্যরা তার সঙ্গে থাকবেন।

 

 

সেখানে বলা হয়, জামায়াত আমির ভাষা শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করবেন।