খুঁজুন
, ,

ঈদ দুয়ারে, অথচ ফিরল না একজন রোহিঙ্গাও

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:১১ পূর্বাহ্ণ
ঈদ দুয়ারে, অথচ ফিরল না একজন রোহিঙ্গাও
শেয়ার করুন

প্রত্যাবাসনে নেই কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি। উল্টো নতুন করে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৬ জন রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে কক্সবাজার-এ।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান জাতিসংঘের মহাসচিবের উপস্থিতিতে ঘোষণা দিয়েছিলেন ২০২৬ সালের ঈদের আগেই রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা হবে। সময় গড়িয়েছে, ঈদ এখন দুয়ারে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে, গত এক বছরে একজন রোহিঙ্গাও ফিরতে পারেনি মিয়ানমার-এ।

প্রত্যাবাসনে নেই কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি। উল্টো নতুন করে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৬ জন রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে কক্সবাজার-এ। তবে দীর্ঘ অনিশ্চয়তা, মানবিক সংকট আর ভবিষ্যতহীনতার মাঝে আটকে থাকা এই মানুষগুলো এখনো আশায় বুক বাঁধছে নতুন সরকারের উদ্যোগে হয়তো খুলবে প্রত্যাবাসনের পথ, ফিরবে নিজ ভূমিতে নিরাপদ জীবনের স্বপ্ন।

ইফতার সামনে রেখে লাখো রোহিঙ্গার উপস্থিতি, পাশে জাতিসংঘ-এর মহাসচিব। ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ, উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সেই সমাবেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস দিয়েছিলেন বড় প্রতিশ্রুতি- ২০২৬ সালের ঈদ হবে নিজ দেশ মিয়ানমার-এ।

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ইফতার অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বক্তৃতা দেন প্রধান উপদেষ্টা। ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘রোহিঙ্গাদের দুঃখ দেখে সমাধান করতে জাতিসংঘ মহাসচিব এসেছেন। এই ঈদে না হোক, আগামী ঈদে রোহিঙ্গারা নিজের দেশে ঈদ করতে পারবেন, সেই প্রত্যাশা করি।’

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরাতে সারা দুনিয়ার সঙ্গে প্রয়োজনে লড়াই করতে হবে। ঈদে মানুষ আত্মীয়স্বজনের কবর জিয়ারত করে। রোহিঙ্গাদের সেই সুযোগও নেই।

এ ঘোষণায় আশায় বুক বেঁধেছিলেন কক্সবাজার-এর ৩৩টি ক্যাম্পে থাকা ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। কিন্তু এক বছর পেরিয়ে গেলেও নেই প্রত্যাবাসনের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি। উল্টো গত ১৫ মাসে নতুন করে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৬ জন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে বাংলাদেশে।

উখিয়ার লম্বাশিয়া ক্যাম্প-১ এর বাসিন্দা মোহাম্মদ রিয়াজ (৩০) বলেন, ‘গত বছরের রমজানে ড. মুহাম্মদ ইউনুস এবং আন্তোনিও গুতেরেস রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে এলে আমরা খুব খুশি হয়েছিলাম। বিশ্বে একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নিজে এসে আমাদের মতো ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর খোঁজ নিয়েছেন-এটা আমাদের জন্য বড় পাওয়া ছিল। সেই সময় ড. ইউনুসের ঘোষণায় আমরা আরও আশাবাদী হয়ে উঠেছিলাম। তিনি বলেছিলেন, ২০২৬ সালের ঈদ আমরা নিজ দেশ মিয়ানমার-এ উদযাপন করতে পারব। কিন্তু এখন বাস্তবতা ভিন্ন। ২০২৬ সালের ঈদ চলে এসেছে-ড. ইউনুস আছেন যুক্তরাষ্ট্র-এ, আর আন্তোনিও গুতেরেস গেছেন জেনেভা-য়। অথচ আমরা রোহিঙ্গারা এখনো বাংলাদেশ-এর শরণার্থী ক্যাম্পেই রয়ে গেছি।’

আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জোবায়ের বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনুস ঘোষণা দিয়েছিলেন-২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা রোহিঙ্গারা নিজ ভূমি আরাকান-এ উদযাপন করতে পারবে। এমনকি সেখানেই ফিরে গিয়ে মা-বাবার কবর জিয়ারত করার সুযোগও হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘এ ঘোষণায় রোহিঙ্গাদের মাঝে এতটাই আশার সঞ্চার হয়েছিল যে, কষ্ট-দুঃখ ভুলে গিয়েছিল তারা। কিন্তু সময় গড়ালেও সেই প্রতিশ্রুতির কোনো বাস্তবায়ন হয়নি।’

এদিকে গত ৮ বছরে বাংলাদেশ সরকার একাধিকবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নিলেও, নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না থাকায় তা আলোর মুখ দেখেনি। তবে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আবারও আশার আলো দেখছেন আশ্রিতরা।

ক্যাম্প-১৮-এর বাসিন্দা আব্দুল হাই (৪৬) জানান, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট সহিংসতার মুখে প্রাণ বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশ-এ আশ্রয় নেন তিনি।

তিনি বলেন, ১৯৯১-৯২ সালে যে সরকার ক্ষমতায় ছিল, সেই সময় রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে নতুন সরকারকে ঘিরে তাদের মাঝে আবারও আশার সঞ্চার হয়েছে।

আব্দুল হাইয়ের প্রত্যাশা, নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে একদিন তারা নিজ ভূমি রাখাইনে ফিরে যেতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে এবারও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে-এমনটাই বিশ্বাস করছেন ক্যাম্পের বাসিন্দারা।

সচেতন মহলের মতে, বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জন্য এটি ছিল বড় একটি সুযোগ। কিন্তু সেই উদ্যোগ ছিল প্রত্যাশার তুলনায় অনেকটাই নিষ্ক্রিয়।

রোহিঙ্গা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান বলেন, বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান বক্তব্যে তার নিজস্ব চিন্তা-চেতনার প্রতিফলন হলেও, সেই বক্তব্যের এখনো কোনো বাস্তব ফলাফল দেখা যায়নি এবং ভবিষ্যতেও তা কতটা কার্যকর হবে-তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। তাদের যদি সুস্পষ্ট নীতিমালা ও কার্যকর উদ্যোগ থাকে, তাহলে কিছু ইতিবাচক ফল আসতে পারে। তবে আপাতত দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় এ বিষয়ে খুব বেশি আশা দেখছেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে ক্যাম্পগুলোতে বাড়ছে সংকট। জ্বালানি ঘাটতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক তহবিল কমে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকটও। যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণকে আরও কঠিন করে তুলছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান বলেন, প্রত্যাবাসন ইস্যুতে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই; বরং পরিস্থিতি দিন দিন আরও অবনতি হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাখাইন-এ সংঘাত বেড়েছে-সরকারি বাহিনী ও আরাকান আর্মি-এর মধ্যে চলমান লড়াইয়ের ফলে সেখানে অবশিষ্ট রোহিঙ্গারাও নির্যাতনের মুখে এলাকা ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছে। এমনকি সীমান্ত এলাকাতেও নতুন করে রোহিঙ্গা জড়ো হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা উদ্বেগজনক।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমার-এর সঙ্গে সরকারের যোগাযোগ থাকলেও বাস্তবে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি নেই। পরিস্থিতি এখনো প্রত্যাবাসনের উপযোগী হয়ে ওঠেনি। পাশাপাশি সেখানে অবকাঠামো ও আর্থিক সংকটও বিদ্যমান, যা পুরো প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে।

ঈদ আসে, ঈদ যায়-কিন্তু বদলায় না রোহিঙ্গাদের ভাগ্য। প্রতিশ্রুতির পরও যখন শূন্য প্রত্যাবাসন, তখন প্রশ্ন একটাই- আর কত অপেক্ষা?

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।