খুঁজুন
, ,

বিএনপিকে জামায়াতের আমির

‘আপনাদের নাম ছিল জাতীয়তাবাদী দল, এখন মানুষ বলে চাঁদাবাজি দল’

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
‘আপনাদের নাম ছিল জাতীয়তাবাদী দল, এখন মানুষ বলে চাঁদাবাজি দল’
শেয়ার করুন

চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি দমনে বিএনপির ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে দলটির কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের নেতা বলেছিলেন দুর্নীতিকে টুঁটি চেপে ধরবেন। আপনারা ক্ষমতায় এসেই বললেন- যদি সমঝোতার ভিত্তিতে কিছু নেওয়া হয় এটা চাঁদা হবে না। ধিক্কার জানাই। আজকে আপনাদের পরিচয় হয়েছে। আপনাদের নাম ছিল জাতীয়তাবাদী দল। এখন মানুষ বলে চাঁদাবাজি দল। একজন চাঁদাবাজকেও আপনারা কবজায় আনেন নাই, জনগণ বিশ্বাস করতে বাধ্য হবে- মাথা থেকে পায়ের পাতা সবাই চাঁদাবাজ। নাহলে কেন চাঁদাবাজি বন্ধ হচ্ছে না? সব জায়গায় কেন দুর্নীতির মহোৎসব চলছে? গায়ের জোড়ে সব জায়গায় রাজনৈতিক দখলবাজি কেন চলছে?

 

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দানে বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘব এবং পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে রাজশাহীতে এই বিভাগীয় সমাবেশ করে ১১ দলীয় ঐক্য।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকে অযোগ্য লোক নিয়োগের অভিযোগ তুলে জামায়াতের আমির বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো সেন্ট্রাল ব্যাংকের জায়গাটাও আপনারা ঠিক রাখলেন না। সেখানে একজন দলকানা লোককে, অযোগ্য লোককে আপনারা বসায় দিলেন।

 

 

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয়করণের সমালোচনা করে তিনি বলেন, একদিকে আপনারা বলবেন অতীতে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগের কারণে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মান রক্ষা করতে পারে নাই, বিশ্বমানে আসতে পারে নাই। আবার আপনারা দক্ষ ভিসি, প্রো-ভিসি, প্রক্টর, প্রভোস্ট সবাইকে সরিয়ে দিয়ে দলকানা লোকদেরকে সেখানে বসাবেন। জাতির সাথে এটি হচ্ছে প্রহসন। এই অবস্থা যদি অব্যাহত থাকে, প্রশাসনে যদি নিবেদিত প্রাণ, দেশপ্রেমিক দক্ষ যোগ্য মানুষদেরকে তালপট্টিতে, খাল-বিলে পাঠিয়ে দিয়ে দলকানাদেরকে অযোগ্যদের জায়গায় বসানো হয়, মনে রাখবেন এর খেসারত শুধু জাতি দেবে না, এর আগে আপনাদেরকে দিতে হবে।

 

জামায়াতের আমির বলেন, আওয়ামী লীগের প্রথম সরকার মাত্র ১৫ দিনের জন্য ফারাক্কা বাঁধ চালানোর সুযোগ দিয়েছিল, কিন্তু ৫৫ বছরেও সেই ১৫ দিন শেষ হয় নাই। ইতিমধ্যে পদ্মা শুকনা মৌসুমে মরুভূমি আর বর্ষায় দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারকে সাধুবাদ জানাই। তারা পদ্মা ব্যারাজের ঘোষণা দিয়েছেন, কিন্তু এটা যেন শুধু লোক দেখানো না হয়। তার পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনা অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে।

 

শফিকুর রহমান বলেন, এই দেশ ২০ কোটি মানুষের। আমাদের সকলকে একজন সাচ্চা পাহারাদার হয়ে দাঁড়াতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে হবে। কেউ আমার এই অধিকার দয়া করে, আমার পকেটে এনে দেবে না, লড়াই করে অধিকার আদায় করবো ইনশাআল্লাহ। কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। বন্ধু ভয় দেখাবেন না, যাদের নেতারা হাসতে হাসতে ফাঁসির তক্তার ওপরে দাঁড়াতে পারে তাদেরকে কোনো কিছুর ভয় দেখাবেন না। আমাদের নেতৃবৃন্দ জনগণের মুক্তির রাস্তা রচনা করে গিয়েছেন।

 

 

তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ আমাদের প্রতিবেশী। প্রতিবেশীকে সম্মান করি। আমরা চাই না ধর্মের ভিত্তিতে সেখানে বিভাজন এবং অশান্তি হোক। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি সেখানে শুধু মুসলিম পরিচয়ে মানুষকে নাজেহাল করা হচ্ছে। বাংলাদেশের দিকে লাল চোখ দেখানো হচ্ছে। বন্ধু এটা তিতুমীরের বাংলাদেশ, হাজী শরীয়তুল্লাহর বাংলাদেশ, শাহ মাখদুমের বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশের দিকে চোখ রাঙ্গাবেন না। আমরা চাই আমরাও শান্তিতে থাকি, আপনারাও শান্তিতে থাকুন। আপনারা শান্তি নিয়ে টান দিলে কারো শান্তিই থাকবে না। আমরা বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাবো, সেখানে যে মানবিক বিপর্যয় চলছে সেই ব্যাপারে আপনাদের পদক্ষেপ দেখতে চাই।

 

শফিকুর রহমান বলেন, এই দেশ মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলের। যারাই জন্মগ্রহণ করবে তারা সমান মর্যাদার ভিত্তিতে নাগরিক অধিকার ভোগ করবে। এটাই বাংলাদেশের ঐতিহ্য। আমাদের ঐতিহ্যের দিকে কেউ যেন কালো হাত না বাড়ায়। যদি বাড়ায় তাহলে ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত তা রুখে দেবে ইনশাআল্লাহ।

 

দেশের অর্থনীতি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যাংক বীমা কর্পোরেশন লুটপাট করা হয়েছে, বেকারদের মিছিল বাড়ছে। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো এখন চর্চা হয় ৫৫ বছর আগে কে কি ছিল না ছিল সেই বাহাদুর দেখানো নিয়ে। যার যে ভূমিকা ছিল আমরা তার জন্য স্যালুট জানাই। কিন্তু একটা জাতি যদি চিংড়ি মাছের মত শুধু পেছনের দিকে তাকায়, এই জাতি জীবনেই এগিয়ে যেতে পারবে না। ইতিহাস চর্চা করব ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য। আমাদের অনেক সমস্যা, বাংলাদেশের চার ভাগের এক ভাগ পদ্মা এবং তিস্তার কারণে এখন প্রায় মরুভূমি হয়ে গিয়েছে।

 

জামায়াতের আমির বলেন, বিএনপির নেতা বর্তমান একজন মন্ত্রী নির্বাচনের আগে তিস্তা পাড়ে বিশাল আয়োজন করেছিলেন নির্বাচনী আমেজ তৈরি করার জন্য। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই কারো রক্ত চক্ষুর দিকে না তাকিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনা অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে।

 

তিনি বলেন, পদ্মায় পানি আনতে হবে, এটা আমাদের ন্যায্য পাওনা। সারা বাংলাদেশে ১৫৪টা অভিন্ন নদী মৃতপ্রায় হয়ে গিয়েছে। নদী যদি ঠিক মত না চলে তাইলে খালের পানি আসবে কোত্থেকে? আগে নদীর দিকে নজর দেন, সাথে সাথে খালের দিকেও নজর দেন। আমরা চাই নদীও তার নাব্যতা ফিরে পাক, আর খাল কাটা কর্মসূচিও বাস্তবে মুখ দেখুক। সরকার ইতোমধ্যে যে অপকর্মগুলো করেছে, ১৬টা অধ্যাদেশ যা সুশাসনের জন্য জরুরি ছিল সেগুলো তারা ফেলে দিয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন না করলে আমাদের আন্দোলন সংসদে এবং রাজপথে একই সাথে চলবে। গণভোটের রায়ও বাংলাদেশে ইনশাআল্লাহ বাস্তবায়ন করতে বাধ্য করা হবে।

 

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রাজশাহী অঞ্চল পরিচালক এবং

সিরাজগঞ্জ-৪ এর সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। বিভাগীয় এ সমাবেশে ১১ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জুতো পালিশ থেকে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট, যেভাবে লুলার উত্থান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
জুতো পালিশ থেকে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট, যেভাবে লুলার উত্থান
শেয়ার করুন

ছোটবেলায় পরিবারের অভাব মেটাতে জুতো পালিশ করেছেন, রাস্তায় বিক্রি করেছেন চীনাবাদাম। জীবনের আরেক পর্যায়ে কারখানায় কাজ করতে গিয়ে হারিয়েছেন বাঁ হাতের কনিষ্ঠ আঙুল। শ্রমিকের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেমে জেলেও গেছেন। একসময় দুর্নীতির মামলায় কারাবন্দি হয়েছিলেন। সেই মানুষটিই বারবার ফিরে এসেছেন রাজনীতির ময়দানে।

এবার চতুর্থবারের মতো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ডানপন্থি ফ্লাভিও বলসোনারোকে হারিয়ে আবারও দেশটির ক্ষমতায় ফিরেছেন ৮০ বছর বয়সী এই বামপন্থি নেতা।

তার বিজয়ের মাধ্যমে ব্রাজিলে ফিরলো বাম-ধারা। যেন ‘রক্ষা’ পেল লাতিন আমেরিকার ‘শেষ বাম-দুর্গ’।

বিবিসির তথ্য বলছে, এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো নির্বাচনে জয় পেলেন লুলা। ২০০৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় ফেরেন।

টঙ্গীর সেই শিশুর বাবা রুমি দেশ ছেড়েছেন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ
টঙ্গীর সেই শিশুর বাবা রুমি দেশ ছেড়েছেন

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

শেয়ার করুন

টঙ্গীর একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের ঘটনায় আলোচনায় আসা শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি দেশ ছেড়েছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে রুমির পরিবার। তবে তিনি কোন দেশে গেছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পরিবারের সূত্রের দাবি, তিনি এখন বাংলাদেশে নেই এবং এ ঘটনা নিয়ে আর ভাবছেন না।

এর আগে, গত ২১ অক্টোবর টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিনকে মারধর করেন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি। পরে ওই শিক্ষককে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে শাহজালাল রুমি টঙ্গী পশ্চিম থানায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মামলা করেন।

এদিকে, মাদ্রাসার অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে রুমির বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করা হয়। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে ১৭ লাখ টাকা চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পাল্টা মামলা হওয়ার পর থেকে রুমি আড়ালে চলে যান বলে জানা গেছে।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে এর আগে রুমি বলেছিলেন, একজন আলেম হয়েও তিনি মিথ্যা বলেছেন এবং এখনো বলে যাচ্ছেন বলে তার অভিযোগ।

তবে রুমির দেশ ছাড়ার খবর, তার বর্তমান অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর সর্বশেষ অবস্থা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে খোকন চেয়ারম্যানের প্রতিবাদ, শিলখালীতে উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৮ পূর্বাহ্ণ
চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে খোকন চেয়ারম্যানের প্রতিবাদ, শিলখালীতে উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালীতে সরকারি দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও ঠিকাদারের ওপর হামলার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন। তাঁর দাবি, নির্মাণকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে ঠিকাদার আবু বকর ছিদ্দিকের সঙ্গে তাঁর তর্ক হয়। তবে তাঁর বিরুদ্ধে আনা চাঁদা দাবি ও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

 

খোকন চেয়ারম্যানের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় কয়েকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি সরেজমিনে নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রকল্পে ২ নম্বর কংকর ও সাগরের লবণাক্ত পানি ব্যবহার করে ঢালাইয়ের কাজ করার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। নির্মাণকাজের এসব অনিয়মের বিষয় তুলে ধরার পর ঠিকাদারের সঙ্গে তাঁর তর্ক হয় বলে জানান খোকন।

 

প্রকল্পের তথ্য

 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সাইনবোর্ডে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, ‘দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালীতে আশ্রয়কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

 

প্রকল্পের প্যাকেজ নম্বর DDM/MKP-RCN-021 এবং টেন্ডার আইডি 861512। সাইনবোর্ডে প্রকল্পটির প্রাক্কলিত মূল্য ৭ কোটি ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৫২৫ টাকা এবং চুক্তিমূল্য ৬ কোটি ৮৭ লাখ ৯৮ হাজার ৩২৭ টাকা উল্লেখ রয়েছে।

 

সাইনবোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নির্মাণকাজ শুরুর তারিখ ১৯ মে ২০২৪ এবং কাজ সমাপ্তির নির্ধারিত তারিখ ৩০ জুন ২০২৭। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ রয়েছে এস. অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা লিমিটেড, সদর, খাগড়াছড়ি।

 

আগের প্রকল্পেও অনিয়মের অভিযোগ

 

প্রতিবাদলিপিতে খোকন চেয়ারম্যান আরও দাবি করেন, এর আগে শামলাপুর বাজারে নির্মিত একটি সরকারি ভবনের কাজেও অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় তিনি শনাক্ত করেছিলেন। ওই ভবনের কংকর ও ঢালাইসহ বিভিন্ন কাজের মান নিয়ে আপত্তি তুলে অনিয়মের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।

 

উত্তর শীলখালীর আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ তোলার কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে বলে দাবি করেন খোকন চেয়ারম্যান। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।