খুঁজুন
, ,

কক্সবাজার শহর ছাত্রদলের কমিটিতে নেতৃত্বের আলোচনায় কে এই রানা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
কক্সবাজার শহর ছাত্রদলের কমিটিতে নেতৃত্বের আলোচনায় কে এই রানা
শেয়ার করুন

কক্সবাজার শহর ছাত্রদলের সভাপতি পদকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংগঠনটির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচিত নাম রহিম উল্লাহ খান রানা।

 

কক্সবাজার শহর ছাত্রদলের আওতাধীন ১১নং ওয়ার্ড (দক্ষিণ বাহারছড়া) ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে হাতেখড়ি দীর্ঘপথ চলায় সিটি কলেজ ছাত্রদলের আওতাধীন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সভাপতি, পরবর্তীতে সিটি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, এরপর শহর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কসহ ২০২১ সালে তারেক রহমান সারা বাংলাদেশের দপ্তর সম্পাদক নিয়ে যে কর্মশালা করেছিলো।

 

সেখানে কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের দায়িত্ব প্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক হয়েছিলেন। সে সিটি কলেজ থেকে ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সাথে অনার্স শেষ করে মাস্টার্স ফাইনাল সম্পন্ন করেছে। দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা, নেতাকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের কারণে তিনি সভাপতি পদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন।

 

শহরের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে তরুণ ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের প্রত্যাশা রয়েছে তৃণমূলের। সেই জায়গা থেকে রহিম উল্লাহ খান রানাকে অনেকেই যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় উপস্থিতি এবং সংগঠনের প্রতি তার দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা তাকে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রেখেছে বলে মনে করছেন অনেকে।

 

নেতাকর্মীদের ভাষ্য, রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়েও মাঠে সক্রিয় ছিলেন রানা। বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, ছাত্রদের অধিকার আদায় এবং দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি সাধারণ কর্মীদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে নতুন কমিটি গঠনের আলোচনা সামনে আসতেই সভাপতি পদে তার নাম ঘিরে জল্পনা বাড়তে থাকে।

 

তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। দলীয় সূত্র বলছে, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও সাংগঠনিক মূল্যায়নের ভিত্তিতেই নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হবে।

 

 

২৮ অক্টোবর, ২০২৩ ঢাকা বিএনপির শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশে পুলিশের নগ্ন হামলার প্রতিবাদে ও আগামীকাল সকাল সন্ধ্যা হরতাল সমর্থনে কক্সবাজার শহর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রহিম উল্লাহ খান রানার নেতৃত্বে সবপ্রথম তাৎক্ষণিক ঝটিকা মিছিল বের হয়। স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের বিপক্ষে রানা’র রাজপথের ভূমিকা ছিলো চোখে পড়ার মতোন।

 

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনেও তার ভূমিকা ছিলো প্রশংসনীয়। তারপরও তৃণমূল পর্যায়ে রহিম উল্লাহ খান রানাকে ঘিরে যে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি হয়েছে, তা কক্সবাজার শহর ছাত্রদলের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ছাত্রসংগঠনে গ্রহণযোগ্য ও মাঠকেন্দ্রিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হলে সংগঠনের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে। আর সেই আলোচনায় বর্তমানে অন্যতম পরিচিত নাম রহিম উল্লাহ খান রানা।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।