খুঁজুন
, ,

আরেকটি মেসি পেতে অপেক্ষা করতে হবে ৪ লাখ বছর!

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
আরেকটি মেসি পেতে অপেক্ষা করতে হবে ৪ লাখ বছর!
শেয়ার করুন

৩৯ বছর বয়সেও লিওনেল মেসি ফুটবল বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে তাঁর দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড গড়ে মিরোস্লাভ ক্লোসা-কে ছাড়িয়ে যাওয়ার পর, রোসারিওর এই তারকা আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন। এবার একটি গাণিতিক পরিসংখ্যান তাঁর আধিপত্যের আরেকটি ব্যাখ্যা তুলে ধরেছে।

 

বিজ্ঞানবিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা ও গণিতের শিক্ষার্থী হাভিয়ের গিরোনজা, যার ইনস্টাগ্রামে ৫৩,৪০০-এর বেশি অনুসারী রয়েছে, একটি বিশ্লেষণ প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি দেখান যে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি ফুটবল লিগে গোল ও অ্যাসিস্টের অনুপাতে মেসি ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়।

 

 

গিরোনজা বলেন, ‘গাণিতিকভাবে দেখলে মেসির অস্তিত্ব থাকার কথা নয়।’

তিনি ব্যাখ্যা করেন, ‘এখানে আপনি শীর্ষ পাঁচটি ফুটবল লিগের খেলোয়াড়দের প্রতি ৯০ মিনিটে গোল ও অ্যাসিস্টের বণ্টন দেখতে পাচ্ছেন। এটি প্রায় একটি নিখুঁত বেল-কার্ভ তৈরি করেছে। গড় হলো প্রতি ম্যাচে ০.৩৫ গোল বা অ্যাসিস্ট এবং স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশন ০.১৯। সেরা খেলোয়াড়রা সাধারণত গড় থেকে চার স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশন দূরে থাকে। কিন্তু মেসি ছয় স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশন দূরে। এর অর্থ হলো প্রতি ৫৭ কোটি এলিট খেলোয়াড়ের মধ্যে মাত্র একজন মেসির মতো হতে পারে।’

 

এরপর তিনি আরও যোগ করেন, ‘পরিসরের ধারণা দিতে বলি, ১৯৫০-এর দশক থেকে আজ পর্যন্ত লা লিগা, প্রিমিয়ার লিগ, বুন্দেসলিগা, লিগ ওয়ান এবং সেরি আ-তে মোট প্রায় ৬০ হাজার খেলোয়াড় খেলেছেন। সেই হিসাবে নতুন একজন মেসিকে দেখতে আমাদের ৪ লক্ষ বছরেরও বেশি অপেক্ষা করতে হতে পারে।’

 

তবে এই বিশ্লেষণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অনেকেই মন্তব্য করেন যে হিসাবটি পুরোপুরি নিখুঁত নয়, কারণ এতে গোলরক্ষক, ডিফেন্ডার এবং এমন মিডফিল্ডারদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাদের মূল কাজ গোল বা অ্যাসিস্ট করা নয়।

 

একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘মেসি অন্য সবার আগে খেলা পড়তে পারে। ফাঁকা জায়গা, মুভমেন্ট, শরীরের অবস্থান, রিবাউন্ড—সবকিছু সে আগে বুঝে ফেলে। এ কারণেই তার মতো খেলোয়াড়ের কোনো সীমা নেই।’

 

আরেকজন বলেন, :আমরা সৌভাগ্যবান যে মেসি আমাদের সময়ের খেলোয়াড়।’

 

অন্য একজন মন্তব্য করেন, ‘নমুনা নির্বাচন ভুল হয়েছে। আপনি গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদেরও অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং তাদের গোল ও অ্যাসিস্টের ভিত্তিতে তুলনা করেছেন। মিডফিল্ডার ও ফরোয়ার্ডদের নিয়ে আবার বিশ্লেষণ করলে আরও নির্ভুল হবে। তবুও ভিডিওটি দারুণ, আর মেসিই সর্বকালের সেরা।’

 

মেসির ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান

ক্যারিয়ারে মেসি মোট ১,১৫৯ ম্যাচে ৯১৭টি অফিসিয়াল গোল (প্রতি ম্যাচে ০.৭৯) এবং ৪১৪টি অ্যাসিস্ট (প্রতি ম্যাচে ০.৩৬) করেছেন।

 

বর্তমানে তিনি আরেকটি ঐতিহাসিক মাইলফলকের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন—১,০০০ গোলের রেকর্ড। এখন পর্যন্ত কোনো ফুটবলার এই সংখ্যা স্পর্শ করতে পারেননি। এ ক্ষেত্রে তাঁর সবচেয়ে কাছের প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, যার রয়েছে ১,৩২৮ ম্যাচে ৯৭৫ গোল।

 

পেনাল্টিতে মেসির তুলনামূলক দুর্বলতা নিয়ে ভিডিওর শেষে গিরোনজা আরেকটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন, যেখানে মেসির পারফরম্যান্স গড়ের নিচে দেখা যায়—পেনাল্টি শট।

 

তিনি বলেন, বিশেষ করে পেনাল্টিতে মেসি গড়ের তুলনায় এক স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশন নিচে অবস্থান করছে। এত প্রতিভাবান একজন খেলোয়াড় কীভাবে স্থির থাকা একটি বলকে আঘাত করার ক্ষেত্রে সেরা হতে পারেন না? এর উত্তর গণিত ও গেম থিওরির সঙ্গে সম্পর্কিত।’

 

তবে তিনি এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা পরবর্তী ভিডিওতে দেওয়ার কথা জানান।

 

ক্যারিয়ারে মেসি মোট ১৬১টি পেনাল্টি নিয়েছেন, সফল হয়েছেন ১২৫টিতে, মিস করেছেন ৩৪টি, সফলতার হার: ৭৮%।

 

অন্যদিকে রোনালদো ২৩১টি পেনাল্টির মধ্যে ১৯৩টি গোল করেছেন, যার সফলতার হার ৮৩.৫৫%। তাই পেনাল্টির ক্ষেত্রে পর্তুগিজ তারকার পরিসংখ্যান মেসির চেয়ে কিছুটা ভালো।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।