খুঁজুন
, ,

নতুন করে শুরু করবো, এই হার থেকেই শিক্ষা নেবো

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ
নতুন করে শুরু করবো, এই হার থেকেই শিক্ষা নেবো
শেয়ার করুন

বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের অপ্রত্যাশিত বিদায়কে শেষ অধ্যায় হিসেবে দেখছেন না কার্লো আনচেলত্তি। নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে এই ব্যর্থতার মধ্যেই ভবিষ্যতের সম্ভাবনা দেখছেন ইতালিয়ান কোচ। তার ভাষায়, এটি ব্রাজিলের জন্য ‘নতুন চক্রের শুরু’।

 

 

অনেক বছর ধরেই প্রত্যাশার সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না ব্রাজিল। তবু গত আটটি বিশ্বকাপের প্রতিটিতেই তারা অন্তত কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল। এবার ১৯৯০ সালের পর প্রথমবার শেষ আটে ওঠার আগেই বিদায় নিতে হলো সেলেসাওদের।

 

 

সোমবার নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হারে ব্রাজিল। অতিরিক্ত সময়ে নেইমার পেনাল্টি থেকে একটি গোল শোধ করলেও সেটি হার এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না।

 

ম্যাচ শেষে আনচেলত্তি বলেন, ‘এই ফল স্বাভাবিকভাবেই সবাইকে হতাশ করেছে। তবে আমি মনে করি না আমরা খারাপ একটি বিশ্বকাপ খেলেছি। বরং ভালোই খেলেছি এবং আজকের ম্যাচটিও আমাদের জেতা উচিত ছিল।’

 

 

ব্রাজিলের হারের অন্যতম বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায় প্রথমার্ধে ব্রুনো গুইমারেসের পেনাল্টি মিস। এরপর শেষ দিকে জোড়া গোল করে নরওয়েকে জয়ের পথ দেখান হালান্ড। ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানির টনি ক্রুস ও আন্দ্রে শুর্লের পর তিনিই প্রথম ফুটবলার, যিনি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে এক ম্যাচে দুটি গোল করলেন।

 

পরিসংখ্যানও বলছে, ম্যাচটি ছিল সমানে সমান লড়াই। বলের দখলে এগিয়ে ছিল নরওয়ে, কিন্তু গোলের উদ্দেশে বেশি শট নিয়েছে এবং বেশি সুযোগ তৈরি করেছে ব্রাজিল। তবু সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার মূল্য দিতে হয়েছে তাদের।

 

এই ব্যর্থতায় হতাশ হলেও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা থেকে সরে আসার কোনো ইঙ্গিত দেননি আনচেলত্তি। ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ এই কোচ বলেন, ‘এ ধরনের পরাজয় মেনে নিতেই হয়। এটি নতুন একটি অভিজ্ঞতা। এখন আমাদের নিজেদের ধরে রাখতে হবে এবং আরও উন্নতির চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি না এটি শেষ। আমার বিশ্বাস, এটাই একটি নতুন চক্রের শুরু। বর্তমান স্কোয়াডের সামর্থ্য আছে অনেক দূর যাওয়ার। আজকের ম্যাচের ফল সেটি বদলে দেয় না।’

 

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের শিরোপাখরা আরও দীর্ঘ হলো। ২০০২ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার অপেক্ষা ২৮ বছরে গড়াবে। পাশাপাশি ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নকআউট পর্বে হতাশার ধারাও অব্যাহত থাকল। ২০০২ সালের ফাইনালে জার্মানিকে হারানোর পর ইউরোপের দলের বিপক্ষে বিশ্বকাপের নকআউটে টানা সপ্তম হার দেখল সেলেসাওরা।

 

তবু আশাবাদ হারাচ্ছেন না আনচেলত্তি। তার বিশ্বাস, এই ধাক্কাই ভবিষ্যতের সাফল্যের ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে।

 

তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজ হলো জাতীয় দলের জন্য কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যাওয়া, নিজেদের আরও উন্নত করা এবং নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করা। ফুটবলে জয়-পরাজয় থাকবেই। পরাজয়ের কষ্ট মেনে নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে হয়।’

 

দলের পারফরম্যান্স নিয়েও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘এই ফল অবশ্যই হতাশাজনক। আমরা সবাই কষ্ট পেয়েছি। কিন্তু ছেলেরা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়েছে। আমি মনে করি না এই ম্যাচে আমাদের হারার কথা ছিল। তবু ফুটবলে এমনটা ঘটে। এই হতাশাকে শক্তিতে পরিণত করেই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’

মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদ্রাসায় নিজের কন্যাশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পর ‘ভবিষ্যতের চিন্তায়’ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন শাহজালাল রুমি। পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগে তিনি বাসা ছেড়েছেন বলে জানিয়েছেন ভবনটির কেয়ারটেকার। তবে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ তিনি বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, তা জানা যায়নি।

ভবনটির কেয়ারটেকার জানান, টঙ্গীর মাদ্রাসায় ওই ঘটনার পর থেকেই রুমি হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করছিলেন। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কায়ও ছিলেন তিনি। স্ত্রী, দুই সন্তান এবং শ্বশুর-শাশুড়ির নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন রুমি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) টঙ্গীতে রুমির বাসায় গিয়ে দরজায় তালা দেখা যায়। কেয়ারটেকার হাবিবুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, গত দুই থেকে তিন দিন ধরে ভয়ের কারণে রুমির পরিবারের সদস্যরা বাসায় থাকছেন না।

 

হাবিবুর রহমান আরও জানান, যে মেয়েটির সঙ্গে এসব ঘটেছে, সেও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। রুমি এখন মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আছেন বলে আমাদের জানিয়ে গেছেন।

রুমি পেশায় একজন ফেব্রিক ব্যবসায়ী। পাশাপাশি বডি বিল্ডিংয়ের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। ঢাকায় ব্যবসার সুবাদে তিনি তার বাবার ফ্ল্যাটে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন। তার এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মেয়ের বয়স আট বছর এবং ছেলের বয়স চার বছর। রুমির শ্বশুরের নাম হাজি মোহাম্মদ মোকাররম আলী।

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রুমি এবং তার পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। রুমি ফেসবুক লাইভে একাধিকবার তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। বিভিন্ন ব্যক্তি তাকে হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

 

পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি দুই শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সন্তানদের ভালোভাবে পড়াশোনা করিয়ে মানুষ করার স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন রুমি। কিন্তু সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা কখনো কল্পনাও করেননি বলে তার বক্তব্যে উঠে এসেছে।

 

ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকে রুমি ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে অভিযোগের পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে হুমকি ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

 

পাল্টাপাল্টি মামলা, তদন্তে পুলিশ

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। একটি মামলা করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং অন্যটি করেছেন শিশুটির বাবা রুমি। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও বক্তব্য সামনে এসেছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মামলায় অর্থ আত্মসাৎ, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে, রুমি তার মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চেয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

 

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন বলেন, ‘দুটি মামলাই আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে পুরো বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

 

তদন্তের স্বার্থে মামলার বিস্তারিত বিষয়ে আপাতত কিছু জানাতে চাননি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা।

 

মাদ্রাসা ও রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়

 

ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোচনায় আসার পর থেকে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা এবং রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঘটনার প্রকৃত তথ্য, দুই পক্ষের বক্তব্য এবং তদন্তের অগ্রগতি জানতে সাংবাদিকেরা সেখানে যাচ্ছেন।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা
শেয়ার করুন

অনলাইন সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাম নিউজে টার্মিনালকেন্দ্রিক ইয়াবা সিন্ডিকেট নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের একাংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা।

 

এক প্রতিবাদলিপিতে শহিদুল মোস্তফা বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর ছবি ব্যবহার করে ইয়াবা সিন্ডিকেটের সঙ্গে তাঁকে সম্পৃক্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি তাঁর নজরে আসার পর তিনি বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

 

শহিদুল মোস্তফা জানান, তিনি মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী। পাশাপাশি তিনি পশ্চিম লারপাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মসজিদ পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সদস্য এবং লারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।

 

প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেন, এ ধরনের গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে কারও নাম বা ছবি ব্যবহারের আগে তথ্য ও পরিচয় যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত সুনাম ও পেশাগত অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

শহিদুল মোস্তফা টেলিগ্রাম নিউজ কর্তৃপক্ষকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য ও ছবি পুনরায় যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

প্রতিবাদকারী:

শহিদুল মোস্তফা

স্বত্বাধিকারী, মুনজারিন টাইলস।

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।