খুঁজুন
, ,

বিশ্বকাপ ফাইনালের রেফারি একসময় ছিলেন বাংলাদেশের তৈয়েব হাসানের সহকারী

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
বিশ্বকাপ ফাইনালের রেফারি একসময় ছিলেন বাংলাদেশের তৈয়েব হাসানের সহকারী
শেয়ার করুন

স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার হাইভোল্টেজ বিশ্বকাপ ফাইনালকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে যখন উন্মাদনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য ভেসে এলো এক দারুণ খবর। ফুটবল বিশ্বকাপের এই পরম আরাধ্য ফাইনালে চতুর্থ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালনের ঐতিহাসিক গৌরব অর্জন করেছেন জর্ডানের আদহাম মাখাদমেহ। আর এশিয়ার এই রেফারির বিশ্বমঞ্চে পৌঁছানোর গল্পের সাথে জড়িয়ে গেছে বাংলাদেশের রেফারিং ইতিহাসের প্রবাদপুরুষ তৈয়েব হাসানের নাম।

 

​ইতিহাসের পাতা উলটালে দেখা যায় এক রোমাঞ্চকর সংযোগ। আজ থেকে ঠিক তেরো বছর আগে, ২০১৩ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে বসেছিল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের আসর। তৎকালীন সময়ে প্রথম দক্ষিণ এশিয়ান রেফারি হিসেবে সেই ঐতিহাসিক ফাইনালে প্রধান রেফারির দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাংলাদেশের ফিফা এলিট রেফারি তৈয়েব হাসান শামসুজ্জামান। আর সেই ম্যাচে তার অধীনে চতুর্থ রেফারি হিসেবে মাঠের সাইডলাইনে দায়িত্ব পালন করেছিলেন জর্ডানের আজকের এই বিশ্বকাপ ফাইনালের রেফারি আদহাম মাখাদমেহ। সাফের মঞ্চে বাংলাদেশের তৈয়েব হাসানের সহকারী হিসেবে কাজ করা সেই তরুণ রেফারিই আজ যোগ্যতা ও দক্ষতার সিঁড়ি বেয়ে পা রাখলেন বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরের ফাইনালে।

 

​সাবেক সহকর্মীর এই অনন্য অর্জনে উচ্ছ্বসিত তৈয়েব হাসান বলেন, আদহাম মাখাদমেহর এই সাফল্য এশিয়ার রেফারিংয়ের জন্য এক বিশাল গৌরবের। খবরটি শোনার পর থেকেই আমার ২০১৩ সালের সাফ ফাইনালের কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল। তখন ও খুব তরুণ ছিল, কিন্তু ওর মনোযোগ আর শেখার আগ্রহ ছিল দেখার মতো।

আমার অধীনে ও সেদিন চতুর্থ রেফারি হিসেবে কাজ করেছিল, আর আজ ও নিজেই বিশ্বকাপের মতো বিশ্বসেরা মঞ্চের ফাইনালে দাঁড়িয়ে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করবে— একজন অগ্রজ এবং সাবেক সহকর্মী হিসেবে এর চেয়ে আনন্দের আর কিছু হতে পারে না। আমি বিশ্বাস করি, আদহামের এই উত্থান আমাদের এই অঞ্চলের তরুণ রেফারিদের মনে আত্মবিশ্বাস জোগাবে, যে সঠিক পরিশ্রম আর সততা থাকলে সাফের আঙিনা থেকে উঠে এসেও একদিন বিশ্বকাপের ফাইনালে রাজত্ব করা সম্ভব।

 

 

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলো ছড়ানো এই কিংবদন্তি রেফারি তৈয়ব হাসান পেশায় একজন শিক্ষক। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুনামের সাথে ম্যাচ পরিচালনা করলেও শেকড়ের টানে নিজের জেলা সাতক্ষীরাতেই তার বেশিরভাগ সময় কাটাতে হয়।

 

​যদিও এখন পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ার কোনো রেফারি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত আসরে ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পাননি, তবে তৈয়েব হাসান বিশ্বমানের রেফারিদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এশিয়ান স্তরের একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। বাংলাদেশের রেফারিং জগতে তৈয়েব হাসান এক অনন্য মাইলফলক। দেশের ইতিহাসে তিনিই সর্বাধিক আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনা করার গৌরব অর্জন করেছেন। এছাড়াও দীর্ঘ ১৮ বছর ফিফা রেফারি এবং ১০ বছর এএফসি এলিট প্যানেলে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

 

​মাঠে নিখুঁত রেফারিং এবং মাঠের বাইরে অনন্য জনহিতকর কর্মকাণ্ডের জন্য তৈয়েব হাসান স্বয়ং ফিফা ও এএফসি প্রেসিডেন্টদের কাছ থেকে প্রশংসা ও সম্মাননা লাভ করেছেন। এশিয়ান ফুটবলে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে তাকে মর্যাদাপূর্ণ এএফসি মোমেন্টো রেফারিজেস অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করা হয়। দেশের মুখ উজ্জ্বল করা এই কৃতী রেফারিকে রাষ্ট্রও দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান। ক্রীড়াক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার। এছাড়াও বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীবৃন্দের কাছ থেকেও তিনি একাধিকবার রাষ্ট্রীয় পদক ও সম্মাননা গ্রহণ করেছেন।

 

 

​স্পেন-আর্জেন্টিনার ফাইনালে যখনই চতুর্থ রেফারি আদহাম মাখাদমেহকে দেখা যাবে, তখনই বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা গর্বের সাথে স্মরণ করবেন তৈয়েব হাসানকে। মাখাদমেহর এই বিশ্বমঞ্চের যাত্রা প্রমাণ করে, তৈয়েব হাসানের দেখানো পথ ধরেই এশিয়ার রেফারিং আজ অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা
শেয়ার করুন

অনলাইন সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাম নিউজে টার্মিনালকেন্দ্রিক ইয়াবা সিন্ডিকেট নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের একাংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা।

 

এক প্রতিবাদলিপিতে শহিদুল মোস্তফা বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর ছবি ব্যবহার করে ইয়াবা সিন্ডিকেটের সঙ্গে তাঁকে সম্পৃক্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি তাঁর নজরে আসার পর তিনি বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

 

শহিদুল মোস্তফা জানান, তিনি মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী। পাশাপাশি তিনি পশ্চিম লারপাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মসজিদ পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সদস্য এবং লারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।

 

প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেন, এ ধরনের গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে কারও নাম বা ছবি ব্যবহারের আগে তথ্য ও পরিচয় যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত সুনাম ও পেশাগত অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

শহিদুল মোস্তফা টেলিগ্রাম নিউজ কর্তৃপক্ষকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য ও ছবি পুনরায় যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

প্রতিবাদকারী:

শহিদুল মোস্তফা

স্বত্বাধিকারী, মুনজারিন টাইলস।

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।