খুঁজুন
, ,

আ.লীগের সঙ্গে ‘আঁতাত’, বিএনপি-জামায়াতের পারস্পরিক সন্দেহের নেপথ্যে কী

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
আ.লীগের সঙ্গে ‘আঁতাত’, বিএনপি-জামায়াতের পারস্পরিক সন্দেহের নেপথ্যে কী
শেয়ার করুন

রাজনীতিতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাসের নতুন মাত্রা তৈরি হচ্ছে আওয়ামী লীগকে ঘিরে।

 

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাতের অভিযোগ তুলছে বিএনপি। কিন্তু সংবিধান সংশোধন ও জুলাই সনদ নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের মতবিরোধের মধ্যেই এমন অভিযোগ কেন সামনে এলো?

 

এটি কি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফিরে আসার আশঙ্কা থেকে, নাকি জামায়াতকে সমঝোতায় আনার পরোক্ষ কোনো রাজনৈতিক চাপ এটি?

 

একসময় বিএনপি ও জামায়াত আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একসঙ্গে রাজনীতি করেছে। কখনো চারদলীয় জোট, কখনো বিশ দলীয় জোট; দুই দলের সম্পর্ক ছিলো দীর্ঘদিনের। খবর বিবিসির।

 

এখন বিএনপি ক্ষমতায়, আর জামায়াত বিরোধী দলে।

 

এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি অভিযোগ করছে, সরকারকে অস্থিতিশীল করতে জামায়াত আর আওয়ামী লীগ একসঙ্গে হয়েছে। জামায়াত অভিযোগ অস্বীকার করছে।

 

তাহলে এ অভিযোগের পেছনে কী আছে, আর বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগকে ঘিরে বিতর্কই বা কেন আবার সামনে আসছে?

 

আঁতাত নিয়ে পালটাপালটি বক্তব্যে বিএনপি-জামায়াত

 

রাজনীতিতে বিএনপি ও জামায়াতের সম্পর্ক নতুন নয়। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠন করেছিল জামায়াতের সমর্থন নিয়ে।

 

পরে ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারে জামায়াত ছিলো গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পান জামায়াতের শীর্ষ দুই নেতা।

 

এছাড়া বিএনপি যখন ক্ষমতার বাইরে সেই সময়ও বছরের পর বছর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে বিএনপি-জামায়াতকে একসঙ্গে দেখা গেছে।

 

কিন্তু এখন বিএনপি অভিযোগ করছে, জামায়াত-আওয়ামী লীগ একসঙ্গে হচ্ছে।

 

সম্প্রতি রাজশাহীতে এক জনসভায় জামায়াতকে ইঙ্গিত করে খোদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাতের অভিযোগ করেন।

 

তিনি বলেন, আমাদের কাছে গোয়েন্দাদের খবর আছে। আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন দেশের কয়েকটি জায়গায় কয়েকটি কল-কারখানায় কিছু শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়েছে। পরিষ্কার গোয়েন্দাদের তথ্য আছে- যে স্বৈরাচার পালিয়ে গিয়েছে, তারা সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে। অর্থ সরবরাহ করে তারা কাদের সাহায্যে করছে? এই যে কতগুলো লোক আছে, একটি দল আছে যারা ভ্রান্তি ছড়ায় দেশের মধ্যে। যারা বিভিন্ন টিকিট বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে মিথ্যা কথা বলে এই দুই পক্ষ এক হয়েছে। একজন পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে, আরেকজন এখানে বসে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে।

 

প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর বিএনপির শীর্ষ নেতারাও এ ধরনের অভিযোগ তুলতে থাকেন। জামায়াতের নাম উল্লেখ করে সরকারি দলের বক্তব্যের পর অবশ্য জামায়াতও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখায়। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতার অভিযোগ নাকচ করে।

 

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামাত আঁতাত করবে, এটা কোনো পাগল কি বিশ্বাস করে? যারা জামায়াতের পাঁচজন শীর্ষ নেতার ফাঁসি দিল! যে আওয়ামী লীগ আমাদের অফিস বন্ধ রাখল! তাদের সঙ্গে কি আঁতাত হতে পারে?

 

একইসঙ্গে তিনি পালটা আওয়ামী লীগের সঙ্গেই বিএনপির আঁতাতের অভিযোগ আনেন।

 

আযাদ বলেন, আমাদের অফিস আওয়ামী লীগ সরকার দিনের পর দিন বন্ধ রেখেছিল। সারা দেশে কোথাও কোনো অফিস খুলতে পারি নাই। কই বিএনপির অফিস তো বন্ধ ছিল না। আওয়ামী লীগ আমাদের রাস্তায় দাঁড়াতে দিল না। কিন্তু তারা (বিএনপি) বছরের পর বছর দলীয় কার্যালয়ে বসে বসে সাংবাদিক সম্মেলন করল, অনুমতি নিয়ে মিছিল করল, মিটিং করল। এই ইতিহাস তো আমাদের নাই। আঁতাত তো তারা সরকার যাওয়ার আগেই করে বসে আছে।

ক্যান্সার ধরা পড়ার ‘১৫ মিনিটের মধ্যেই’ হিনাকে বিয়ে করেন প্রেমিক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
ক্যান্সার ধরা পড়ার ‘১৫ মিনিটের মধ্যেই’ হিনাকে বিয়ে করেন প্রেমিক
শেয়ার করুন

দীর্ঘ ১৩-১৪ বছরের প্রেমের সম্পর্ক, কিন্তু বিয়ের পরিকল্পনা ছিল না কখনোই। তবে মারণব্যাধি ক্যান্সার বদলে দিল জীবনের সব হিসাব।

অসুস্থতার খবর জানার পরই দীর্ঘদিনের প্রেমিক রকি জয়সওয়ালের সঙ্গে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অভিনেত্রী হিনা খান। আর সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবে রূপ নিতে সময় লেগেছিল মাত্র ১৫ মিনিটেরও কম!

সম্প্রতি টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার নতুন অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে হাজির হয়েছিলেন হিনা। সেখানেই নিজের বিয়ের পেছনের গল্প শোনান অভিনেত্রী। জানান, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক হলেও বিয়ে নিয়ে কখনো আলাদা করে পরিকল্পনা করেননি তারা।

কিন্তু ক্যান্সার ধরা পড়ার পর জীবনের অনিশ্চয়তা তাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে।

হিনা জানান, ২০২৫ সালের ৪ জুন মুম্বাইয়ে নিজেদের বাড়ির ছাদে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে করেন তারা। সে সময় তৃতীয় পর্যায়ের স্তন ক্যানসারের চিকিৎসা চলছিল অভিনেত্রীর। জীবনের কঠিন সেই সময়েই সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন দুজন।

অনুষ্ঠানে বিয়ের দিনের একটি ছবি দেখানো হলে পুরোনো স্মৃতিতে ফিরে যান হিনা। জানান, সিদ্ধান্তটি ছিল একেবারেই আকস্মিক। আগে থেকে বিয়ের কোনো প্রস্তুতি বা আয়োজন ছিল না তাদের। দীর্ঘ ১০ বছরের বেশি সময়ের সম্পর্ক একপর্যায়ে ১৩-১৪ বছরে গড়ায়। তবু বিয়ের কথা ভাবেননি তারা।

কেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত? এর ব্যাখ্যায় হিনা জানান, শারীরিকভাবে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় রকিকে দুটি বিকল্প দিয়েছিলেন তিনি। হয় তাকে ছেড়ে নিজের জীবন নতুন করে শুরু করতে হবে, পছন্দমতো কাউকে বিয়ে করতে হবে; নয়তো তাকেই বিয়ে করতে হবে। কারণ, পরদিন কী ঘটবে, সে নিশ্চয়তা তার কাছে ছিল না।

 

হিনার এই কথায় স্পষ্ট হয়ে ওঠে অসুস্থতার সময় জীবনের অনিশ্চয়তা এবং ভালোবাসার মানুষটিকে পাশে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা। তার প্রস্তাবে সম্মতি জানান রকিও। এরপর আর দেরি করেননি তাঁরা।

 

অনুষ্ঠানে সানিয়া মির্জা জানতে চান, তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সত্যিই কি মাত্র ১৫ মিনিটে শেষ হয়েছিল? উত্তরে হিনা জানান, ১৫ মিনিটও নয়, তার চেয়েও কম সময়ে সম্পন্ন হয়েছিল বিয়ের আয়োজন।

 

ক্যান্সারের মতো কঠিন বাস্তবতার মুখেও ভালোবাসা ও সম্পর্কের প্রতি এমন সিদ্ধান্ত হিনার জীবনের এক আবেগঘন অধ্যায় হয়ে রয়েছে। তার এই গল্প নতুন করে আবেগাপ্লুত করেছে ভক্তদের।

বললেন রুহুল কবির রিজভী গায়ের জোরে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন চায় বিরোধী দল

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৫১ অপরাহ্ণ
বললেন রুহুল কবির রিজভী গায়ের জোরে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন চায় বিরোধী দল
শেয়ার করুন

সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষা না করে ও আইন না মেনেই বিরোধী দল গায়ের জোরে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, জুলাই সনদে কিছু বিষয়ের জন্য সাধারণ আইন প্রয়োজন, তেমনি কিছু ক্ষেত্রে সংবিধান সংশোধনের প্রশ্ন জড়িত। সনদ বাস্তবায়ন করতে হলে তো একটা আইনি রূপ লাগবে। কিন্তু তারা সংবিধান সংশোধন না করেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চায়। তারা যেটা বলছে, তা গায়ের জোরে বাস্তবায়ন করতে হবে। এখানে কোনো আইনের দরকার নেই, সংবিধানের দরকার নেই।

গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর মান্ডা হায়দার আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। অবিভক্ত সবুজবাগ থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম শামসুল হুদা স্মরণে এ সভার আয়োজন করে মুগদা থানা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন।

রিজভী বলেন, জুলাই সনদে বিএনপি এবং আরও অনেক রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা আপত্তি রয়েছে। এগুলো আলোচনা করে আগে নিষ্পত্তি করি। কিন্তু তারা কোনো কথাই শুনতে চায় না।

 

​স্মরণসভায় মরহুম শামসুল হুদাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, শামসুল হুদা ছিলেন প্রায় ৪০ বছরের পরীক্ষিত ও বিনয়ী এক রাজনীতিক। কোনোদিন কারও সঙ্গে ঝগড়া করেননি বা সংঘর্ষে জড়াননি। আজকে যখন রাজনৈতিক অঙ্গনে মিথ্যাচার ও কলঙ্কলেপন বাড়ছে, তখন তার মতো অভিভাবকতুল্য নীতি-আদর্শে অটল নেতার অভাব আমরা তীব্রভাবে অনুভব করি।

ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মাহমুদের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ ইউনুস মৃধা, দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন প্রমুখ।

 

এর আগে সকালে রাজধানীর খামারবাড়িতে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রিজভী বলেন, জামায়াতের লংমার্চ করার যৌক্তিকতা কি তা জনগণ জানে না, আমরাও বুঝতে পারছি না। তেল, গ্যাসের সংকট কি বিএনপি সরকারের তৈরি করেছে? সরকার গ্যাস কি বাংলাদেশ থেকে পাচার করে দিয়েছে? এই সংকট আমেরিকা ও ইরানের যুদ্ধের কারণে। সরকার বিকল্প উৎস হিসেবে মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে গ্যাস আনা শুরু করেছে। সারা দেশে জ্বালানি সহনীয় পর্যায়ে চলে আসছে। এটাতে লংমার্চ কর্মসূচি দেওয়ার কিছু নেই।

তিনি বলেন, সরকার ইতিবাচক রাজনীতি শুরু করেছে। এতে বিরোধী দলের রাজনৈতিক শূন্যতা বা ঘাটতি তৈরি হয়েছে। মানুষের কাছে কিছু একটা দেখাতে হবে, এজন্য লংমার্চে কর্মসূচি দিয়েছে বিরোধী দল। এর কোনো যৌক্তিকতা নেই। জনগণের কাছেও গ্রহণযোগ্যতাও নেই।

টাকার লোভে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপির কিছু লোক: মির্জা আব্বাস

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
টাকার লোভে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপির কিছু লোক: মির্জা আব্বাস
শেয়ার করুন

বিএনপির কিছু লোক টাকার বিনিময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

তিনি বলেন, বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আসা শুরু করেছেন। আপনারা দয়া করে চোখ-কান খোলা রাখবেন, কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। টাকার বিনিময়ে আমাদের বিএনপির কিছু লোক তাদের আশ্রয় দিচ্ছেন। ইনশাআল্লাহ, সবাইকে একযোগে প্রতিহত করা হবে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর শাহজাহানপুরে ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

ভারতে অবস্থানরত কিছু আওয়ামী লীগ নেতার দেশে ফেরার গুঞ্জন নিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, আমরা শুনছি আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা ভারত থেকে এসে বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করছেন। আর আমাদের দলের ভেতরকার কিছু লোভী মানুষ টাকার লোভে তাদের আশ্রয় দিচ্ছে। সাফ কথা- বিএনপির যে শত্রু, সে আমারও শত্রু। দলের ভেতরের কেউ যদি এদের সহযোগিতা করেন, আমাদের জানাবেন, সাথে সাথে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, শত্রুপক্ষের মিত্ররা কখনো আমাদের বন্ধু হতে পারে না। খুব সাবধানে কাজ করতে হবে। বিএনপির নাম ভাঙিয়ে কেউ গায়ের রং বদলাতে চাইলে দল তাদের কোনো ছাড় দেবে না।

 

মির্জা আব্বাস বলেন, এক শ্রেণির লোক নিজেদের কোমরে জোর না পেয়ে আওয়ামী লীগের সাথে হাত মিলিয়ে বিভিন্ন জায়গায় মিছিল-মিটিং করার চেষ্টা করছে এবং দেশে একটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাইছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে কোনো বাধা নেই, আপনারা রাজনীতি করুন। কিন্তু অপকর্ম করলে বিএনপি নেতা-কর্মীরা তা হাত গুটিয়ে বসে দেখবে না, শক্ত হাতে প্রতিহত করবে।

 

এসময় দেশের কল্যাণে বিরোধীদলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।