খুঁজুন
, ,

জমি দখল ও ভাড়ার টাকা আত্মসাতে থানায় অভিযোগ

উখিয়ায় কনস্টেবল ছেলের প্রভাবেই নুরুল হকের বেপরোয়া সাম্রাজ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
উখিয়ায় কনস্টেবল ছেলের প্রভাবেই নুরুল হকের বেপরোয়া সাম্রাজ্য
শেয়ার করুন

 

কক্সবাজারের উখিয়ায় আওয়ামীলীগ সমর্থিত এক প্রভাবশালী ভূমিদস্যু ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে জমি জবরদখল, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ভাড়া আত্মসাৎ এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর ২০২৫) সকাল ১০টার দিকে পালংখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বালুখালী মরা গাছতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, বালুখালী শিয়ালিয়া পাড়ার নুরুল হক (৫৫) এবং তার ছেলে পুলিশ কনস্টেবল সালাহ উদ্দিন (২৮)সহ পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক অন্যের জমি দখল, ভাড়ার টাকা আত্মসাৎ ও নানা ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। এসব অভিযোগ তুলে একই এলাকার শামসুল আলম নামে এক ভুক্তভোগী উখিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জমিদারপাড়া এলাকার শামসুল আলম, নজু মিয়া ও কবির আহমেদ এই তিনজন ২০০৩ সালে ৫ একর বনজ জমি চাষাবাদ ও বনের উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করে জীবিকা অর্জনের উদ্দেশ্যে দখলীয় প্লট নেন।

পরবর্তীতে জমিটির প্রায় ৪ একর রোহিঙ্গা শিবিরের আওতাভুক্ত হয়ে যায়। অবশিষ্ট ১ একর জমির প্রকৃত ভোগদখলীয় মালিক হিসেবে তিনজনেরই অধিকার থাকা সত্ত্বেও বাহির থেকে এসে নুরুল হক ও তার ছেলে সালাউদ্দিন প্রভাব খাটিয়ে পুরো জমিটি জবরদখল করে নেন। যেহেতু এটি বনের জমি এবং কারো নামে বৈধ কাগজপত্র নেই, তাই ‘জোর যার মুলুক তার’—এমন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়েই পুরো ঘটনাটি ঘটায় তারা।

জমি দখলে নেওয়ার পর নুরুল হক ও তার ছেলে সেখানে প্রায় ১৮০টি দোকানঘর নির্মাণ করে অবৈধভাবে ভাড়া আদায় করছেন। মাসে লাখ লাখ টাকা ভাড়া তুললেও প্রকৃত মালিকদের কোনো অংশ প্রদান না করে দীর্ঘদিন ধরে তাদের বঞ্চিত করে আসছেন। এভাবেই বর্ণনা ছিল লিখিত অভিযোগে।

 

 

অভিযোগ তদন্ত কর্মকর্তা উখিয়া থানার এস আই রিপনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত চলছে, উভয়পক্ষকে থানায় ডাকানো হয়েছে। বিষয়টা সামাধানের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগেই নুরুল হক সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনীর ছত্রছায়ায় থেকে সংশ্লিষ্ট জমিটি এককভাবে দখল করে নেন। তার বিরুদ্ধে অতীতে ডাকাতি, হামলা ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর সহায়তায় এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। সম্প্রতি আওয়ামী লীগের নাশকতা বিরোধী একটি মামলায়ও তাকে আসামি করা হয়েছে, যার মামলা নং,জি আর উখিয়া (১৮/১১)২৫। এ পরিস্থিতিতে নুরুল হকের পুনরায় জমি দখলের প্রচেষ্টা ও তার বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলো নিয়ে এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

অনুসন্ধান ও তথ্যসূত্র বলছে, অভিযুক্ত নুরুল হক ও তার ছেলে সালাহ উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। নুরুল হক মূল দলে সক্রিয় থাকলেও সেই সময়ে সালাহ উদ্দিন ছিলেন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী। রাজনৈতিক পরিচিতি ও স্থানীয় প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে সালাহ উদ্দিন পরে আব্দুর রহমান বদির সুপারিশপত্র ব্যবহার করে পুলিশ কনস্টেবলে চাকরি নেন—যা এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

চাকরিতে প্রবেশের পর থেকে তাদের প্রভাব আরও বেড়ে যায়। সেই সুযোগে এলাকায় মাদক কারবার, ভূমি জবরদখল, ভয়ভীতি দেখানোসহ একের পর এক অপকর্ম চালিয়ে আসছিলেন তারা। এমনকি নুরুল হকের স্ত্রীও এক মামলায় কারাভোগ করেছেন বলেও সূত্র নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন, নুরুল হকের ছেলে সালাহ উদ্দিন পুলিশের চাকরির সুবাদে নিয়মিত বাড়িতে আসা–যাওয়া করেন। পুলিশের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় এই আসা–যাওয়ার সুযোগকে ব্যবহার করে তিনি নাকি ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক বহন করেন—এমন কথাও এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।

কেউ কেউ আরও অভিযোগ করে বলেছেন, সালাহ উদ্দিনের প্রভাব ও পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নুরুল হক পরিবারটি এলাকায় একটি অঘোষিত আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

জমিদারপাড়া এলাকার বাসিন্দা জমির উদ্দিন বলেন, নুরুল হকের পৈতৃকভাবে কোনো সম্পদই ছিল না। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই সে কীভাবে কোটি টাকার মালিক হলো,এটাই এখন মানুষের মুখে বড় প্রশ্ন ঘুরপাকে আছে।

তিনি আরো বলেছেন, নুরুল হক তার ছেলে পুলিশ কনস্টেবল সালাহ উদ্দিনকে ব্যবহার করে ইয়াবা পাচারের মতো অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। সালাহ উদ্দিনের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত নিয়েও সন্দেহ আছে। এই যাতায়াতের আড়ালেই মাদক পাচারের রুট পরিচালিত হয় এমন মন্তব্যেও করেন তিনি। নুরুল হকের পরিবারের একাধিক সদস্য অতীতে ইয়াবাসহ মাদক সংশ্লিষ্ট মামলায় জেল খেটেছে। এখনও বিভিন্ন সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা চলমান। সালাহ উদ্দিনের চলাফেরা, যাতায়াত এবং তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মহলের গতিবিধি যাচাই করলে নুরুল হকের অবৈধ সম্পদ ও মাদক ব্যবসার সম্পূর্ণ চিত্র বেরিয়ে আসবে।

একই এলাকার বাসিন্দা নজু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, নুরুল হকের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে এবং এলাকায় অনেকেই তাকে ‘নুরুল হক ডাকাত’ নামে চেনেন।

নুরুল হকের ছেলে সালাহ উদ্দিন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন বলেই পুলিশের চাকরি পেতে সুবিধা পেয়েছেন। চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থের মালিক হয়েছেন।
সালাহ উদ্দিনের চাকরির নথিপত্র খুঁজলে তার ছাত্রলীগের প্যাড ব্যবহার করার প্রমাণ মিলবে।

এসব বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল সালাহ উদ্দিনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মাদকের ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, বনের জমি আমার নামে দিয়েছিল ঠিক এসব আমি পুলিশ হওয়ার আগে। এখন নই। আমার পরিবারের বিরুদ্ধে এসব ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমি ছাত্রলীগ ছিলাম না। বাবা আওয়ামীলীগ করেনি। তাহলে আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে নাশকতা মামলায় আপনার বাবা আসামি কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন এসব ষড়যন্ত্রের একটি অংশ।

সালাহ উদ্দিনের বাবা অভিযুক্ত নুরুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে নাশকতা মামলায় আসামি হওয়ার স্বীকার করে বলেন, আমি কারো জমি জবরদখল করিনি। বনের প্লট দিয়েছিল আমার ছেলেকে। এটাতে আমি দোকান নির্মাণ করেছি।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।