খুঁজুন
, ,

উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণে লাইসেন্সবিহীন ফার্মেসী, জনস্বাস্থ্য হুমকিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণে লাইসেন্সবিহীন ফার্মেসী, জনস্বাস্থ্য হুমকিতে
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের উখিয়ায় প্রশাসনের সঠিক নজরদারি না থাকায় স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের যোগসাজশে গড়ে উঠেছে ব্যাঙের ছাতার অসংখ্য লাইসেন্সবিহীন ফার্মেসী। সরকারি রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই এসব দোকান থেকে এন্টিবায়োটিক, ঘুমের ওষুধ এমনকি যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে অবাধে। তদারকি বা কার্যকরী পদক্ষেপে দেখা যায়নি প্রশাসনের।

২৭ আগষ্ট সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে,পালংখালী, থ্যাংখালী, বালুখালী, কুতুপালং বাজার,লম্বাশিয়া সড়ক সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকায় অর্ধ-শতাধিক ফার্মেসীতে প্রশিক্ষিত ফার্মাসিস্ট ছাড়া রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণে চলছে।সেখানে আবার অধিকাংশ ফার্মেসীর লাইসেন্সও নেই। ।

অনুসন্ধান ও তথ্য সুত্র বলছে, স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে, মোটা অঙ্কের টাকায় ভুয়া ড্রাগ লাইসেন্স জোগাড় করে এই ব্যবসা পরিচালনা করছে অধিকাংশ রোহিঙ্গা। তাদের শেল্টার দিচ্ছে স্থানীয় কিছু অসাধু চক্র।

বিশাল মেডিকো, একরাম মেডিকো, মায়মুন ফার্মেসী, হারুন মেডিকো, কেয়ার মেডিসিন, আজিজ ফার্মেসী, জুবাইর মেডিকো, সানাউল্লাহ ফার্মেসীসহ অসংখ্য দোকান রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। তার মধ্যে ওষুধ বেচা-বিক্রির বৈধ কোন অনুমোদন লাইসেন্স নেই।

অন্যদিকে, নিলিমা ফার্মেসী, এম ফার্মেসী, মেসার্স মনজুর ফার্মেসী, নিশান মেডিকো, রোকসানা ফার্মেসী, ফারজানা মেডিকো—এসবের লাইসেন্স থাকলেও কার্যত ব্যবসা চালাচ্ছেন রোহিঙ্গারা। অনেকেই বলছেন, রোহিঙ্গাদের পরিচালনায় কিভাবে এত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান চলে। এসব খতিয়ে দেখে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।

স্থানীয়রা বলছেন, অলিগলিতে গড়ে ওঠা এসব ফার্মেসীতে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই অবাধে এন্টিবায়োটিক বিক্রি ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ায় মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। প্রশাসনের উদাসীনতা ও দুর্নীতির কারণে রোহিঙ্গারা যেমন সুযোগ নিচ্ছে, তেমনি স্থানীয় অসাধু ব্যবসায়ীরাও এই চক্রের অংশ হয়ে উঠেছে।

কুতুপালং কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সভাপতি ইকবাল বলেন, “রোহিঙ্গারা এখানে ফার্মেসী ব্যবসা করছে, তবে তাদের কাউকে সমিতির সদস্য করা হয়নি। সমিতির ৩৯ জন সদস্যই বাংলাদেশী ও বৈধ লাইসেন্সধারী। অবৈধ ব্যবসায়ীদের তথ্য আমাদের কাছে আছে। প্রশাসন চাইলে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

সাধারণ সম্পাদক আবছার উদ্দিন জানান, মাঝে মধ্যে ওষুধ প্রশাসন ও এসিল্যান্ড অভিযান চালালেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

স্থানীয় এক ফার্মেসি মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ড্রাগ লাইসেন্স পাওয়াটা অনেক কঠিন। টাকা ছাড়া কাজ হয় না। তাই লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছি। প্রশাসনের লোকজন এলে হাতে নগদ কিছু বুঝিয়ে দিলে চলে যায়।

সুশাসন নাগরিক অধিকার কমিটির সভাপতি বলেন, ওষুধ প্রশাসনের দুর্নীতি ও অনিয়ম উখিয়াকে ব্যাপকভাবে গ্রাস করেছে। চাইলে তারা মুহূর্তেই অবৈধ ফার্মেসিগুলো বন্ধ করে দিতে পারেন। কিন্তু অদৃশ্য কারণে তাদের নীরব থাকা আমাদের বোধগম্য নয়।

এদিকে ওষুধ প্রশাসনের আইনে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে যে, প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোনো ওষুধ বিক্রি যাবে না। দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা যাবে না।
বিদেশি ওষুধ বিক্রি করা যাবে না। প্রতিটি বিক্রিতে ক্যাশ মেমো দিতে হবে। কিন্তু উখিয়া কুতুপালং এলাকায় এসব নিয়মের কোনোটিই মানা হচ্ছে না, ফলে জনস্বাস্থ্য চরম হুমকির মুখে পড়ছে।

কক্সবাজার ওষুধ প্রশাসনের তত্ত্বাবধায়ক কাজী মোহাম্মদ ফরহাদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তড়িঘড়িতে তিনি বলেন, অবৈধভাবে গড়ে উঠা ফার্মেসীর বিষয়ে দ্রুত পদেক্ষেপ নেওয়া হবে, ট্রেনিং এ আছি বিস্তারিত পরে আলাপ হবে বলে কল কেটে দেন।

কাটাতারের বাহিরে এসে রোহিঙ্গারা কিভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য করে এমন প্রশ্নের উত্তর জানতে, ১৪ এপিবিএন পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি সিরাজ আল আমিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা নানা অজুহাতে ক্যাম্প থেকে বের হয়। ফলে স্থানীয় বাজারেও তারা ব্যবসা গড়ে তুলছে। সিআইসি এবং স্থানীয় প্রশাসন চাইলে এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে। আমরা বেশিরভাগ ক্যাম্পের ভেতরে শৃঙ্খলার দায়িত্বে কাজ করি।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।