খুঁজুন
, ,

চকরিয়া থানা হাজতে যুবকের মৃ'ত্যুর ঘটনায়

ওসি শফিকুল ইসলাম সহ ৮ জনকে আসামী করে থানায় এজাহার দায়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫, ১:২৬ পূর্বাহ্ণ
ওসি শফিকুল ইসলাম সহ ৮ জনকে আসামী করে থানায় এজাহার দায়ের
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের চকরিয়ায় থানা হেফাজতে স্কুলের অফিস সহকারি দুর্জয় চৌধুরী নিহতের ঘটনায় এজাহার দায়ের করেছে।

দুর্জয় চৌধুরী নিহতের ঘটনার পাঁচদিন পরে এজাহারটি দায়ের করা হয়।

মঙ্গলবার (২৬ আগষ্ট) সন্ধ্যায় দুর্জয়ের বাবা কমল চৌধুরী বাদি হয়ে চকরিয়ায় থানায় এজাহারটি দায়ের করেন।

এসময় কক্সবাজার জেলা জজ আদালতের ১০ থেকে ১২জন এ্যাডভোকেট থানায় উপস্থিত ছিলেন।

এজাহারে চকরিয়া থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম, পুলিশের এএসআই হানিফ মিয়া, দুই কনস্টেবল, স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খানম ও সহকারি শিক্ষক, অফিস সহায়কসহ ৮ জন আসামীর নাম উল্লেখ করে এজাহারটি দায়ের করেন।

তবে এজাহারটি এখনও মামলা হিসেবে এন্ট্রি হয়নি থানায়।

এজাহারে বাদি কমল চৌধুরী দাবি করেন, আমার ছেলে দুর্জয় চৌধুরী চকরিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর ছিলেন।

আমার ছেলে চাকরিতে যোগদানের পর থেকে তাকে বিতাড়িত করার জন্য প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খানমসহ স্কুলের দুই সহকারি শিক্ষক ও অফিস সহায়ক চক্রান্ত করতে থাকে।

বিদ্যালয়ের নানা অনিয়ম ও দূর্ণীতি দুর্জয়ের ল্যাপটপে রক্ষিত ছিলো।

এসব দূর্ণীতি ও অনিয়ম ধামাচাপা দিতে প্রধান শিক্ষক, দুই সহকারি শিক্ষক ও অফিস সহায়ক মিলে আমার ছেলেকে চিরতরে সরিয়ে দিতে নানা রকম ফন্দি আটে।

তারই অংশ হিসেবে আমার ছেলের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তুলে জোর করে বৃহস্পবিার (২১ আগষ্ট ) রাত ১০টায় থানায় নিয়ে যায়।

তিনি আরও বরেন, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্জয়কে থানা হাজতে আটকে রাখে।

পরবর্তীতে থানার ওসি, এএসআই ও কনস্টেবলের সাথে মোটা অংকের বিনিময়ে গোপন আঁতাত করের প্রধান শিক্ষকসহ অন্য দুই শিক্ষক ও অফিস সহায়ক।

এরই অংশ হিসেবে থানার ওসিসহ অপরাপর আসামীরা মিলে দুর্জয়কে হাজতে শ^াসরোধ করে হত্যা করে। হত্যার পরে দুর্জয় নিজে নিজে আত্মহত্যা করেছে বলে অপপ্রচার চালাতে থাকে।

কিন্তু আদৌ আমার ছেলে দুর্জয় আত্মহত্যা করেনি, তাকে পরিকল্পিতভাবে থানা হাজতে হত্যা করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা জজ আদালতের আইনজীবি ও জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি এ্যাডভোকেট পিন্টু বড়–য়া বলেন, থানা হাজতে মৃত্যু কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য না।

এটা মানবাধিকারের সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন। যার কারণে আমরা ন্যায় বিচারের জন্য বাদি কমল চৌধুর কে সাথে নিয়ে চকরিয়া থানায় এজাহার দিয়েছি।

আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে যদি এজাহারটি মামলা হিসেবে থানায় এন্ট্রি না হয়, তাহলে আদালতে এজাহার দিবো।

তিনি আরও বলেন, এই হত্যাকান্ডের সুষ্টু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্তেরও দাবি জানাচ্ছি।

এই ব্যাপারে জানতে চাইলে চকরিয়া সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) অভিজিৎ দাস বলেন, দূর্জয় চৌধুরীর বাবা কমল চৌধুরী বাদি হয়ে সন্ধ্যায় থানায় একটি এজাহার দিয়েছেন।

এসময় বেশ কযেকজন আইনজীবিও সাথে ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু এই ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা রুজু হয়েছে। সেটার তদন্ত চলছে। আমরা বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবো। পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নিবো।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চকরিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা রাবেয়া খানম ওই স্কুলের অফিস সহকারি দুর্জয় চৌধুরী চেক জালিয়াতি করে ও নগদে প্রতিষ্টানের ২ লাখ ৮৩ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন মর্মে চকরিয়া থানায় একটি অভিযোগ করেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.শফিকুল ইসলাম ওই অভিযোগের ভিত্তিতে দূর্জয় চৌধুরীকে হাজতে আটকে রাখেন।

এদিন ভোর ৪টার দিকে হাজতে ফাঁসিতে ঝুলানো অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করেন চকরিয়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার (ভুমি) রুপায়ন দেব।

এদিকে, ঘটনার পরপরই চকরিয়া থানার এএসআই ও দুই কনস্টেবল ও পরবর্তীতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেন জেলা পুলিশ সুপার।

অপরদিকে, চকরিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খানমকে ওএসডি করে ঢাকা শিক্ষা অধিদপ্তরে ন্যস্ত করা হয়েছে।

এই ঘটনায় পুলিশ ও মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি ঘটনা করেছে। দুই তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে তাদের তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।