খুঁজুন
, ,

কক্সবাজার বিমানবন্দরে ইজারার নামে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি

এম ফেরদৌস ::
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
কক্সবাজার বিমানবন্দরে ইজারার নামে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি
শেয়ার করুন

কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী গাড়ি প্রবেশ করলেই ইজারার নামে আদায় করা হচ্ছে এক ধরনের চাঁদা। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী বিমানবন্দরের নির্ধারিত পার্কিংয়ের জন্য ইজারা থাকলেও বাস্তবে এই বিধানকে অপব্যবহার করছে একদল চক্র। পার্কিংয়ে না গেলেও বিমানবন্দরের প্রবেশমুখে যাত্রীবাহী গাড়িগুলোকে থামিয়ে জোরপূর্বক টাকা আদায় করা হচ্ছে। এতে সাধারণ যাত্রী, চালক ও পরিবহন মালিকেরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেন।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, বিমান বন্দরের অধিকাংশ পার্কিং স্পেস দখল করে রয়েছে ব্যাটারি চালিত অবৈধ টমটম। অথচ এসব টমটমের লাইসেন্স একক পার্কিংয়ের জন্য কোনো অনুমোদন নেই। পার্কিং সুবিধা প্রাইভেট কার, নোহা ও মাইক্রোবাস,সিএনজি এসবের জন্য থাকলেও বাস্তবে এসব গাড়ির উপস্থিতি খুবই কম।
পরিদর্শনকালে আজ মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার দিকে দেখা যায়, একটি প্রাইভেট মাইক্রোযান যাত্রী নিয়ে বিমানবন্দর এলাকা থেকে বের হয়ে যাচ্ছিল। এমন অবস্থায় ইজারাদারের কর্মীরা সিগন্যাল দিয়ে গাড়িটি থামায়। শুরুতে তাদের সঙ্গে ড্রাইভারের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে ড্রাইভার পকেট থেকে টাকা বের করে দিতে দেখা যায়।

ঘটনা শেষে ওই ড্রাইভারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি কোনো পার্কিংয়ে ছিলেন না। এসে মাত্রই যাত্রী নিয়ে চলে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ইজারা তোলার দায়িত্বে থাকা লোকজন পার্কিং ফি-এর নামে টাকা দাবি করেন। ড্রাইভার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে নানা অজুহাত দেখিয়ে তাঁকে তর্কে জড়ানোর চেষ্টা করা হয়। শেষ পর্যন্ত ঝামেলা এড়াতে তিনি ৩০ টাকা দিয়ে দেন।

তাকে প্রশ্ন করা হয়-তিনি আদৌ পার্কিংয়ে ছিলেন কি না এবং যাত্রী তুলতে কতক্ষণ সময় লেগেছে? জবাবে ড্রাইভার বলেন, তিনি পৌঁছানোর আগেই যাত্রীরা বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তিনি শুধু গিয়ে দরজা খুলে যাত্রীদের তুলেছেন এবং গাড়ি চালু করার মুহূর্তে টাকা দাবি করা হয়।

পার্কিংয়ে থাকা এক টমটম চালককে জিজ্ঞেস করা হয় কত টাকার বিনিময়ে গাড়ির পার্কিং দেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্নে সে বলে, কাগজে ১৫ টাকা বাস্তবে ক্যাশ নিলেন ২০ টাকা। টমটমের তুলনায় অন্যান্য গাড়ি কম কেন এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, অন্যান্য গাড়ি এসে চলে যায়। পার্কিং এ কম দেখা যায়। টমটম তো লোকাল তাই একটু বেশি।

এক সিএনজি চালক (যার গাড়ি নং-২৩৫৩) তিনি জানান, বিমানবন্দরে প্রবেশ করলেই কথিত ইজারার নামে টাকা দিতে বাধ্য করা হয়। টাকা না দিলে গাড়িকে আটকে রাখা, যাত্রী নিয়ে অপদস্থ করা কিংবা অপ্রয়োজনীয় জটিলতার মুখে ফেলার মতো ঘটনাও ঘটায় তারা। তাই বাধ্য হয়ে যামিলামুক্ত থাকতে ২০-৩০ টাকা দিয়ে দি।

নোহা গাড়ির ড্রাইভার শাহাজাহান বলেছেন, অধিকাংশ প্রাইভেট গাড়ি যাত্রী নামিয়ে দ্রুত সেখান থেকে চলে যায়। কারণ, যাত্রী নামাতে বা দুই মিনিট থামতে গেলেও ইজারা তোলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা গাড়ি থামিয়ে জোর করে টাকা দাবি করেন। তারা ‘পার্কিং ইজারা’ দেখিয়ে গাড়িচালকদের চাঁদা দিতে বাধ্য করেন-যদিও গাড়িটি কখনো পার্কিং এলাকায় না গিয়েই শুধু যাত্রী নামিয়ে চলে আসে।

প্রাইভেট গাড়ির একাধিক ড্রাইভার অভিযোগ করে বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় বৈধ ইজারা থাকলেও তার সীমা কেবল পার্কিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু যারা ইজারা তুলছেন, তারা অপব্যবহার করে যাত্রীবাহী গাড়িগুলোকেই টার্গেট করছেন। এতে সাধারণ চালক ও যাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন প্রতিদিন।

এসব ইজারার টাকা নেওয়ার সুপার ভাইজার করিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নতুন একটা ছেলে দিয়েছি হয়ত সে বুঝে নাই বিষয়টি। আমি তাকে সতর্ক করে দিব। এভাবে আর কাউকে হয়রানি করবে না। টাকাও তুলবে না অবৈধভাবে। আপনি এটা নিয়া কিছু করবেন না। আপনার জন্য একটা অনারিয়াম ব্যবস্থা করব।

বিমানবন্দর ইজারাদার মিন্টুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গাড়ি ৫ মিনিটের বেশি দাঁড়ালে যাত্রীবাহী গাড়ি থেকে ইজারার টাকা নিতেই হবে। কারণ এখনো কর্তৃপক্ষ আমাকে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো পার্কিং এলাকা বুঝিয়ে দেয়নি।

তাকে প্রশ্ন করা হয়— পার্কিং না দিলে যাত্রী নিয়ে গাড়ি ঢুকল, যাত্রী ও মালামাল নামাতে সময় লাগল, এর মধ্যেই যদি ৫ মিনিট পেরিয়ে যায়, তাহলে কি টাকা দিতে হবে? জবাবে মিন্টু বলেন, যাত্রী ও মালামাল নামাতে ৫ মিনিটের বেশি সময় লাগে না।

স্থানীয় পরিবহন মালিক ও চালকরা বিষয়টিকে চাঁদাবাজি উল্লেখ করে এর বিরুদ্ধে প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কক্সবাজার বিমানবন্দর ম্যানেজার গোলাম মর্তুজা হাসান বলেছেন, এ বিষয়ে আমরাও অভিযোগ পেয়েছি। আসল বিষয় হলো, এখানে নির্মাণাধীন কাজ চলছে, তাই এসব বিষয়ে একটু এভাবে অগোছালো হচ্ছে। তবে, খুব দ্রুত যাত্রীদের সুরক্ষা ও শৃঙ্খলায় এসব সমস্যা সমাধান করা হবে।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।