খুঁজুন
, ,

কক্সবাজার সমন্বিত কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের কান্ড, দুদক চড়ে অন্যের গাড়িতে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫, ১:২৭ অপরাহ্ণ
কক্সবাজার সমন্বিত কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের কান্ড, দুদক চড়ে অন্যের গাড়িতে
শেয়ার করুন

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের বরাদ্দ খাবারে অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখাসহ নানা অভিযোগ পাওয়া যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ জুলাই এনফোর্সমেন্ট অভিযানে যান দুদকের কক্সবাজার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

জেলা শহর থেকে চকরিয়ায় যেতে তারা ব্যবহার করেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ডাবল কেবিন পিকআপ (নম্বর-ঢাকা মেট্রো-ঠ ১৩-৪৭৩৭)। অথচ এলজিইডির একাধিক প্রকল্প নিয়ে ওঠা অভিযোগের অনুসন্ধান ও তদন্ত করছে দুদক।

যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্তাধীন, তাদের গাড়ি নিয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে অভিযানে যাওয়াকে হতাশাজনক বলছেন বিশিষ্টজন। তারা মনে করেন, এসব ঘটনায় তদন্তের ক্ষেত্রে দুদকের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।

২০২২ সালের ১ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হয় দুদক সমন্বিত কক্সবাজার জেলা কার্যালয়। এখান থেকেই পাশের বান্দরবান জেলার কার্যক্রমও পরিচালিত হয়। উদ্বোধনকালে দুদকের তৎকালীন কমিশনার (তদন্ত) জহুরুল হক বলেছিলেন, এই কার্যালয়কে জেলা কার্যালয়ে রূপান্তর করা হবে। অথচ চার বছর পরও সেটি পূর্ণাঙ্গ হয়নি। এখানে জনবলের ঘাটতি রয়েছে। নেই একটি গাড়িও।

দুদক সূত্র জানায়, এই কার্যালয়ে চারজন সহকারী পরিচালক পদের বিপরীতে আছেন দুজন। উপসহকারী পরিচালকের ছয়টি পদের বিপরীতে তিনজন, পাঁচটি কনস্টেবল পদের বিপরীতে আছেন দুজন। এ ছাড়া প্রসিকিউশন বিভাগে একজন কোর্ট ইন্সপেক্টর, একজন সহকারী কোর্ট ইন্সপেক্টর ও একজন সাব ইন্সপেক্টরের পদ থাকলেও পদায়ন নেই। অথচ এই জেলা কার্যালয়ে আড়াই শতাধিক অভিযোগের অনুসন্ধান ও তদন্তাধীন।

কর্মকর্তারা বেশি সংকটে পড়েছেন গাড়ি না থাকায়। নাইক্ষ্যংছড়ি-গর্জনিয়া বাজার সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজে অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে ২৯ এপ্রিল দুদক কর্মকর্তারা এনফোর্সমেন্ট অভিযানে যান। সহকারী পরিচালক অনিক বড়ুয়া বাবুর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ব্যবহার করা হয় কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের ল্যান্ডক্রুজার (নম্বর-ঢাকা মেট্রো-ঘ ১১-১৩৪০)।

১০ জুলাই চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের উন্নয়নকাজে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযানে যায় দুদক। সহকারী পরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বাধীন দলকেও এদিন ব্যবহার করতে হয় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের গাড়ি।

একই বিভাগের গাড়ি নিয়ে ২৭ জুলাই দুদক কর্মকর্তারা যান জেলার উখিয়ায়। উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ওই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হুমায়ুন বিন আহমদ। অথচ এলজিইডি, সওজ এবং বন বিভাগের বিরুদ্ধেই নানা অভিযোগ তদন্ত করছে সংস্থাটি। গত এক বছর ধরে তাদের সব এনফোর্সমেন্ট অভিযানে ব্যবহৃত হয়েছে সরকারি নানা প্রতিষ্ঠানের গাড়ি।

এসব ঘটনায় কোনো কথা না উঠলেও বিব্রত দুদকের কর্মকর্তারা। যদিও তাদের কেউ নাম প্রকাশে রাজি হননি। তিনজন কর্মকর্তার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয় সমকালের। তারা বলেন, নৈতিকতার জায়গা থেকে এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়।

কর্মকর্তারা জানান, নিয়ম অনুযায়ী অভিযানে সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে গাড়ি বরাদ্দ দেওয়ার কথা কমিশনের পক্ষ থেকে। যদি কোনো কারণে বরাদ্দ না পাওয়া যায়, তবে অনুমতিসাপেক্ষে ভাড়ায় নিয়ে গাড়ি ব্যবহার করা যায়। কিন্তু অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের গাড়ি ব্যবহারের সুযোগ নেই।

কক্সবাজারে সমন্বিত কার্যালয় চালুর হওয়ার পর একটি গাড়ি তারা পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে সেটি অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী খোকা মনে করেন, যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান, তদন্ত বা মামলা চলছে, ওইসব প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে গাড়ি সুবিধা নেওয়া দুর্নীতির মধ্যে পড়ে। দুদকের মতো স্বাধীন প্রতিষ্ঠান এভাবে কাজ করতে পারে না। এ ঘটনা তদন্তের ক্ষেত্রে তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে।

একই রকম মত দিয়ে কক্সবাজার আদালতের এপিপি মুজিবুল হক বলেন, ‘সাংবিধানিকভাবে দুদক স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। যতটুকু জানি, গাড়ি বরাদ্দ দিতে না পারার মতো সংকটে দুদক পড়ে নাই। তারপরও গাড়ি দিতে দেরি হলে ভাড়ায় নিতে পারে। কিন্তু অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে গাড়ি নিয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযানে গেলে তা সাধারণ মানুষের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হবে, এটাই স্বাভাবিক।’

এমন কোনো তথ্য জানা নেই দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ আবুল হোসেনের। তাঁর ভাষ্য, এনফোর্সমেন্ট অভিযানগুলো কক্সবাজার সমন্বিত জেলা কার্যালয় পরিচালনা করে। তদারকি বা নির্দেশনা দেয় প্রধান কার্যালয়ের গোয়েন্দা বিভাগ।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।