খুঁজুন
, ,

চাকরির পরীক্ষায় বাড়ছে মৌখিকের নম্বর, তথ্য উপদেষ্টা বললেন—‘ভাইভা কি পরীক্ষা না?’

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৩ অপরাহ্ণ
চাকরির পরীক্ষায় বাড়ছে মৌখিকের নম্বর, তথ্য উপদেষ্টা বললেন—‘ভাইভা কি পরীক্ষা না?’
শেয়ার করুন

সরকারি চাকরির নতুন খসড়া বিধিমালায় ভাইভায় নতুন মার্কিং ‌‌সরকারের কাছে ‘বেটার’ মনে হয়েছে বলেই বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন সম্ভব প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। একই সঙ্গে নিয়োগ পরীক্ষার মৌখিক পরীক্ষায় (ভাইভা) বেশি নম্বর রাখার সিদ্ধান্তকে নিয়োগের মানোন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

 

জাহেদ-উর-রহমান বলেন, ‘যখন ভাইভায় বেশি নম্বর থাকে, যেহেতু এটা সাবজেক্টিভ, এখানে কারও নিজের ফেভার বা কাউকে ফেভার করার একটা সুযোগ তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। আমি দ্বিমত করছি না। কিন্তু একই সঙ্গে আমি এ কথাটা বলতে চাই, সেই প্রশ্নটা যদি আসে, আমরা সেটার সমালোচনা করি। এই প্রক্রিয়ায় যদি আমরা সমস্যা দেখতে পারি, সরকার বিশ্বাস করেছে যে এই ধরনের মার্কিং রাখা এবং সরকার এটা আইনগতভাবে করতে পারে। সরকার আইনগতভাবে কোনো অন্যায় কিছু করেনি। আইনগতভাবে করতে পারে। সরকারের মনে হয়েছে, এর মাধ্যমেই বেটার কিছু সম্ভব।’

 

সরকারি চাকরিতে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারী নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ৪০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর কমিয়ে বিধিমালা পরিবর্তন করা হচ্ছে। ভাইভায় নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না? সাংবাদিকের এমন প্রশ্ন করলে জাহেদ উর রহমান বলেন, আপনি প্রশ্ন এনেছেন। সো ইউ হ্যাভ টু ক্লিয়ার ইট। আপনি ক্লিয়ারলি বলুন।

 

তিনি বলেন, আমি দ্বিগুণ নাম্বারের ভাইভা পরীক্ষা দিয়ে এসেছি। আমরা এই প্রশ্ন করি নাই যে এখানে দুর্নীতি হচ্ছে, কাউকে ভুল করে পাশ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আপনার প্রশ্নের মধ্যে একটা পারসেপশন আছে। সেটা হচ্ছে, ভাইভা বাড়ানো হচ্ছে বিশেষ কোনো উদ্দেশ্যে; তাই তো? ‘ভাইভা কি পরীক্ষা না’- এমন প্রশ্ন তুলে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যেমন আমার কথা বলি— আমি মেডিকেলে পড়াশোনা করেছি, আমার রিটেনের চাইতে দ্বিগুণ ভাইভা দিতে হয়েছে। আমার পরীক্ষা তাই ছিল। আমার পরীক্ষার প্যাটার্ন যে মেডিকেল স্টুডেন্ট জানেন, যে তার ভাইভাই প্রধান পরীক্ষা। এখন ভাইভা থাকায় সমস্যাটা কী?

 

তিনি আরও বলেন, আমি আপনাকে এইমাত্র উদাহরণ দিলাম, আমি দ্বিগুণ নাম্বারের ভাইভা দিয়ে তো আমরা এই প্রশ্ন করি নাই যে এখানে দুর্নীতি হচ্ছে, কাউকে ভুল করে পাশ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তার মানে, টেকনিক্যাল সাবজেক্ট আমরা বিসিএস বা অন্যান্য পরীক্ষাগুলো; সবগুলোতেই কম রাখি। আপনি কি মনে করছেন এই সিস্টেমটা ঠিক?

 

যেমন ধরুন, আমি আমার এক্সপেরিয়েন্সের কথা বলি। একটা চাকরি মানে শুধু বইয়ের নলেজ না। আগেরটা ঠিক ছিল না মনে করেই পরিবর্তন করা হয়েছে। আপনি বলতেই পারেন, সরকার দুর্নীতি করার জন্য এটা করছে। বলতে পারেন যে, আপনারা আপনাদের সিলেক্টেড মানুষ; এটা ইউ ক্যান। আপনি যখন প্রশ্ন তুলছেন, আপনার এত ডিপ্লোম্যাটিক হওয়ার প্রয়োজন নাই। জার্নালিস্টের কাজ কিন্তু প্রশ্ন করা। করতে পারেন। আমি সেই প্রশ্নের জবাব দিতে প্রস্তুত আছি।

 

নিজ অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আমি এই সরকারের পক্ষ থেকে বলছি না। আমি বেশ কিছু ভাইভা নিয়েছি, বেশ কিছু রিসেন্ট ভাইভা নিয়েছি। আমি তো জানি না কে রিটেনে কেমন করেছেন। কিন্তু আমি এভাবে বলতে চাই, আমি ভাইভাতে এমন কিছু ক্যান্ডিডেটকে পেয়েছিলাম, আমার মনে হয়েছিল তারা যদি রিটেনে যথেষ্ট ভালো নাও করে থাকে, আমার মনে হয়েছে; মাই পারসেপশন— এদেরকে নিয়ে নেওয়া উচিত।

 

ধরুন, আমরা আমাদের ক্লাস ওয়ান জবের জন্য যাদেরকে নিই, আমাদের প্রায় সব বিসিএস ক্যান্ডিডেটদের প্রথম চয়েস থাকে বিসিএস প্রশাসন। তারপর পুলিশ বা এরকম কিছু। দিনের শেষে আমরা আসলে এখানে একজন অ্যাডমিনিস্ট্রেটর আছি। আমাদের অনেকে রিটেনে ভালো করে। কিন্তু আমরা চাকরিতে ভালো করার জন্য আরও কিছু অ্যাপটিটিউড আছে, যেটা আমার বিবেচনায় ভাইভা দিয়ে ভালো অ্যাসেসমেন্ট হতে পারে।

 

আমি সাংবাদিকদের প্রতি বা সংবাদমাধ্যমের প্রতি আপিল করি, কোনো নিয়োগের পর যদি কোনো সুনির্দিষ্ট ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়, সেটা নিয়েও যেন আপনারা কথা বলেন। এই অনিয়ম যদি হয়, সেটাকে নিশ্চয়ই আপনারা তুলে ধরবেন।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।