খুঁজুন
, ,

ছয় কেন্দ্রের ফলাফলে শীর্ষ ৩ পদে এগিয়ে ছাত্রশিবির

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ণ
ছয় কেন্দ্রের ফলাফলে শীর্ষ ৩ পদে এগিয়ে ছাত্রশিবির
শেয়ার করুন

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। ৩৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬টি কেন্দ্রের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে ভিপি, জিএস ও এজিএসসহ শীর্ষ তিনটি পদে এগিয়ে আছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের প্রার্থীরা।

আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ড. আনিছুর রহমান—সিএসই বিভাগ এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের এই দুটি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন। এর আগে, ভূগোল ও পরিবেশ, লোকপ্রশাসন, নৃবিজ্ঞান এবং ফার্মেসি বিভাগের ফল প্রকাশ করা হয়।

ভিপি (সহ-সভাপতি) পদ: ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম এই ৬ কেন্দ্র মিলিয়ে মোট ৫৮৫ ভোট পেয়ে শীর্ষে রয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী এ কে এম রাকিব পেয়েছেন ৫২৭ ভোট।

জিএস (সাধারণ সম্পাদক) পদ: জিএস পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত আব্দুল আলিম আরিফ ৬ কেন্দ্র মিলিয়ে ৫৭৭ ভোট পেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন। তার বিপরীতে ছাত্রদলের প্রার্থী খাদিজাতুল কোবরা পেয়েছেন ২৭৭ ভোট।

এজিএস (সহ-সাধারণ সম্পাদক) পদ: এই পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত মাসুদ রানা ৬ কেন্দ্রে মোট ৫১৩ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ৪৭২ ভোট।

প্রকাশিত কেন্দ্রের ফলাফলগুলো হচ্ছে

ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ কেন্দ্র: এই কেন্দ্রে ভিপি পদে অদম্য জবিয়ান প্যানেলের রিয়াজুল ইসলাম ১০০ ভোট পেয়ে প্রথম হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের একেএম রাকিব পেয়েছেন ৯১ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রাকিব হাসান পেয়েছেন ১০ ভোট।

আরও পড়ুন: জকসু নির্বাচনে আরও ২ কেন্দ্রের ফল প্রকাশ, এগিয়ে যারা?

জিএস পদে অদম্য জবিয়ানদের আব্দুল আলিম আরিফ ৯০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। বিপরীতে খাদিজাতুল কুবরা ৪৫ ও ইভান তাহসিভ ৩৯ ভোট পেয়েছেন। এজিএস পদে অদম্য জবিয়ানদের মাসুদ রানা ৯৮ ভোট পেয়ে জয়ী হন, যেখানে এবিএম তানজিল ৮৫ ও শাহীন মিয়া ১২ ভোট পেয়েছেন।

নৃবিজ্ঞান বিভাগ কেন্দ্র: ভিপি পদে রিয়াজুল ইসলাম ১২৮ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। একেএম রাকিব পেয়েছেন ১১৮ ভোট ও কিশোয়ার সাম্য ১৭ ভোট। জিএস পদে আব্দুল আলিম আরিফ ১২৩ ভোট পেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। এখানে খাদিজাতুল কুবরা ৭৩ ও ইভান তাহসিভ ৪৬ ভোট পেয়েছেন। এজিএস পদে এই কেন্দ্রে চমক দেখিয়েছেন নির্ভীক জবিয়ানদের এবিএম তানজিল; তিনি ১২৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। অন্যদিকে মাসুদ রানা পান ১০২ ভোট ও শাহীন মিয়া ২৭ ভোট।

লোকপ্রশাসন বিভাগ কেন্দ্র: ভিপি পদে এই কেন্দ্রে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষে ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের একেএম রাকিব ১৩২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। অদম্য জবিয়ানদের রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ১২২ ভোট এবং কিশোয়ার সাম্য ১৭ ভোট।

জিএস পদে আব্দুল আলিম আরিফ (১২৩ ভোট)। খাদিজাতুল কুবরা ও ইভান তাহসিভ পেয়েছেন যথাক্রমে ৬২ ও ৫৯ ভোট। এজিএস পদে ১৩০ ভোট পেয়ে জয়ী হন মাসুদ রানা। এবিএম তানজিল পেয়েছেন ১০৬ ও শাহীন মিয়া ২৫ ভোট।

ফার্মেসি বিভাগ কেন্দ্র: এই কেন্দ্রে শীর্ষ তিনটি পদেই বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছে অদম্য জবিয়ান প্যানেল। ভিপি পদে রিয়াজুল ইসলাম (৭৮ ভোট), জিএস পদে আব্দুল আলিম আরিফ (৮৩ ভোট) এবং এজিএস পদে মাসুদ রানা (৭৮ ভোট) পেয়ে প্রথম হয়েছেন। এই কেন্দ্রে ছাত্রদলের একেএম রাকিব ৫৩, খাদিজাতুল কুবরা ২৬ এবং এবিএম তানজিল ৪৫ ভোট পেয়েছেন।

সিএসই বিভাগ এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে ভিপি পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ১০৬ ও ৫১ ভোট। দুই বিভাগ মিলিয়ে মোট ভোট পেয়েছেন ১৫৭। এছাড়াও একই পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী রাকিব পেয়েছেন ৯৪ ও ৩৯ ভোট। দুই বিভাগ মিলিয়ে রাকিব মোট ভোট পেয়েছেন ১৩৩।

জিএস পদে সিএসই বিভাগে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল আলীম আরিফ পেয়েছেন ১১২ ভোট। একই পদে ছাত্রদল সমর্থিত খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ৫৩ ভোট। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে আলীম পেয়েছেন ৪৬ ভোট, খাদিজা পেয়েছেন ১৮ ভোট। দুই বিভাগ মিলিয়ে মোট ভোটে আব্দুল আলীম আরিফ ১৫৮, খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ৭১।

এজিএস পদে সিএসই বিভাগে ছাত্রশিবির সমর্থিত মাসুদ রানা পেয়েছেন ১০৫ ভোট। একই পদে ছাত্রদল সমর্থিত আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ৮০ ভোট। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে মাসুদ রানা পেয়েছেন ৪২ ভোট, তানজিল পেয়েছেন ৩০ ভোট। দুই বিভাগে মোট ভোটে মাসুদ রানা পেয়েছেন ১৪৭ এবং তানজিল পেয়েছেন ১১০।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় ভোলাখালে অষ্টম সেতু নির্মাণের প্রস্তাব

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় ভোলাখালে অষ্টম সেতু নির্মাণের প্রস্তাব
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ভোলাখালের ওপর মগনামা বাজারপাড়া থেকে বারবাকিয়া ইউনিয়নের বোধামাঝির ঘোনা পর্যন্ত ১০০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত সেতুটি নির্মিত হলে মগনামা ও বারবাকিয়ার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের পাশাপাশি পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার মানুষের যাতায়াত, পণ্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

সম্প্রতি সেতু নির্মাণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও প্রস্তাব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতু নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের মতে, সেতুটি বাস্তবায়িত হলে মগনামা ও বারবাকিয়ার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের পাশাপাশি পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার সঙ্গে মহেশখালী হয়ে চট্টগ্রামের যোগাযোগে একটি বিকল্প ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথ তৈরি হতে পারে। এতে যাতায়াতের সময় ও পেকুয়া বাজার কেন্দ্রীক যানজট ভোগান্তি কমার পাশাপাশি উপকূলীয় এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক কর্মকাণ্ড, কৃষিপণ্য,লবণ, মৎস্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে ‎ভোলাখালের বিভিন্ন অংশে ইতোমধ্যে সাতটি সেতু নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- মগনামা শরৎঘোনা–রাজাখালী নতুনঘোনা সেতু, পেকুয়া পশ্চিম গোঁয়াখালী অংশের রাবারড্যাম সেতু, পেকুয়া বাজার–বারবাকিয়া ফাঁশিয়াখালী সেতু, পেকুয়া মৌলভীপাড়া অংশের আঞ্চলিক মহাসড়ক সেতু, পেকুয়া-বারবাকিয়া বাজার সেতু, পেকুয়া সাবমেরিন নৌঘাঁটি সড়কের সালাহউদ্দিন সেতু এবং বাগুজারা-সাকুরপাড় সেতু।

স্থানীয়দের দাবি, এসব সেতুর ধারাবাহিকতায় মগনামা বাজারপাড়া-বোধামাঝির ঘোনা সেতুটি নির্মিত হলে ভোলাখালের ওপর এটি হবে অষ্টম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতু। সেতুটি নির্মিত হলে পেকুয়া উপজেলার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি কুতুবদিয়ার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

 

‎

 

‎এতে শিক্ষা, চিকিৎসা, লবণ,মৎস্য ও কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে দুই উপজেলার মানুষ সুফল পাবেন বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে পেকুয়া বাজারকেন্দ্রিক সড়কে যানবাহনের চাপও কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

 

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভোলাখাল মগনামা ও বারবাকিয়ার মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের ক্ষেত্রে একটি বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে আছে। খালের ওপর প্রস্তাবিত সেতুটি নির্মিত হলে দুই এলাকার মধ্যে যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতি ও জনজীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

 

‎দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশার পর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রেস সচিব ছফওয়ানুল করিম বলেন, ‘চকরিয়া-পেকুয়া-মাতামুহুরী অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় ভোলাখালের মগনামা বাজারপাড়া অংশে ১০০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও প্রস্তাব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদনের পর পরবর্তী প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতু নির্মাণের কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

 

‎তিনি বলেন, ‘সেতুটি নির্মিত হলে মগনামা, বারবাকিয়া ও আশপাশের এলাকার মানুষের চলাচল সহজ হওয়ার পাশাপাশি পেকুয়া-চকরিয়া অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগব্যবস্থায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।’

 

‎

 

‎পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসাইন বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের প্রচেষ্টায় মগনামা-বোধামাঝির ঘোনা সেতু নির্মাণের উদ্যোগের খবরে বারবাকিয়া ও আশপাশের এলাকার মানুষের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষ যোগাযোগের ক্ষেত্রে নানা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। সেতুটি নির্মিত হলে বারবাকিয়াসহ আশপাশের এলাকার সঙ্গে পেকুয়া উপজেলার সরাসরি ও সহজ যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠবে। একই সঙ্গে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের চলাচলেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

তিনি বলেন, ‘মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার মধ্যে যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও এ সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরুর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।’