খুঁজুন
, ,

জামায়াত-শিবিরকে মোকাবিলা করার জন্য ছাত্রদল একাই যথেষ্ট: রাকিবুল ইসলাম

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
জামায়াত-শিবিরকে মোকাবিলা করার জন্য ছাত্রদল একাই যথেষ্ট: রাকিবুল ইসলাম
শেয়ার করুন

ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘মব’, দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন ও সন্ত্রাসী কায়দায় রাজনীতির অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, জামায়াত-শিবিরকে মোকাবিলা করার জন্য একা ছাত্রদলই যথেষ্ট। তিনি বলেন, যদি শিবির একই ধরনের রাজনীতি চালিয়ে যায়, তাহলে এর ‘পরিণতি’ ভোগ করতে হবে।

 

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

 

রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক ঘটনাটি কোনোভাবেই কাম্য ছিল না। একটি ছোট ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেখানে অস্ত্রের মহড়া দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, রাতভর ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এসব ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও রয়েছে। হামলার পর ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাকে সমর্থন করেছেন। তারা দাবি করেছেন, ছাত্রদল শিবিরের সঙ্গে দুই মিনিটও টিকতে পারে না। এমনকি রংপুরে ছাত্রদলের অস্তিত্ব রাখা হবে না বলেও প্রচার চালানো হয়েছে।

 

ছাত্রদল সভাপতি বলেন, শুধু শিবিরের নেতাকর্মীরাই নয়, জামায়াতের শীর্ষ নেতারাও এ ঘটনার পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। ছাত্রলীগের কায়দায় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানোর ঘটনাকে তারা বীরত্ব হিসেবে তুলে ধরেছেন। এর ধারাবাহিকতায় পরদিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ থেকে ৬০ জন ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী গিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করেছেন। তাদের চিন্তা-চেতনায় এখনো ‘মব’ সংস্কৃতি রয়েছে। তারা উচ্চবাচ্য করতে চায়, অন্যের চরিত্রহনন করতে চায়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এ ধরনের সংস্কৃতির কোনো স্থান নেই।

 

রাকিব বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির ভেবেছিল বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাবে। কিন্তু জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের চোখে চোখ রেখে রাজনীতি করেছে। তারা কখনো আত্মগোপন করে রাজনীতি করেনি। ছাত্রলীগের শাসনামলেও ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মী প্রাণের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ছাত্রলীগের পতাকাতলে গিয়ে রাজনীতি করেননি। যারা আত্মগোপনে রাজনীতি করেছে, তারা ছাত্রদলের সেই বাস্তবতা বুঝবে না। ছাত্রদলের ওপর আঘাত এলে তার সমুচিত জবাব দেওয়া হবে। এক বিন্দুও ছাড় দেওয়া হবে না।

 

 

তিনি আরও বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) একজন সদস্যের উপস্থিতিতে ছাত্রদলের নেতারা অত্যন্ত সহনশীল আচরণ করেছিলেন। তারা শিবিরের নেতাকর্মীদের শান্তভাবে সরে যেতে বলেছিলেন। কিন্তু শিবির আরও উদ্ধত আচরণ করেছে। এর ফলেই সংঘর্ষের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

 

ঢাকা কলেজের একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে রাকিবুল ইসলাম বলেন, নিউমার্কেট থানা ছাত্রশিবিরের এক নেতা ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের বর্তমান সদস্যসচিবকে হুমকি দিয়েছেন। ওই নেতা জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ হয়েও প্রাণে বেঁচে ফিরেছিলেন। তাকে রাতভর হুমকি দেওয়া হয়েছে। তবে শুধু হুমকি দিলেই হয় না, সেটি বাস্তবায়নের সক্ষমতাও থাকতে হয়, আর সেই সক্ষমতা শিবিরের নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

তিনি বলেন, বুধবারও ঢাকায় শিবিরের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে লাঠি, সোটা ও পাইপ প্রদর্শন করেছেন বলে তারা খবর পেয়েছেন।

 

এ সময় রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ‘আমি স্পষ্ট ভাষায় বলছি, জামায়াত এবং শিবির—এই দুই দলকে মোকাবিলা করার জন্য একা ছাত্রদলই যথেষ্ট। আমার যুবদল লাগবে না, স্বেচ্ছাসেবক দল লাগবে না, বিএনপিও লাগবে না। শুধু ছাত্রদলই যথেষ্ট।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘যদি ইসলামী ছাত্রশিবির দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন, হুমকি, মববাজি ও সন্ত্রাসী কায়দায় রাজনীতি করতে চায়, তাহলে তাদের সেই পরিণতি ভোগ করতে হবে।’

 

রাকিব বলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সারা দেশে নিজেদের নেতাকর্মীদের সংযত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। জুলাই-আগস্টের স্মৃতিবিজড়িত এই সময়ে কোনো ধরনের উত্তেজনা ছড়িয়ে শিবিরকে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার সুযোগ দিতে চায় না ছাত্রদল।

 

তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলা, জেলা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের কমিটি রয়েছে। তারপরও কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় নেতাকর্মীরা সংযম দেখাচ্ছেন। তবে শিবির যদি ভবিষ্যতেও একইভাবে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন, হুমকি ও মববাজির রাজনীতি চালিয়ে যায়, তাহলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার মতো পরিণতি তাদের আবারও ভোগ করতে হবে।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।