খুঁজুন
, ,

টেকনাফে সীমান্তের ওপারে বিমান হামলার পর বাড়ছে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ
টেকনাফে সীমান্তের ওপারে বিমান হামলার পর বাড়ছে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা

Rohingya refugees, who crossed the border from Myanmar two days before, walk after they received permission from the Bangladeshi army to continue on to the refugee camps, in Palang Khali, near Cox's Bazar, Bangladesh October 19, 2017. REUTERS/Jorge Silva - RC1F66041E20

শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নতুন করে বিমান হামলার পর রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল বুধবার রাতের বিমান হামলার পর রাখাইন সীমান্তের ওপারে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক আরও তীব্র হয়েছে।

তারা আরও বলছেন, এরই মধ্যে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী আরসার হামলায় কয়েকজন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন।

রোহিঙ্গা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র জানায়, গতকালের বিমান হামলায় এক নারী ও দুই শিশু আহত হয়।

মংডু ও বুথিডংয়ে বসবাসরত আত্মীয়-স্বজনদের মাধ্যমে তারা এ তথ্য জানতে পেরেছেন।

টেকনাফের একটি ক্যাম্পের বাসিন্দা কলিমুল্লাহ জানান, তিন দিন আগে পাহাড়ি এলাকায় আরসার একটি দল আরাকান আর্মির কয়েকটি গাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকজন আরাকান আর্মি সদস্য নিহত হন।

তার মতে, এ হামলার পর আরাকান আর্মি স্থানীয় রোহিঙ্গাদের ওপর চাপ তৈরি করছে। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে আরসা ও মিয়ানমার সামরিক বাহিনীকে তথ্য দেওয়ার অভিযোগ তুলছে আরাকান আর্মি।

কলিমুল্লাহ বলেন, ‘বারবার বিমান হামলার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক চরম আকার ধারণ করেছে। আমরা শুনেছি অনেক রোহিঙ্গা নিরাপদ স্থানে চলে যেতে চাচ্ছেন, কিন্তু আরাকান আর্মি তাদের এলাকা ছাড়তে দিচ্ছে না।’

তিনি আরও জানান, মংডুর আশপাশে বসবাসরত অনেক রোহিঙ্গা ইতোমধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ করছেন এবং বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে লড়াই ও বিমান হামলা চলতে থাকলে অনেকেই হয়তো বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করবেন।

আরাকান আর্মির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবাল আরাকান নেটওয়ার্ক’ সাম্প্রতিক এ বিমান হামলা নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার দিবাগত রাত ৯টার পর মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর দুটি ফাইটার জেট বুথিডংয়ে বোমাবর্ষণ করে। এতে এক রোহিঙ্গা নারী ও দুই শিশু আহত হয়।

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, গত রোববার সকালে, বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এবং বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার পর মংডুর রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা এবং আরাকান আর্মির বেশ কয়েকটি অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়।

মংডুর বাসিন্দা এক রোহিঙ্গা নাম প্রকাশ না করার শর্তে টেলিফোনে জানান, বুধবার দিন ও রাতের বিমান হামলা মংডু শহরের কাছাকাছি এলাকায় চালানো হয়।

তবে বৃহস্পতিবার বিকেলের হামলা রাখাইন রাজ্যের আরও উত্তর দিকে হওয়ায় সীমান্ত থেকে বিস্ফোরণের শব্দ খুব একটা জোরালো শোনা যায়নি বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বুথিডংয়ের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে হামলা চালানো হলেও মংডুতে মিয়ানমার সেনাবাহিনী মূলত আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা করছে।

বাংলাদেশে নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত তেমন হয়নি।’

‘মানুষ এখনো রাখাইনের ভেতরেই কোনোমতে অস্থায়ী আশ্রয় খোঁজার চেষ্টা করছে। তবে বিমান হামলা ও সংঘর্ষ আরও তীব্র হলে অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালানোর চেষ্টা করতে পারে,’ বলেন তিনি।

যোগাযোগ করা হলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, বিমান হামলার শব্দ টেকনাফ থেকেও শোনা গেছে।

তিনি বলেন, ‘যখনই বিমান হামলা হয় সীমান্তের ওপারে বসবাসরতরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। আমরা আগে দেখেছি এমন পরিস্থিতিতে অনেক রোহিঙ্গা নাফ নদ পার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আমরা সর্বোচ্চ সর্তক অবস্থানে রয়েছি।’

বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে থেমে থেমে বিমান হামলা চলছে এবং সন্ধ্যার পর তা আরও তীব্র হয় বলে জানান তিনি।

এই বিজিবি কর্মকর্তা বলেন, ‘বিভিন্ন সূত্রের বরাতে ১৮ থেকে ২৭টি বোমা হামলার কথা জানা গেছে। সংখ্যার তারতম্য থাকলেও এটি স্পষ্ট যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিমান হামলা চালানো হয়েছে। আমরা প্রথম বুধবার সকাল ১০টা ২৪ মিনিটে বিমান হামলার খবর পাই এবং সারাদিন ধরেই এমন খবর আসতে থাকে।’

এদিকে, প্রায় ৭ মাস শান্ত থাকার পর বুধবার রাতে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী রাখাইন রাজ্যে পুনরায় বিমান হামলা শুরু করলে টেকনাফ সীমান্তের বাসিন্দাদের মধ্যেও তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

রাত সাড়ে ৯টার পরপরই চারটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দে জাদিমুড়া থেকে শাহ পরীর দ্বীপ পর্যন্ত এলাকার ঘরবাড়ি কেঁপে ওঠে, যার ফলে অনেক বাসিন্দা আতঙ্কে ঘর থেকে বের হয়ে আসেন।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম আনিস চৌধুরী বলেন, ‘মিয়ানমারের ভেতরের বিকট বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ সীমান্ত এলাকায় শোনা যাচ্ছে। আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি। সীমান্তের বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।’

# সূত্র : ডেইলি স্টার

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।