খুঁজুন
, ,

ট্রাক আটকে চাঁদা দাবি যুবদল নেতার, থানায় অভিযোগ ছাত্রদল নেতার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
ট্রাক আটকে চাঁদা দাবি যুবদল নেতার, থানায় অভিযোগ ছাত্রদল নেতার
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌরসভায় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে সরবরাহকৃত বালির ট্রাক আটকে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে পৌরসভা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হায়দার রাসেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় চাঁদা দাবির একাধিক অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে গাড়ি প্রতি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা দাবি করার কথা বলতে শোনা যায়।

 

অডিওতে সাইফুল হায়দার রাসেলকে বলতে শোনা যায়, পৌরসভার কোথাও মাটি বা বালি ফেলতে হলে তাকে টাকা দিতে হবে। অন্যথায় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প কিংবা বেসরকারি কোনো কাজই করা যাবে না।

 

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সাইফুল হায়দার রাসেলের চাঁদাবাজিতে তারা অতিষ্ঠ। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি গত ২৭ জানুয়ারি রাতে চাঁদা না দেওয়ায় মেসার্স নুর এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজারসহ কয়েকজনকে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় বুধবার (২৮ জানুয়ারি) থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন পৌরসভা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইসতিয়াক আহমদ চৌধুরী তানভীর।

 

এ বিষয়ে মেসার্স নুর এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী নুর উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, তিনি জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে দরপত্রের মাধ্যমে বালুমহাল ইজারা নিয়ে বৈধভাবে বালি বিক্রি করছেন। বিবিরহাট বাজারের সরকারি মডেল মসজিদ নির্মাণে গর্ত ভরাটে বালি সরবরাহের দায়িত্বও তার।

 

তিনি বলেন, গত ২৭ জানুয়ারি রাতে সাইফুল হায়দার রাসেল দলবল নিয়ে বালির গাড়ি আটক করে প্রথমে গাড়ি প্রতি ২০০ টাকা দাবি করেন। ম্যানেজার টাকা দিতে অস্বীকার করলে পরে গাড়ি প্রতি ১৫০ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না পেয়ে ম্যানেজার ও গাড়ির চালককে মারধর করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় ছাত্রদল নেতা তানভীরসহ কয়েকজন ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরকেও গালিগালাজ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে পুলিশকে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

 

দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে ফটিকছড়ি পৌরসভা যুবদলের সদস্য সচিবের দায়িত্ব পান সাইফুল হায়দার রাসেল। দায়িত্ব পাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে তিনি বিদেশে চলে যান। তৎকালীন সময়ে বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল। একই সঙ্গে পৌরসভা যুবদলের নেতাকর্মীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় যুবদল তাকে অব্যাহতি দিয়ে ওই কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ককে সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেয়।

 

দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থানের পর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সাইফুল হায়দার রাসেল দেশে ফেরেন। দেশে এসে সম্প্রতি তিনি পুনরায় ফটিকছড়ি পৌরসভা যুবদলের সাধারণ সম্পাদকের পদ বাগিয়ে নেন। এরপর থেকেই তিনি ফের বেপরোয়া হয়ে ওঠেন।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, সংগঠনের পদ ব্যবহার করে আসামি ধরিয়ে দেওয়া ও ছাড়িয়ে নেওয়া, জমি দখল ও বেদখল, প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়, সরকারি ইজারা নেওয়া বালুমহাল এবং রাস্তায় চলাচল করা মাটি ও বালুবাহী গাড়ি থেকে চাঁদা আদায় করে আসছেন তিনি। এছাড়া ভারত থেকে অবৈধভাবে আসা সিগারেট ও কসমেটিকসের সিন্ডিকেট থেকে মাসিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।

 

এ বিষয়ে সাইফুল হায়দার রাসেল গণমাধ্যমকে বলেন, আপনার কাছে চাঁদাদাবির কোনো অডিও থাকলে ছেড়ে দেন। মূল ঘটনা হচ্ছে তাদের ব্যবসায়িক পার্টনার একজন আওয়ামী লীগের নেতা। যিনি মামলার আসামি। আমি বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করেছি। এ কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা আমার ওপর হামলা করেছে। কিন্তু নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত থাকায় অভিযোগ দিতে পারিনি। শিগগিরই লিখিত অভিযোগ দেব। তারা এর আগেও যুবদল নেতার ওপর হামলা করেছিল।

 

ফটিকছড়ি পৌরসভা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব আহসানুল করিম রাজন গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে অনেকেই ফেসবুকে লেখালেখি করছেন। নির্বাচনের সময়ে এ ধরনের ঘটনা নিয়ে আমাদের দল বিব্রত হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন নেতারা বিষয়টি দেখবেন।

 

ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সেলিম সাংবাদিকদের বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় ভোলাখালে অষ্টম সেতু নির্মাণের প্রস্তাব

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় ভোলাখালে অষ্টম সেতু নির্মাণের প্রস্তাব
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ভোলাখালের ওপর মগনামা বাজারপাড়া থেকে বারবাকিয়া ইউনিয়নের বোধামাঝির ঘোনা পর্যন্ত ১০০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত সেতুটি নির্মিত হলে মগনামা ও বারবাকিয়ার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের পাশাপাশি পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার মানুষের যাতায়াত, পণ্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

সম্প্রতি সেতু নির্মাণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও প্রস্তাব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতু নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের মতে, সেতুটি বাস্তবায়িত হলে মগনামা ও বারবাকিয়ার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের পাশাপাশি পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার সঙ্গে মহেশখালী হয়ে চট্টগ্রামের যোগাযোগে একটি বিকল্প ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথ তৈরি হতে পারে। এতে যাতায়াতের সময় ও পেকুয়া বাজার কেন্দ্রীক যানজট ভোগান্তি কমার পাশাপাশি উপকূলীয় এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক কর্মকাণ্ড, কৃষিপণ্য,লবণ, মৎস্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে ‎ভোলাখালের বিভিন্ন অংশে ইতোমধ্যে সাতটি সেতু নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- মগনামা শরৎঘোনা–রাজাখালী নতুনঘোনা সেতু, পেকুয়া পশ্চিম গোঁয়াখালী অংশের রাবারড্যাম সেতু, পেকুয়া বাজার–বারবাকিয়া ফাঁশিয়াখালী সেতু, পেকুয়া মৌলভীপাড়া অংশের আঞ্চলিক মহাসড়ক সেতু, পেকুয়া-বারবাকিয়া বাজার সেতু, পেকুয়া সাবমেরিন নৌঘাঁটি সড়কের সালাহউদ্দিন সেতু এবং বাগুজারা-সাকুরপাড় সেতু।

স্থানীয়দের দাবি, এসব সেতুর ধারাবাহিকতায় মগনামা বাজারপাড়া-বোধামাঝির ঘোনা সেতুটি নির্মিত হলে ভোলাখালের ওপর এটি হবে অষ্টম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতু। সেতুটি নির্মিত হলে পেকুয়া উপজেলার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি কুতুবদিয়ার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

 

‎

 

‎এতে শিক্ষা, চিকিৎসা, লবণ,মৎস্য ও কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে দুই উপজেলার মানুষ সুফল পাবেন বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে পেকুয়া বাজারকেন্দ্রিক সড়কে যানবাহনের চাপও কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

 

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভোলাখাল মগনামা ও বারবাকিয়ার মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের ক্ষেত্রে একটি বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে আছে। খালের ওপর প্রস্তাবিত সেতুটি নির্মিত হলে দুই এলাকার মধ্যে যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতি ও জনজীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

 

‎দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশার পর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রেস সচিব ছফওয়ানুল করিম বলেন, ‘চকরিয়া-পেকুয়া-মাতামুহুরী অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় ভোলাখালের মগনামা বাজারপাড়া অংশে ১০০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও প্রস্তাব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদনের পর পরবর্তী প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতু নির্মাণের কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

 

‎তিনি বলেন, ‘সেতুটি নির্মিত হলে মগনামা, বারবাকিয়া ও আশপাশের এলাকার মানুষের চলাচল সহজ হওয়ার পাশাপাশি পেকুয়া-চকরিয়া অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগব্যবস্থায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।’

 

‎

 

‎পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসাইন বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের প্রচেষ্টায় মগনামা-বোধামাঝির ঘোনা সেতু নির্মাণের উদ্যোগের খবরে বারবাকিয়া ও আশপাশের এলাকার মানুষের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষ যোগাযোগের ক্ষেত্রে নানা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। সেতুটি নির্মিত হলে বারবাকিয়াসহ আশপাশের এলাকার সঙ্গে পেকুয়া উপজেলার সরাসরি ও সহজ যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠবে। একই সঙ্গে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের চলাচলেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

তিনি বলেন, ‘মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার মধ্যে যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও এ সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরুর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।’