খুঁজুন
, ,

দস্যু ও বৈরী প্রকৃতির চাপে জীবনসংগ্রাম

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:০৪ অপরাহ্ণ
দস্যু ও বৈরী প্রকৃতির চাপে জীবনসংগ্রাম
শেয়ার করুন

দেশের একমাত্র দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী। চারপাশে নীল সমুদ্র, মাঝখানে পাহাড়, লবণখেত ও ম্যানগ্রোভ বন। এখানকার প্রায় চার লাখ মানুষের জীবন যেন বৈরী প্রকৃতি, দস্যুতা ও উন্নয়নের জটিল চাপের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলছে। একদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ-ঝড়, অকাল বৃষ্টি ও জলোচ্ছ্বাস আর ডাকাতের আতঙ্ক। অন্যদিকে মাতারবাড়ী বা অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে উচ্ছেদ-সব মিলিয়ে মহেশখালীর মানুষের জীবন আজ এক কঠিন সমীকরণে।

এ উপজেলার অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি লবণচাষ। বছরের নির্দিষ্ট মৌসুমে হাজার হাজার শ্রমিক মাঠে নামেন লবণ উৎপাদন করতে। কিন্তু অকাল বৃষ্টি, খরচ বেড়ে যাওয়া এবং বাজারমূল্যে অস্থিরতায় চাষিরা বারবার লোকসানের মুখে পড়ছেন।

কালামারছড়ার বাসিন্দা লবণচাষি আব্দুল মালেক বলেন, আমরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম লবণচাষ করে আসছি। আগে মৌসুম ভালো হলে সংসার মোটামুটি চলে যেত। বছরের পর বছর মাঠে ঘাম ঝরাতাম, সেই ঘামে সংসারের চাকা ঘুরত। কিন্তু এখন সবকিছুই অনিশ্চিত। হঠাৎ বৃষ্টি নামলেই মাঠ ডুবে যায়, কয়েক মাসের খাটুনি এক মুহূর্তে শেষ হয়ে যায়। কখনো ঘূর্ণিঝড় আসে, কখনো অকাল বর্ষণে লবণ মাটি হয়ে যায়। তখন আর কোনো উপায় থাকে না, ধারদেনা করে দিন চালাতে হয়। তিনি বলেন, সরকারিভাবে লবণচাষিদের সহযোগিতার কথা শোনা যায়, নানা আশ্বাসও দেওয়া হয়; কিন্তু সেটা কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। বাস্তবে আমরা কোনো সাহায্য পাই না।

মহেশখালী ও সোনাদিয়ার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে আরও দুটি খাতের ওপর নির্ভরশীল-মৎস্য আহরণ ও পানচাষ। প্রতিদিন ভোরে শত শত জেলে নৌকা বা ট্রলার নিয়ে জীবনবাজি রেখে সমুদ্রে নামেন। ঝড়-তুফান, ট্রলারডুবি কিংবা জলদস্যু আতঙ্ক যেন তাদের নিত্যসঙ্গী। সোনাদিয়ার জেলে রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রতিদিন মৃত্যুভয়কে সঙ্গে নিয়ে মাছ ধরি। ঝড় উঠলে মনে হয় আর হয়তো তীরে ফিরতে পারব না। তবুও সংসারের দায়দায়িত্ব, সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার তাগিদ আমাদের পিছু হটতে দেয় না।

জলদস্যুদের ট্রলার আটকানো, মুক্তিপণ আদায় ও নির্যাতন-এসব ঘটনা এখন জেলেদের নিয়মিত অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়েছে। সোনাদিয়ার জেলে সালাউদ্দিন জানান, রাতে সমুদ্রে যাওয়া মানেই আতঙ্ক। কখন দস্যু এসে সব নিয়ে যাবে বলা যায় না। জীবন ও অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়। আমাদের প্রতিদিন সতর্ক থাকতে হয়।

শত শত পরিবার পানচাষের ওপর নির্ভরশীল। একসময় এই খাত তাদের আয়ের বড় উৎস ছিল। কিন্তু খরচ বেড়ে যাওয়া, রোগবালাই ও বাজারে অস্থিরতায় পানচাষিরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। মনোয়ারা বেগম বলেন, আগে পানের ফলন ভালো হতো, বাজারেও দাম মিলত। এখন সব খরচ মিটিয়ে হাতে কিছুই থাকে না, কখনো লোকসান গুনে ধারদেনা করতে হয়।

স্থানীয় সমাজকর্মী মোজাহার আলম বলেন, উপকূলের মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে যেমন যুদ্ধ করছে, তেমনই দস্যু-সন্ত্রাসের সঙ্গে লড়াই করছে। কার্যকর নজরদারি ছাড়া এই সমস্যা কমানো সম্ভব নয়। জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের নিয়মিত টহল, কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশের শক্তিশালী উপস্থিতি প্রয়োজন। নীতিগতভাবে স্থানীয় প্রশাসন সচেতন হলেও মাঠে তা প্রায়ই কার্যকর হয় না।

উন্নয়ন প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের আকুতি : মাতারবাড়ীতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে দীর্ঘদিন বিতর্ক চলছে। সরকারের বড় উন্নয়ন প্রকল্প হলেও স্থানীয় মানুষের বাস্তব জীবনে এর প্রভাব ছিল বিপরীত। প্রকল্পটি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে না পারায় বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন কৃষক নুরুল কবির। তিনি বলেন, আমাদের চাষের জমি চলে গেছে। ক্ষতিপূরণ পেয়েও ভবিষ্যতে টিকে থাকা সম্ভব নয়। আমরা চাই উন্নয়ন হোক, কিন্তু আমাদের না খাইয়ে নয়।

উচ্চাভিলাষী প্রকল্পের কারণে হাজারো পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে। অনেকেই পুনর্বাসনের জন্য অপেক্ষা করছে, তবু প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি তাড়াতাড়ি হওয়ায় তাদের জীবিকা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা সংকটে পড়েছে।

পরিবেশবাদী সংগঠক কলিম উল্লাহ বলেন, মহেশখালী, সোনাদিয়া ও মাতারবাড়ী-এই তিনটি এলাকা শুধু কক্সবাজারের নয়, পুরো দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখানে রয়েছে অনন্য জীববৈচিত্র্য, ম্যানগ্রোভ বন ও সমুদ্রসীমা। চাইলে এই অঞ্চলকে পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই করা যেত। পরিবেশ রক্ষা করে, স্থানীয় মানুষের জীবিকা সুরক্ষিত রেখে এবং পর্যটন, মৎস্য ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আধুনিকায়ন করা সম্ভব ছিল। কিন্তু বাস্তবে সেটা হয়নি।

এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, আমাদের উন্নয়ন কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হচ্ছে স্থানীয়দের জীবিকা টিকিয়ে রাখা এবং একই সঙ্গে এগিয়ে যাওয়া। মহেশখালী ও সোনাদিয়ার মানুষ বহুদিন ধরে লবণচাষ, মৎস্য আহরণ ও পানচাষের ওপর নির্ভরশীল। তাই এই তিনটি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রাকৃতিক ঝুঁকি, বাজারের অস্থিরতা এবং চাষাবাদের বাড়তি খরচের কারণে লবণচাষি, জেলে ও পানচাষিরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, সেগুলো সমাধানে সরকার সচেষ্ট। তিনি আরও বলেন, জলদস্যু ও সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য উপকূলের মানুষের জীবনে বড় প্রতিবন্ধকতা। তারা শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি করছে না, বরং মানুষের মনে ভয় সৃষ্টি করে জীবিকাকে অনিশ্চিত করছে। এজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে শক্তিশালী নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।