খুঁজুন
, ,

পরপর তিন ছেলেকে হত্যা, মা গোলজার বেগমের কান্না থামানোর কেউ নেই

আব্দুল কুদ্দুস রানা, প্রথম আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:২৫ অপরাহ্ণ
পরপর তিন ছেলেকে হত্যা, মা গোলজার বেগমের কান্না থামানোর কেউ নেই

উখিয়ার মনখালী গ্রামে ভোটের রাজনীতির বিরোধে একে একে তিন সন্তান হারিয়েছেন গোলজার বেগম। সর্বশেষ ইউপি সদস্য ছেলে কামাল হোসাইন হত্যার পাঁচ মাস পার হলেও কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। অসুস্থ বৃদ্ধা মা সন্তানের ছবি বুকে নিয়ে বিচারের আশায় দিন গুনছেন।

শেয়ার করুন

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার সমুদ্র উপকূলীয় জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের একটি গ্রাম মনখালী। গ্রামের মধ্যভাগে বটতলী পরিবার কল্যাণকেন্দ্র। পাশের একটি ঘরে একজন বৃদ্ধা নারীর বিলাপ শুনে থমকে দাঁড়ান পথচারী। কাউকে দেখলে তিনি বলে ওঠেন, ‘আঁর পোয়া (ছেলে) কামাল, জসিম আর জিয়ারে আনি দ’ (এনে দাও), নইলে আঁই হারে (কারে) লই বাঁইচ্ছুইম।’

বৃদ্ধার নাম গোলজার বেগম (৬৬)। এক যুগ আগে তাঁর স্বামী ছিদ্দিক আহমদের মৃত্যু হয়। তিনি ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর চার ছেলে তিন মেয়ে নিয়ে বৃদ্ধার নতুন জীবন শুরু। কিন্তু ভোটের রাজনীতি তাঁর সংসার তছনছ করে দিল। ১০ বছরের মাথায় গোলজার হারিয়ে ফেলেন তিন সন্তানকে।

১১ ডিসেম্বর দুপুরে ছিদ্দিক মেম্বারের ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা গেল নারীকণ্ঠের বিলাপের সুর। দুই কানি জমির ওপর টিনশেডের পুরোনো ভিটেবাড়ি। সাত মাস আগে ঘরের একটি অংশ ভেঙে পাকা ছাদ নির্মাণ করেন তাঁর ছেলে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামাল হোসাইন (৪২)। ১৫ দিন পর মাকে নিয়ে নতুন পাকা বাড়িতে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু এর আগেই দুর্বৃত্তরা কামাল হোসাইনকে হত্যা করে লাশ গুম করে। ভিটাতে দুই শতাধিক সুপারি ও কয়েকটি নারকেলগাছ। শীতের ঠান্ডা পরিবেশ ও উত্তরের হাওয়ায় নারীকণ্ঠের বিলাপ ভেসে বেড়ায়, মানুষের মনে দাগ কাটে। কিন্তু বৃদ্ধার মনের অশান্তি দূর করার কিংবা বিলাপ থামানোর কেউ নেই।

‘বাড়িতে কেউ আছেন’ বলে ডাক দিতেই ছুটে আসেন গোলজার বেগম। সঙ্গে নিহত কামালের স্ত্রী ও দুই নাতি। বাড়িতে নারী-শিশু ছাড়া কোনো পুরুষ নেই। পরিচয় পাওয়ার পর গোলজার বেগম ভেতর থেকে নিহত তিন ছেলের বাঁধাই করা তিনটি ছবি নিয়ে এলেন। বললেন, ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা একে একে আমার এই তিন ছেলেকে হত্যা করেছে। খুনিরা সবাই এলাকায় ঘোরাফেরা করছে। তাদের বিচার হয় না।’

  • পরপর খুন তিন ছেলে

নিহত তিনজনের বাবা ছিদ্দিক আহমদ এলাকায় নির্বাচিত ইউপি সদস্য ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর দুবার ইউপি সদস্য হন তাঁর ছেলে কামাল হোসাইন। মূলত নির্বাচন নিয়ে বিরোধের জের ধরেই কামালসহ ছিদ্দিকের তিন ছেলে হত্যার শিকার হন।

গত ৮ জুলাই দুপুরে জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কামাল হোসাইনের মরদেহ মনখালী গ্রামের একটি খাল থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত কামালের ছোট ভাই সাহাব উদ্দিন বাদী হয়ে ১১ জুলাই উখিয়া থানায় আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ-ছয়জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন মনখালী গ্রামের আবদুর রহিম, তোফাইল আহমদ, জুহুর আহমদ চৌধুরী, শরিফুল হক সাগর, জহির আহমদ, নুরুল বশর, মোহাম্মদ রিদুয়ান ও শরিফুল ইসলাম নাহিদ। হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে এলাকায় কয়েক দফা মানববন্ধন-প্রতিবাদ সমাবেশ করেন স্থানীয় লোকজন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো আসামি ধরা পড়েনি।

এর আগে ২০১৯ সালের ২৭ জুলাই ছিদ্দিকের বড় ছেলে জসিম উদ্দিনকে হত্যা করে মেরিন ড্রাইভের পূর্ব পাশে সাগরপাড়ে ফেলে রাখে। এ ঘটনায়ও সাহাবউদ্দিন বাদী অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। পুলিশ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। মামলাটি বর্তমানে পুলিশের অপরাধ দমন বিভাগ (সিআইডি) চট্টগ্রামে তদন্তাধীন। জসিম হত্যার তিন বছর আগে ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ছিদ্দিক আহমদের মেজ ছেলে জিয়া উদ্দিন সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। তবে পরিবারের দাবি, তাঁকেও হত্যা করা হয়েছে। ওই ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি।

ছিদ্দিক আহমদের বড় ছেলে জসিম উদ্দিনের হত্যার ঘটনায় মামলা করার পর থেকে আসামিরা তাঁর অপর দুই ছেলে সাহাবউদ্দিন ও ইউপি সদস্য কামালকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। সাহাব উদ্দিন বলেন, ২০২৪ সালে আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটলে অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হয়। তখন আসামিরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। গত ৮ জুলাই কামাল হোসাইনকে হত্যা করে লাশ খালে ফেলে রাখে তারা।

কামাল হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উখিয়া থানার এসআই দুর্জয় সরকার প্রথম আলোকে বলেন, ১১ জুলাই থেকে অন্তত ২০ দিন তিনি মামলার তদন্তকাজ পরিচালনা করেন। ওই সময়ে তিনি কামাল হত্যার নেপথ্যে কোনো সূত্র খুঁজে পাননি। কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করাও সম্ভব হয়নি। বর্তমানে মামলার তদন্ত করছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এ প্রসঙ্গে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ইমন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, তিন মাসে তদন্তের অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তবে এখনো ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে আসেনি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে এলে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হবে। ইমন চৌধুরী বলেন, মামলার আসামিরা সবাই হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়েছেন। সে জন্য গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না।

নিহত তিনজনের বাবা ছিদ্দিক আহমদ এলাকায় নির্বাচিত ইউপি সদস্য ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর দুবার ইউপি সদস্য হন তাঁর ছেলে কামাল হোসাইন। মূলত নির্বাচন নিয়ে বিরোধের জের ধরেই কামালসহ ছিদ্দিকের তিন ছেলে হত্যার শিকার হন।

  • খুনের পেছনে কারা

    স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইউপি নির্বাচনকে ঘিরেই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। বাদী ও আসামিরা পরস্পরের নিকটাত্মীয়। নিহত কামালের ভাগনে আকিল রানা বলেন, ২০১৭-১৮ সালে ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সদস্য পদে লড়েন সুলতান আহমদ ও কামাল হোসাইন। সুলতান নিহত কামালের চাচাতো ভাই। তখন আরেক চাচাতো ভাই জহুর আহমদ সুলতানের পক্ষে নির্বাচন করেন। সেই থেকে কামালের পরিবারের সঙ্গে জহুর আহমদ ও সুলতানের পরিবারের বিরোধ শুরু।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মনখালী গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি জানান, ২০২১ সালে কামাল হোসাইন ইউপি সদস্য পদে প্রার্থী হন। তখন অসুস্থতার কারণে সুলতান প্রার্থী হতে পারেননি। কিন্তু সুলতান ও জহুর আহমদের পরিবার কামালের বিরোধিতা করে মোহাম্মদ মুসার পক্ষে মাঠে নামে। বিপুল ভোটে মেম্বার নির্বাচিত হন কামাল হোসাইন। এরপর দুই পক্ষের বিরোধ চরম পর্যায়ে যায়। শুরু হয় খুনের রাজনীতি।

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।