খুঁজুন
, ,

প্রথম আলোর অফিস গুঁড়িয়ে দিতে হবে, তারা জঙ্গি তকমার ন্যারেটিভ তৈরি করে : ড. আব্বাসী

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
প্রথম আলোর অফিস গুঁড়িয়ে দিতে হবে, তারা জঙ্গি তকমার ন্যারেটিভ তৈরি করে : ড. আব্বাসী
শেয়ার করুন

তাহরিকে খতমে নুবুওয়াত বাংলাদেশ-এর আমির ড. সাইয়েদ মুহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী বলেছেন, যেভাবে ১৬ বছরের দালাল ভেসে গেছে, সেভাবে আরেকটা বিপ্লবের মাধ্যমে যারা মার্কিন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায় তারাও ভেসে যাবে বলে।

তিনি বলেন, পশ্চিমাদের পা চাটা গোলাম প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ জঙ্গি নাটকের পক্ষে তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সহযোগিতা করেছে। মুজিবের ৩২ নম্বর যদি ভাঙা যায়, তাহলে প্রথম আলো অফিসকে মাটির সাথে গুড়িয়ে দিতে হবে। এরাই বাংলাদেশের আলেমদের জঙ্গি তকমা দেওয়ার ন্যারেটিভ তৈরি করে।

আজ শুক্রবার বাদ জুমা ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনের কার্যালয়ের কার্যক্রম শুরুর প্রতিবাদে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে শাপলা চত্ত্বর পর্যন্ত একটি বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী।

তিনি বলেন, গত ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে আমরা চেয়েছিলাম একটি সুন্দর বাংলাদেশ। যেখানে থাকবে না বেইনসাফ, হানাহানি, সন্ত্রাস, খুনখারাবি।
হাজারো আলেম-উলামা, পীর-মাশায়েখের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে অভ্যুত্থান পরবর্তী এই বাংলাদেশের সরকার। অথচ আজ এই বাংলাদেশে সবচেয়ে পরাধীন হচ্ছে ইসলামপন্থীরা। তাদের জঙ্গিবাদি তকমা দিয়ে পরাজিত ফ্যাসিবাদি সরকারের ভাষা এখন শোনা যাচ্ছে বর্তমান সরকারের কিছু দায়িত্বশীলদের মধ্যে।
তিনি আরো বলেন, ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
অথচ আমরা এটা চাইনি। পৃথিবীর ১৬টি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন কাজ করে। প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ কি যুদ্ধবিধ্বস্ত নাকি স্বাধীন? তাহলে এখানে কেন জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন? তাহলে বোঝা যাচ্ছে, মার্কিন দালালরা বাংলাদেশকে যুদ্ধের দিকে ঢেলে দিচ্ছে।
তিনি বলেন, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে হলেও ৫৫ হাজার বর্গ মাইলের বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জায়গায় মার্কিন আগ্রাসনকে প্রতিষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে সাইফুদ্দীন কুতুব, ফখরুদ্দীন বাইবার্স, শাহ জালাল ইয়ামানির উত্তরসূরীরা দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় সশস্ত্র বিপ্লবের ডাক দিতে বাধ্য হবে।

জাতিসংঘ মানে ইউনাইটেড ন্যাশংস নাথিং বাট অ্যা ক্রিস্টিয়ান ক্লাব। জাতিসংঘ কখনো মুসলমানের জন্য কাজ করে না। অমুসলিমদের অধিকার রক্ষাই তাদের কাজ। গাজাতে বছরের পর বছর মুসলমানদের হত্যা করা হচ্ছে। সেখানে মানবাধিকার কমিশন কেন নাই? কাশ্মীরে মুসলমানদের হত্যা করা হচ্ছে, সেখানে মানবাধিকার কমিশন কেন নাই? চায়নার উইঘুরে মুসলমানদের হত্যা করা হচ্ছে। সেখানে মানবাধিকার কমিশন কেন নাই?

আল্লাহ ও তাঁর শেষ নবী (সা.)-এর সম্মান ও মর্যাদার বিরুদ্ধে যারা বক্তব্য দেবে তাদের শাস্তির দাবি করলেই তাদের পক্ষে মানবাধিকার কমিশন ঢাল হয়ে দাঁড়াবে। খিলাফত প্রতিষ্ঠার কথা যারা বলবে, জিহাদের কথা যারা বলবে জঙ্গি তকমা দিয়ে তাদের জেলখানায় বন্দি করতে চায়। আর সুযোগ দেওয়া হবে না। একজন আলেমকে জঙ্গি তকমা দিয়ে জেলখানায় ঢুকালে জেলখানার ইটগুলো একটা একটা খুলে নেওয়া হবে। যারা শরিয়াহ রাষ্ট্র চায়, যারা জিহাদে বিশ্বাসী তাদেরকেই পশ্চিমারা জঙ্গি বলে। আর যারা বুলেট নয়, ব্যালটের পূজারি, ওইসব পীর আর মৌলভিদের পশ্চিমারা মডারেট মুসলিম বলে। তারা মডারেট মুসলিম নয়; মুনাফেক মুসলিম।

ড. আব্বাসী বলেন, জঙ্গি শব্দের ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, টুইন টাওয়ার হামলার পর থেকে পশ্চিমারা প্র্যাক্টিসিং মুসলিমদের প্রশ্নবিদ্ধ করতে জিহাদের বিরোধিতা করতে জঙ্গি শব্দ আমদানি করেছে। আর পশ্চিমাদের পা চাটা গোলাম প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ জঙ্গি নাটকের পক্ষে তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সহযোগিতা করেছে। সেজন্য আমি বলব, মুজিবের ৩২ নম্বর যদ্ধি ভাঙা যায়, প্রথম আলো অফিসকে মাটির সাথে গুড়িয়ে দিতে হবে। এরাই বাংলাদেশের আলেমদের জঙ্গি তকমা দেওয়ার ন্যারেটিভ তৈরি করে।

তিনি আরো বলেন, জঙ্গি মানে যোদ্ধা। জঙ্গিবিমান মানে যুদ্ধের বিমান। ‍মুক্তিযোদ্ধারাও জঙ্গি। যেহেতু তারাও যোদ্ধা। এই শব্দের অপপ্রয়োগ শুরু হয়েছে যারা ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়, জিহাদের পক্ষে যারা তাদের কণ্ঠরোধ করার জন্য। তা মেনে নেওয়া হবে না।

সমাবেশে প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে তিনি বলেন, এই মহাসমাবেশ থেকে ড. ইউনূসকে বলছি, শুনে রাখুন, আপনার হালুয়া-রুটির ভাগ যারা খায় তারা আপনাকে বাঁচাতে পারবে না। অনতিবিলম্বে উলামায়ে কেরামকে জঙ্গি তকমা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। যেসমস্ত নির্যাতিত আলেম কারাগারে আছে তাদের মুক্তি দিতে হবে। জাতিসংঘের বিতর্কিত কমিশনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। নতুবা আমরা ‘মার্চ টু যমুনা’ দিতে বাধ্য হব।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় ভোলাখালে অষ্টম সেতু নির্মাণের প্রস্তাব

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় ভোলাখালে অষ্টম সেতু নির্মাণের প্রস্তাব
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ভোলাখালের ওপর মগনামা বাজারপাড়া থেকে বারবাকিয়া ইউনিয়নের বোধামাঝির ঘোনা পর্যন্ত ১০০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত সেতুটি নির্মিত হলে মগনামা ও বারবাকিয়ার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের পাশাপাশি পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার মানুষের যাতায়াত, পণ্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

সম্প্রতি সেতু নির্মাণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও প্রস্তাব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতু নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের মতে, সেতুটি বাস্তবায়িত হলে মগনামা ও বারবাকিয়ার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের পাশাপাশি পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার সঙ্গে মহেশখালী হয়ে চট্টগ্রামের যোগাযোগে একটি বিকল্প ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথ তৈরি হতে পারে। এতে যাতায়াতের সময় ও পেকুয়া বাজার কেন্দ্রীক যানজট ভোগান্তি কমার পাশাপাশি উপকূলীয় এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক কর্মকাণ্ড, কৃষিপণ্য,লবণ, মৎস্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে ‎ভোলাখালের বিভিন্ন অংশে ইতোমধ্যে সাতটি সেতু নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- মগনামা শরৎঘোনা–রাজাখালী নতুনঘোনা সেতু, পেকুয়া পশ্চিম গোঁয়াখালী অংশের রাবারড্যাম সেতু, পেকুয়া বাজার–বারবাকিয়া ফাঁশিয়াখালী সেতু, পেকুয়া মৌলভীপাড়া অংশের আঞ্চলিক মহাসড়ক সেতু, পেকুয়া-বারবাকিয়া বাজার সেতু, পেকুয়া সাবমেরিন নৌঘাঁটি সড়কের সালাহউদ্দিন সেতু এবং বাগুজারা-সাকুরপাড় সেতু।

স্থানীয়দের দাবি, এসব সেতুর ধারাবাহিকতায় মগনামা বাজারপাড়া-বোধামাঝির ঘোনা সেতুটি নির্মিত হলে ভোলাখালের ওপর এটি হবে অষ্টম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতু। সেতুটি নির্মিত হলে পেকুয়া উপজেলার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি কুতুবদিয়ার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

 

‎

 

‎এতে শিক্ষা, চিকিৎসা, লবণ,মৎস্য ও কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে দুই উপজেলার মানুষ সুফল পাবেন বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে পেকুয়া বাজারকেন্দ্রিক সড়কে যানবাহনের চাপও কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

 

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভোলাখাল মগনামা ও বারবাকিয়ার মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের ক্ষেত্রে একটি বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে আছে। খালের ওপর প্রস্তাবিত সেতুটি নির্মিত হলে দুই এলাকার মধ্যে যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতি ও জনজীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

 

‎দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশার পর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রেস সচিব ছফওয়ানুল করিম বলেন, ‘চকরিয়া-পেকুয়া-মাতামুহুরী অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় ভোলাখালের মগনামা বাজারপাড়া অংশে ১০০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও প্রস্তাব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদনের পর পরবর্তী প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতু নির্মাণের কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

 

‎তিনি বলেন, ‘সেতুটি নির্মিত হলে মগনামা, বারবাকিয়া ও আশপাশের এলাকার মানুষের চলাচল সহজ হওয়ার পাশাপাশি পেকুয়া-চকরিয়া অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগব্যবস্থায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।’

 

‎

 

‎পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসাইন বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের প্রচেষ্টায় মগনামা-বোধামাঝির ঘোনা সেতু নির্মাণের উদ্যোগের খবরে বারবাকিয়া ও আশপাশের এলাকার মানুষের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষ যোগাযোগের ক্ষেত্রে নানা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। সেতুটি নির্মিত হলে বারবাকিয়াসহ আশপাশের এলাকার সঙ্গে পেকুয়া উপজেলার সরাসরি ও সহজ যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠবে। একই সঙ্গে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের চলাচলেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

তিনি বলেন, ‘মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার মধ্যে যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও এ সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরুর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।’