খুঁজুন
, ,

বিশাল জয়ে সরকার গঠনের পথে বিএনপি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:১৯ পূর্বাহ্ণ
বিশাল জয়ে সরকার গঠনের পথে বিএনপি
শেয়ার করুন

দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে প্রাথমিক ও বেসরকারি প্রাপ্ত ফলাফলে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তাদের শরিক জোট।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই জোট এরিমধ্যে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন (১৫১) বেসরকারিভাবে নিশ্চিত করা করেছে।

গভীর রাত পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৪০টির বেসরকারি ফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায় বিএনপি ও শরিক জোট ১৮৫টি আসন নিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে রয়েছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (১১ দলীয় জোট) ৫২টি আসনে জয়লাভ করে দ্বিতীয় প্রধান শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র তিনটি আসনে জয় পেয়েছে। বাকি আসন ৭৬টি আসনের ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়া এখনও চলমান রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে দেশজড়ে একযোগে ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটদান চলে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হয় গণনা কার্যক্রম।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবারের নির্বাচনে অংশ নিয়েছে রেকর্ডসংখ্যক ৫০টি রাজনৈতিক দল। মোট ২ হাজার ২৯ জন প্রার্থীর মধ্যে দলীয় প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ২৭৪ জন। নারী প্রার্থীদের অংশগ্রহণও ছিল চোখে পড়ার মতো, যার সংখ্যা ৮০ জন। সব মিলিয়ে নির্বাচনে ১১৯টি প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল, যা ভোটারদের সামনে বহুমুখী বিকল্প তৈরি করেছে।

দিনের শুরুতে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল এই নির্বাচনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা নির্ধারণে তরুণ প্রজন্মের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নির্বাচনকে আরও প্রাণবন্ত ও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।

২০০৮ সালে নির্বাচন কমিশনে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর এটিই ছিল সর্বাধিক দলের অংশগ্রহণে সবচেয়ে বড় নির্বাচনি উৎসব। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ প্রায় সব বড় রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নির্বাচনটিকে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে।

ফলাফল পাল্টানোর চেষ্টার অভিযোগ জাতীয় নাগরিক পার্টিরফলাফল পাল্টানোর চেষ্টার অভিযোগ জাতীয় নাগরিক পার্টির
এখনও অনেক আসনের চূড়ান্ত ফলাফল আসা বাকি থাকলেও প্রাথমিক প্রবণতা বলছে, বিএনপি জোট একটি শক্তিশালী ম্যান্ডেট পেতে যাচ্ছে। তবে ১১ দলীয় জোটের হয়ে জামায়াতে ইসলামীর অভাবনীয় সাফল্য দেশের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এখন সারা দেশের মানুষের নজর নির্বাচন কমিশন ঘোষিত চূড়ান্ত ও পূর্ণাঙ্গ ফলাফলের দিকে।

বিএনপি জোট ১৮১ আসনে বিজয়ী, জামায়াত জোট ৫১

bnp jamayat

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটযুদ্ধে এগিয়ে আছে বিএনপি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (রাত সাড়ে ১২টা) বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি ও তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থীরা ১৮১টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে, বিএনিপর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় প্রার্থীরা জিতেছেন ৫১টি আসনে। স্বতন্ত্র ও অন্যান্য প্রার্থীরা জিতেছেন দুইটি আসন।

বিএনপি জোটের হয়ে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন- ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ তারেক রহমান, ঢাকা-১ খন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা-২ আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৬ ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৭ হামিদুর রহমান হামিদ, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-১৩ ববি হাজ্জাজ, ঢাকা-১৮ এস এম জাহাঙ্গীর, ঢাকা-২৯ তমিজ উদ্দিন, নরসিংদী-১ খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী-২ ড. আব্দুল মঈন খান, নরসিংদী-৩ মনজুর এলাহী, মানিকগঞ্জ-১ এস এ জিন্নাহ কবির, মানিকগঞ্জ-২ মঈনুল ইসলাম খান, মানিকগঞ্জ-৩ আফরোজা খানম রিতা, চট্টগ্রাম-২ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-২ সারওয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৩ মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৪ আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ মীর হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম-৬ গিয়াস উদ্দীন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৯ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১১ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ মোহাম্মদ এনামুল হক, কক্সবাজার-১ সালাহউদ্দিন আহমদ, কক্সবাজার-২ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজার-৩ লুৎফর রহমান কাজল, কক্সবাজার-৪ শাহজাহান চৌধুরী, রাঙ্গামাটি অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান, খাগড়াছড়ি আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া, কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-৩ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, কুমিল্লা-৪ এনসিপির হাসনাত আব্দুল্লাহ, কুমিল্লা-৬ মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ আবুল কালাম, পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঠাকুরগাঁও-৩ জাহিদুর রহমান জাহিদ, লালমনিরহাট-৩ আসাদুল হাবিব দুলু, দিনাজপুর-১ মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জয়পুরহাট-২ আব্দুর বারী জয়ী, ঝিনাইদহ-১ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, রাজবাড়ী-২ হারুন অর রশীদ, নাটোর-১ ফারজানা শারমীন, নাটোর-২ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৩ আনোয়ারুল ইসলাম, নাটোর-৪ আব্দুল আজিজ, পটুয়াখালী-৩ নুরুল হক নুর, বগুড়া-২ মীর শাহে আলম, ফেনী-৩ আব্দুল আউয়াল মিন্টু, মাগুরা-১ মনোয়ার হোসেন খান, মাগুরা-২ নিতাই রায় চৌধুরী, লক্ষ্মীপুর -১ শাহাদাত হোসেন সেলিম, লক্ষ্মীপুর -২ আবুল খায়ের ভুইয়া, লক্ষ্মীপুর -৩ শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, লক্ষ্মীপুর-৪ আশরাফ উদ্দিন নিজান, সিলেট-২ তাহসিনা রুশদ লুনা, সিলেট-৪ আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট-৬ ইমরান আহমেদ, ভোলা-২ মো. হাফিজ ইব্রাহিম, ফেনী-২ ভিপি জয়নাল, গাজীপুর-১ মজিবুর রহমান, শরীয়তপুর-৩ মিঞা নুরুদ্দীন আহমেদ অপু, সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, খুলনা-১ আমির এজাজ খান, খুলনা-৩ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪ আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা-৫ আলী আজগর লবি, যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, কুষ্টিয়া-১ রেজা আহমেদ বাচ্চু, ভোলা-১ আন্দালিভ রহমান পার্থ, ভোলা-৩ মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দীন আহমদ, পটুয়াখালী-১ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-৪ এবিএম মোশাররফ হোসেন, গোপালগঞ্জ-১ সেলিমুজ্জামান মোল্যা, গোপালগঞ্জ-৩ এস এম জিলানী, নওগাঁ-১ মোস্তাফিজুর রহমান, বান্দরবানে জয়ী সাচিং প্রু জেরী, সুনামগঞ্জ-২ আসনে নাসির উদ্দীন চৌধুরী জয়ী, সুনামগঞ্জ-৩ কয়ছর এম আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৪ নুরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ-৫ কলিমউদ্দীন আহমেদ মিলন, নাটোর-২ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৩ আনোয়ারুল ইসলাম আনু, পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২ ফরহাদ হোসেন আজাদ, বগুড়া-৪ মোশারফ হোসেন, বগুড়া-৭ মোর্শেদ আলম, ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ, ফরিদপুর-৩ চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, ফরিদপুর-৪ শহিদুল ইসলাম বাবুল, রাজবাড়ী-১ আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, নোয়াখালী-৩ বরকত উল্লাহ বুলু, বাগেরহাট-৩ শেখ ফরিদুল ইসলাম, ময়মনসিংহ-৮ লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, হবিগঞ্জ-১ রেজা কিবরিয়া, হবিগঞ্জ-২ সাখাওয়াত হোসেন জীবন, মৌলভীবাজার-৪ মুজিবুর রহমান চৌধুরী, নওগাঁ-৩ ফজলে হুদা, নওগাঁ-৪ একরামুল বারী টিপু, লালমনিরহাট-২ রোকন উদ্দিন বাবুল, নারায়ণগঞ্জ-১ মোস্তাফিজুর রহমান দীপু, টাঙ্গাইল-১ ফকির মাহবুব আনাম, টাঙ্গাইল-২ আব্দুস সালাম পিন্টু, টাঙ্গাইল-৪ লুৎফর রহমান খান মতিন, টাঙ্গাইল-৫ সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল-৬ মো. বরিউল আউয়াল, টাঙ্গাইল-৭ আবুল কালাম আজাদ, টাঙ্গাইল-৮ আহমদ আজম খান, নেত্রকোণা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, নেত্রকোণা-৪ লুৎফুজ্জামান বাবর, চাঁদপুর-১ এহসানুল হক মিলন, ভোলা-৪ নুরুল ইসলাম নয়ন, বরিশাল-৫ মজিবুর রহমান সারওয়ার, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে খালেদ হাসান মাহমুদ শ্যামল, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৪ ড. মুশফিকুর রহমান, মুন্সিগঞ্জ-৩ কামরুজ্জামান রতন, কিশোরগঞ্জ-১ মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ জালাল উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৩ ওসমান ফারুক, কিশোরগঞ্জ-৪ অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৬ শরীফুল আলম, জামালপুর-১ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামালপুর-২ সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর-৩ মুস্তাফিজুর রহমান বাবুল।

প্রথমবার নির্বাচনেই তারেক রহমানের জোড়া জয়!প্রথমবার নির্বাচনেই তারেক রহমানের জোড়া জয়!
জামায়াত জোটের হয়ে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন- নীলফামারী-১ আব্দুস সাত্তার, নীলফামারী-২ আল ফারুক আব্দুল লতিফ, নীলফামারী-২ আব্দুল মোন্তাকিম, নীলফামারী-২ ওবাইদুল্লাহ খান সালাফী, নওগাঁ-২ এনামুল হক, বাগেরহাট-৪ আব্দুল আলীম, ফরিদপুর-১ ড. ইলিয়াস মোল্লা, পিরোজপুর-১ মাসুদ সাঈদী, পাবনা-১ নজিবুর রহমান মোমেন, পাবনা-৩ আলী আজগর, ঝিনাইদহ-৩ মাওলানা মতিয়ার রহমান, জয়পুরহাট-১ ফজলুর রহমান সাঈদ, কুষ্টিয়া-২ আব্দুল গফুর, কুষ্টিয়া-৩ আমির হামজা, কুষ্টিয়া-৪ আফজাল হোসেন, যশোর-৪ গোলাম রসুল, যশোর-৬ মোক্তার আলী, খুলনা-৬ আবুল কালাম আজাদ, মেহেরপুর-১ তাজ উদ্দীন আহমদ, মেহেরপুর-২ নাজমুল হুদা, যশোর-১ আজিজুর রহমান, যশোর-২ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ, ঝিনাইদহ-৪ মাওলানা আবু তালিব, সাতক্ষীরা-১ আসনে ইজ্জত উল্লাহ বিজয়ী, সাতক্ষীরা-২ আসনে আব্দুল খালেক জয়ী, সাতক্ষীরা-৪ আসনে নজরুল ইসলাম জয়ী, রংপুর-৬ আসনে মাওলানা নুরুল আমিন, রংপুর-৪ আসনে আখতার হোসেন, রংপুর-৫ আসনে গোলাম রব্বানী, কুড়িগ্রাম-৪ মোস্তাফিজুর রহমান, রংপুর-১ আসনে রায়হান সিরাজী জয়ী, রংপুর-২ এটিএম আজহারুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৬ জহিরুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ কেরামত আলী।

সুনামগঞ্জ-১: বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী বিএনপির কামরুজ্জামান কামরুল

 

সুনামগঞ্জ–১ (ধর্মপাশা ও তাহিরপুর) আসনে বিএনপির কামরুজ্জামান কামরুল ৩৪, ৯৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের তোফায়েল আহমদ পেয়েছেন ২০ হাজার ৪০ ভোট।

দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বিএনপিদুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জনি রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকা-১৭ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বেসরকারি ফলে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ফেসবুক পেজ থেকে এক বার্তার মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিএনপি পেজের পোস্টে বলা হয়, ঢাকা-১৭ আসনে বেসরকারি ফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিজয়ী হয়েছেন। তবে কত ভোটের ব্যবধানে তিনি বিজয়ী হয়েছেন এ বিষযে এখনো কোনো কিছু বিস্তারিতভাবে জানানো হয়নি।

ফল ঘোষণার আগেই হার মেনে নিলেন শিশির মনিরফল ঘোষণার আগেই হার মেনে নিলেন শিশির মনির
এর আগে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়।

পটুয়াখালী ৩ আসনে নুরুল হক নুরের জয়

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে (দশমিনা-গলাচিপা) বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ট্রাক প্রতিকের নুরুল হক নুর।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) প্রার্থী ঘোড়া প্রতিকের হাসান মামুন। এক ফেসবুক পোস্টে হাসান মামুন নুরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

বগুড়া-৬: ২৭ কেন্দ্রে দ্বিগুণ ভোটে এগিয়ে তারেক রহমান

 

বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-৬ আসনের ২১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৪২৮ ভোট। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ৪২৮ ভোট।

কিছু আসনে এগিয়ে থাকলেও রিটার্নিং কর্মকর্তারা ফলাফল দিচ্ছে না: জামায়াত আমিরকিছু আসনে এগিয়ে থাকলেও রিটার্নিং কর্মকর্তারা ফলাফল দিচ্ছে না: জামায়াত আমির
আসনটিতে মোট ভোট কেন্দ্র ১৫০টি। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন। ভোট পড়েছে ৭১ দশমিক ১৫ শতাংশ।

বিএনপি প্রার্থী কায়কোবোদ কুমিল্লা-৩ আসনে নির্বাচিত

কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।

ঝিনাইদহ-১ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত বিএনপির প্রার্থী আসাদুজ্জামান

ঝিনাইদহ-১ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।

ঝিনাইদহ-১ আসনে তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোট। এ আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আবু ছালেহ মো. মতিউর রহমান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৫৭৭ ভোট।

২৯৯ আসনে ভোট গণনা চলছে, ফলাফলের অপেক্ষা২৯৯ আসনে ভোট গণনা চলছে, ফলাফলের অপেক্ষা
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দেশবাসীকে ইসির ধন্যবাদঅবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দেশবাসীকে ইসির ধন্যবাদ
এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ২৫ হাজার ২৭৮ জন। এরমধ্যে, পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৩ হাজার ১ জন। আর নারী ভোটার ১ লাখ ৬২ হাজার ২৭৭ জন।

কুমিল্লা-৪ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হাসনাত আবদুল্লাহ

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।

শাপলা কলি প্রতীকে হাসনাত আবদুল্লাহ পেয়েছেন এক লাখ ৭২ হাজার ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী জসীমউদ্দীন পেয়েছেন ২৬ হাজার ভোট।

এর আগে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারাদেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি দেশজুড়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় ভোলাখালে অষ্টম সেতু নির্মাণের প্রস্তাব

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় ভোলাখালে অষ্টম সেতু নির্মাণের প্রস্তাব
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ভোলাখালের ওপর মগনামা বাজারপাড়া থেকে বারবাকিয়া ইউনিয়নের বোধামাঝির ঘোনা পর্যন্ত ১০০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত সেতুটি নির্মিত হলে মগনামা ও বারবাকিয়ার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের পাশাপাশি পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার মানুষের যাতায়াত, পণ্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

সম্প্রতি সেতু নির্মাণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও প্রস্তাব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতু নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের মতে, সেতুটি বাস্তবায়িত হলে মগনামা ও বারবাকিয়ার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের পাশাপাশি পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার সঙ্গে মহেশখালী হয়ে চট্টগ্রামের যোগাযোগে একটি বিকল্প ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথ তৈরি হতে পারে। এতে যাতায়াতের সময় ও পেকুয়া বাজার কেন্দ্রীক যানজট ভোগান্তি কমার পাশাপাশি উপকূলীয় এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক কর্মকাণ্ড, কৃষিপণ্য,লবণ, মৎস্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে ‎ভোলাখালের বিভিন্ন অংশে ইতোমধ্যে সাতটি সেতু নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- মগনামা শরৎঘোনা–রাজাখালী নতুনঘোনা সেতু, পেকুয়া পশ্চিম গোঁয়াখালী অংশের রাবারড্যাম সেতু, পেকুয়া বাজার–বারবাকিয়া ফাঁশিয়াখালী সেতু, পেকুয়া মৌলভীপাড়া অংশের আঞ্চলিক মহাসড়ক সেতু, পেকুয়া-বারবাকিয়া বাজার সেতু, পেকুয়া সাবমেরিন নৌঘাঁটি সড়কের সালাহউদ্দিন সেতু এবং বাগুজারা-সাকুরপাড় সেতু।

স্থানীয়দের দাবি, এসব সেতুর ধারাবাহিকতায় মগনামা বাজারপাড়া-বোধামাঝির ঘোনা সেতুটি নির্মিত হলে ভোলাখালের ওপর এটি হবে অষ্টম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতু। সেতুটি নির্মিত হলে পেকুয়া উপজেলার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি কুতুবদিয়ার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

 

‎

 

‎এতে শিক্ষা, চিকিৎসা, লবণ,মৎস্য ও কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে দুই উপজেলার মানুষ সুফল পাবেন বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে পেকুয়া বাজারকেন্দ্রিক সড়কে যানবাহনের চাপও কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

 

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভোলাখাল মগনামা ও বারবাকিয়ার মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের ক্ষেত্রে একটি বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে আছে। খালের ওপর প্রস্তাবিত সেতুটি নির্মিত হলে দুই এলাকার মধ্যে যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতি ও জনজীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

 

‎দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশার পর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রেস সচিব ছফওয়ানুল করিম বলেন, ‘চকরিয়া-পেকুয়া-মাতামুহুরী অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় ভোলাখালের মগনামা বাজারপাড়া অংশে ১০০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও প্রস্তাব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদনের পর পরবর্তী প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতু নির্মাণের কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

 

‎তিনি বলেন, ‘সেতুটি নির্মিত হলে মগনামা, বারবাকিয়া ও আশপাশের এলাকার মানুষের চলাচল সহজ হওয়ার পাশাপাশি পেকুয়া-চকরিয়া অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগব্যবস্থায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।’

 

‎

 

‎পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসাইন বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের প্রচেষ্টায় মগনামা-বোধামাঝির ঘোনা সেতু নির্মাণের উদ্যোগের খবরে বারবাকিয়া ও আশপাশের এলাকার মানুষের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষ যোগাযোগের ক্ষেত্রে নানা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। সেতুটি নির্মিত হলে বারবাকিয়াসহ আশপাশের এলাকার সঙ্গে পেকুয়া উপজেলার সরাসরি ও সহজ যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠবে। একই সঙ্গে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের চলাচলেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

তিনি বলেন, ‘মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার মধ্যে যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও এ সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরুর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।’