খুঁজুন
, ,

যুক্তরাষ্ট্রকে সিসিলি ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিলো না ইতালি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রকে সিসিলি ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিলো না ইতালি
শেয়ার করুন

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে বিমান অভিযান পরিচালনা করার জন্য সিসিলি দ্বীপের সিগোনেল্লায় স্থাপিত নিজেদের বিমানঘাঁটি ব্যবহার করতে চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র, কিন্তু ইতালির সরকার তা অনুমোদন করেনি। আজ মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইতালির দৈনিক করিয়েরে দেল্লা সেরা।

 

সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে করিয়েরে দেল্লা সেরা জানিয়েছে, সম্প্রতি ইতালির সরকারি কর্তৃপক্ষ এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর সঙ্গে কোনো প্রকার পূর্বালোচনা না করেই সিগোনেল্লা ঘাঁটিতে কয়েকটি শক্তিশালী বোমারু বিমান পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনী। মূলত ইরানের সামরিক অভিযানে ব্যবহারের জন্যই পাঠানো হয়েছিল বিমানগুলো।

 

ব্যাপারটি জানতে পেরে ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ করে রোম জানিয়ে দেয়— মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক অভিযানে সিগোনেল্লা ঘাঁটি-কে ব্যবহার করা যাবে না এবং ইতালির অন্য কোনো ঘাঁটি যদি মার্কিন বাহিনী ব্যবহার করতে চায়— তাহলে অবশ্যই ইতালির সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে দাপ্তরিকভাবে অনুমতি নিতে হবে।

 

ইতালিতে মার্কিন সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকটি ঘাঁটি ও স্থাপনা আছে। সেগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো হলো আভিয়ানো বিমানঘাঁটি, ভিসেঞ্জা সেনাঘাঁটি, ক্যাম্প ডার্বি সেনাঘাঁটি, নেপলসের নৌঘাঁটি এবং সিগোনেল্লার বিমান ও নৌঘাঁটি।

 

 

তবে যুক্তরাষ্ট্র কতগুলো বিমান সিগোনেল্লায় এনেছিল— তা জানায়নি ইতালির সরকারি সূত্র। এ ব্যাপারে আরও বিস্তারিত জানতে ইতালির সরকারি ও সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স; কোনো কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

 

এর আগে স্পেন ইরান যুদ্ধে দুই স্পেনীয় সেনাঘাঁটি মোরোন ও রোতা ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

 

সূত্র : রয়টার্স

জুতো পালিশ থেকে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট, যেভাবে লুলার উত্থান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
জুতো পালিশ থেকে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট, যেভাবে লুলার উত্থান
শেয়ার করুন

ছোটবেলায় পরিবারের অভাব মেটাতে জুতো পালিশ করেছেন, রাস্তায় বিক্রি করেছেন চীনাবাদাম। জীবনের আরেক পর্যায়ে কারখানায় কাজ করতে গিয়ে হারিয়েছেন বাঁ হাতের কনিষ্ঠ আঙুল। শ্রমিকের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেমে জেলেও গেছেন। একসময় দুর্নীতির মামলায় কারাবন্দি হয়েছিলেন। সেই মানুষটিই বারবার ফিরে এসেছেন রাজনীতির ময়দানে।

এবার চতুর্থবারের মতো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ডানপন্থি ফ্লাভিও বলসোনারোকে হারিয়ে আবারও দেশটির ক্ষমতায় ফিরেছেন ৮০ বছর বয়সী এই বামপন্থি নেতা।

তার বিজয়ের মাধ্যমে ব্রাজিলে ফিরলো বাম-ধারা। যেন ‘রক্ষা’ পেল লাতিন আমেরিকার ‘শেষ বাম-দুর্গ’।

বিবিসির তথ্য বলছে, এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো নির্বাচনে জয় পেলেন লুলা। ২০০৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় ফেরেন।

টঙ্গীর সেই শিশুর বাবা রুমি দেশ ছেড়েছেন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ
টঙ্গীর সেই শিশুর বাবা রুমি দেশ ছেড়েছেন

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

শেয়ার করুন

টঙ্গীর একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের ঘটনায় আলোচনায় আসা শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি দেশ ছেড়েছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে রুমির পরিবার। তবে তিনি কোন দেশে গেছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পরিবারের সূত্রের দাবি, তিনি এখন বাংলাদেশে নেই এবং এ ঘটনা নিয়ে আর ভাবছেন না।

এর আগে, গত ২১ অক্টোবর টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিনকে মারধর করেন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি। পরে ওই শিক্ষককে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে শাহজালাল রুমি টঙ্গী পশ্চিম থানায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মামলা করেন।

এদিকে, মাদ্রাসার অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে রুমির বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করা হয়। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে ১৭ লাখ টাকা চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পাল্টা মামলা হওয়ার পর থেকে রুমি আড়ালে চলে যান বলে জানা গেছে।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে এর আগে রুমি বলেছিলেন, একজন আলেম হয়েও তিনি মিথ্যা বলেছেন এবং এখনো বলে যাচ্ছেন বলে তার অভিযোগ।

তবে রুমির দেশ ছাড়ার খবর, তার বর্তমান অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর সর্বশেষ অবস্থা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে খোকন চেয়ারম্যানের প্রতিবাদ, শিলখালীতে উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৮ পূর্বাহ্ণ
চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে খোকন চেয়ারম্যানের প্রতিবাদ, শিলখালীতে উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালীতে সরকারি দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও ঠিকাদারের ওপর হামলার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন। তাঁর দাবি, নির্মাণকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে ঠিকাদার আবু বকর ছিদ্দিকের সঙ্গে তাঁর তর্ক হয়। তবে তাঁর বিরুদ্ধে আনা চাঁদা দাবি ও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

 

খোকন চেয়ারম্যানের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় কয়েকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি সরেজমিনে নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রকল্পে ২ নম্বর কংকর ও সাগরের লবণাক্ত পানি ব্যবহার করে ঢালাইয়ের কাজ করার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। নির্মাণকাজের এসব অনিয়মের বিষয় তুলে ধরার পর ঠিকাদারের সঙ্গে তাঁর তর্ক হয় বলে জানান খোকন।

 

প্রকল্পের তথ্য

 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সাইনবোর্ডে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, ‘দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালীতে আশ্রয়কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

 

প্রকল্পের প্যাকেজ নম্বর DDM/MKP-RCN-021 এবং টেন্ডার আইডি 861512। সাইনবোর্ডে প্রকল্পটির প্রাক্কলিত মূল্য ৭ কোটি ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৫২৫ টাকা এবং চুক্তিমূল্য ৬ কোটি ৮৭ লাখ ৯৮ হাজার ৩২৭ টাকা উল্লেখ রয়েছে।

 

সাইনবোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নির্মাণকাজ শুরুর তারিখ ১৯ মে ২০২৪ এবং কাজ সমাপ্তির নির্ধারিত তারিখ ৩০ জুন ২০২৭। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ রয়েছে এস. অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা লিমিটেড, সদর, খাগড়াছড়ি।

 

আগের প্রকল্পেও অনিয়মের অভিযোগ

 

প্রতিবাদলিপিতে খোকন চেয়ারম্যান আরও দাবি করেন, এর আগে শামলাপুর বাজারে নির্মিত একটি সরকারি ভবনের কাজেও অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় তিনি শনাক্ত করেছিলেন। ওই ভবনের কংকর ও ঢালাইসহ বিভিন্ন কাজের মান নিয়ে আপত্তি তুলে অনিয়মের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।

 

উত্তর শীলখালীর আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ তোলার কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে বলে দাবি করেন খোকন চেয়ারম্যান। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।