মোরশেদ বলি হত্যা মামলার আসামি আব্দুল আজিজের রাজনৈতিক সক্রিয়তা, তৃণমূলে উদ্বেগ
কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের আলোচিত মোরশেদ আলী ওরফে মোরশেদ বলি হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আব্দুল আজিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। হত্যা, অস্ত্রধারণসহ বিভিন্ন গুরুতর মামলার আসামি হয়েও তিনি ছাত্রদলের ব্যানারে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে নিজেকে ‘পরিচ্ছন্ন ছাত্রনেত’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টায় ক্ষোভে ফুঁসছেন তৃণমূল ছাত্রনেতারা। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে কক্সবাজার শহর ও পিএমখালী এলাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সামনে দেখা যাচ্ছে আব্দুল আজিজকে। ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় রাজনীতির মঞ্চে দৃশ্যমান হওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, ২০২২ সালে পিএমখালীতে মোরশেদ বলিকে প্রকাশ্যে হত্যার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর দায়ের করা মামলায় মোট ২৬ জনকে আসামি করা হয়, তাদের মধ্যে অন্যতম আব্দুল আজিজ। নিহতের পরিবার জানায়, “জামিনে বের হয়ে আসামিরা এলাকায় আবারও প্রভাব খাটানো শুরু করেছে। রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে নিজেদের ‘নির্দোষ’ হিসেবে দেখাতে চাইছে।”
তাছাড়া ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পিএমখালী এলাকায় যৌথ বাহিনী বিশেষ অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ ৮ জনকে আটক করে। আটক ব্যক্তিদের তালিকায় ছিলেন আব্দুল আজিজও। অভিযানে উদ্ধার করা হয় বিদেশি পিস্তল, ওয়ানশুট গান, এলজি, ম্যাগাজিন ও কার্তুজসহ বিপুল অস্ত্রসামগ্রী
পিএমখালীর রাজনীতি সচেতন কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের আসামিরা রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে এলাকায় অবস্থান শক্ত করতে চায়। এতে সাধারণ মানুষের আতঙ্ক বাড়ছে এবং বিচার প্রক্রিয়া প্রভাবিত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এদিকে অভিযুক্ত আজিজের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ততার অজুহাতে ফোন কেটে দেন।

আপনার মতামত লিখুন