খুঁজুন
, ,

র‍্যাব ১৫: ইয়াবাকাণ্ডেই ৬৩৪ জনকে একযোগে প্রত্যাহার!

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ
র‍্যাব ১৫: ইয়াবাকাণ্ডেই ৬৩৪ জনকে একযোগে প্রত্যাহার!
শেয়ার করুন

কক্সবাজার ও বান্দরবানে দায়িত্বপ্রাপ্ত র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-১৫) ৬৩৪ জনকে একযোগে প্রত্যাহারের পেছনে ইয়াবাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। তবে, এটিকে নিয়মিত বদলি-পদায়ন প্রক্রিয়া বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

র‌্যাব সদর দপ্তরের পাঁচটি পৃথক আদেশে ব্যাটালিয়নের সকল স্তরের ৬৩৪ জনকে এমন গণপ্রত্যাহার ও বদলির ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) কামরুল হাসানের অনুমোদনক্রমে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মেজর ফয়সাল আহমেদ স্বাক্ষরিত ১৯ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপনে ১৯৮ জন সদস্যকে ও একই দিন আরেকটি প্রজ্ঞাপনে ২০০ জন সদস্যকে বদলি করা হয়। পৃথক প্রজ্ঞাপনে ১২ নভেম্বর ৬২ জনকে, ১৭ নভেম্বর ১০০ জনকে এবং ২৭ নভেম্বর আরও ৭৪ জন র‌্যাব সদস্যকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়।

ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (কমান্ডিং অফিসার-সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল ইসলামকে সংযুক্ত করা হয়েছে সদর দপ্তরে। নতুন অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ নেয়ামুল হালিম খান। পাশাপাশি তিন শতাধিক র‌্যাব সদস্যকে প্রত্যাহার করে অন্য ইউনিটে কর্মরতদের কক্সবাজার বদলি এবং তিন শতাধিক সদস্যকে কক্সবাজার থেকে অন্য ইউনিটগুলোতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এটিকে নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ বলে র‌্যাবের পক্ষে দাবি করা হলেও অভিযোগ উঠেছে, ইয়াবা সংক্রান্ত অবৈধ প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকায় র‌্যাব-১৫ এর সিওকে ক্লোজড ও সদস্যদের প্রত্যাহার করা হয়।

বাহিনীটির দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, র‌্যাবের সব কর্মকর্তারই নিজস্ব এফএস (ফিল্ড স্টাফ) থাকে। পুলিশের গোয়েন্দা শাখার মতো তারা সিভিল টিম হিসেবে কাজ ও তথ্য সরবরাহ করেন। কক্সবাজারে কথিত এই সিভিল টিমই ইয়াবা ব্যবসায়ীসহ চোরাকারবারিদের সাথে যোগাযোগ, অপরাধীদের সহায়তা ও বখরা নিয়ে ভাগ–বাটোয়ারা করে আসছিলেন। এ ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগেই প্রত্যাহার করা হয়েছে র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুলকে। একই সাথে বদলি করা হয়েছে বিভিন্ন বাহিনী থেকে আসা টু-আইসিসহ সব কর্মকর্তাকে।

কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ায় র‌্যাবের অপারেশন নিয়ে নানা সন্দেহ-সংশয় রয়েছে এলাকাবাসী ও গণমাধ্যমকর্মীদের মাঝেও। জানা যায়, একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নগদ ৬০ লাখ টাকা ও চার লাখ ইয়াবা আটকের পর ভাগ–বাটোয়ারা করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ইয়াবা জব্দের পর এই মামলায় গণনায় কম দেখানো ও আর্থিক কেলেঙ্কারির এই অভিযোগে বাহিনীটির অভ্যন্তরীণ তদন্তও চলছে।

এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর উখিয়ার কুতুপালং পশ্চিমপাড়ায় র‍্যাব অভিযান চালিয়ে দুই নারীকে ৮৯ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবাসহ আটক দেখায়। নগদ ১৬ লাখ ৭১ হাজার ৮৩০ টাকা জব্দের কথাও বলা হয়। মামলাটিতে যুবদল নেতা হেলাল উদ্দিনসহ আটজনকে পলাতক দেখানো হয়। ঘটনাটি ঘিরে গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে, প্রায় এক লাখ ১০ হাজার ইয়াবা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

নভেম্বরের শুরুতে র‍্যাব সদর দপ্তরের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক যুবক জানান, কয়েকদিন আগে র‍্যাবের কয়েকজন সদস্য তদন্তে এসেছিলেন। তারা সেলিম ও হেলালের খোঁজ নিয়েছিলেন। স্থানীয়দের মতে, সেলিম নামে দুইজন আছেন, একজন ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত এবং অন্যজন সাংবাদিক। তবে, এলাকায় তাদের সুনাম আছে। তাদের বিরুদ্ধে কখনও অন্য কোনো খারাপ অভিযোগ শোনা যায়নি।

তথ্য বলছে, আরেকটি বিতর্কিত অভিযান হয় ২৬ সেপ্টেম্বর হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা এলাকায়। ডজন মামলার আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার দেখায় র‍্যাব–১৫। তবে জব্দ তালিকায় মাত্র সাতটি ইটের টুকরা ও দুটি কাঠের লাঠি দেখানো হয়, যা স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রশ্ন ও সমালোচনার জন্ম দেয়।

দুই অভিযানেরই নেতৃত্বে ছিলেন তখনকার অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসান। তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত টেকনাফ এফএস কমান্ডার কর্পোরাল ইমামকেও এসব অভিযানের নেপথ্যের ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করছেন র‍্যাবের একাধিক সূত্র।

তবে, র‌্যাব সদর দপ্তরের মিডিয়া উইং-এর পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেকাব চৌধুরী দাবি করেছেন, প্রত্যাহার হওয়া সিও লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল এক বছরেরও বেশি সময় কক্সবাজারে কর্মরত ছিলেন। তাকে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। গত কয়েকদিনে ছয় শতাধিক কর্মকর্তা ও সদস্যকে অন্যত্র বদলির বিষয়টিও নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ।

র‌্যাব সদস্যদের বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসাসহ বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের কোনো বিষয় জড়িত থাকলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। র‌্যাব অবশ্যই তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। এক্ষেত্রেও অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে’।

তদন্ত কমিটি হয়েছে কি না জানতে চাইলে উইং কমান্ডার ইন্তেকাব বলেন, ‘আমার জানা নেই, খোঁজ নিতে হবে’।

তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারে কর্মরত সব র‌্যাব সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়নি। বিষয়টি সদর দপ্তরের অপারেশন শাখা থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে’।

সূত্র: সমাজকাল অনলাইন

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।