খুঁজুন
, ,

‘হাসপাতালে রেফারের কথা বলে কারাগারে, ইফতারের পানিটুকুও দেয়নি পুলিশ’

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
‘হাসপাতালে রেফারের কথা বলে কারাগারে, ইফতারের পানিটুকুও দেয়নি পুলিশ’
শেয়ার করুন

‘আমি এবং আমার মেয়েকে পুলিশ প্রচণ্ড মারধর করে। মারধরের পর থানায় ইউএনও স্যার আসেন। আমরা তখন মনে করেছিলেন ইউএনও স্যার আমাদেরকে রক্ষা করতে এসেছেন। কিন্তু ওনি আমাদেরকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখার পরও কিছু না বলে উপরে চলে যান। আমরা অনেক অনুরোধ করেছিলাম আমাদেরকে রক্ষা করার জন্য। কিন্তু শুনেন নি। এরপর পুলিশ আমাদেরকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফারের কথা বলে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। নেয়ার পথে ইফতারের সময় হলে পানির জন্য অনেক আকুতি মিনতি করি, কিন্তু পানিও দেয়নি। অথচ ইফতারের জন্য তাদের হাতে ফ্রুটিকা ছিলো। আমাদেরকে ইফতারটাও করতে দেয়নি। পরে হাসপাতালের কথা বলে কারাগারে ঢুকিয়ে দেয়। আমাদের শারীরিক আঘাতের অবস্থা দেখে কারা কর্তৃপক্ষ প্রথমে গ্রহণ করতে চায়নি। পরে ইউএনও ফোন করায় কারা কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করে।’

 

 

ঘুষের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে মারধরের পর ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে সাজা দেয়া হয়েছিলো পেকুয়ার রেহেনা মোস্তফা রানু (৩৮) ও তার মেয়ে কলেজ শিক্ষার্থী জুবাইদা জান্নাতকে (২৩)। বিতর্কের মুখে শনিবার (৭ মার্চ) সেই মামলা থেকে খালাস দেয় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। মুক্তি পেয়ে শনিবার রাতে চ্যানেল 24-কে পুলিশের বিরুদ্ধে ভয়াবহ নির্যাতন ও ইউএনও’র বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অপব্যবহারের এভাবেই বর্ণনা দেন ভুক্তভোগী রেহেনা আক্তার।

 

 

রেহেনা ও তার মেয়ে জুবাইদার শরীরের বেশিরভাগ অংশে আঘাতের চিহ্ন। মুক্তির পর দ্রুত তাদেরকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে কথা হয় রেহেনার সঙ্গে। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মেয়ে ঠিকমতো কথাও বলতে পারছেন না।

 

 

জানা গেছে, জুবাইদার জন্মের পর রেহেনা ও তার স্বামীর মধ্যে বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর ২০১৩ সালে জুবাইদার বাবার মৃত্যু হলে সম্পত্তির ভাগের জন্য চাচা ও ফুফুদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। কিন্তু তারা সম্পত্তির ভাগ থেকে বঞ্চিত করার জন্য জুবাইদাকে অস্বীকার করা শুরু করেন। সবদিকে দৌড়াদৌড়ির পর ক্লান্ত জুবাইদা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। আদালত মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেয় পেকুয়া থানাকে। পেকুয়া থানা থেকে মামলার তদন্তভার যায় এসআই পল্লবের কাছে। এসআই পল্লব প্রতিবেদন দিতে খরচাপাতির দরকার আছে জানিয়ে জুবাইদার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়। ঘুষ নেয়ার পরও জুবাইদার চাচাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মিথ্যা প্রতিবেদন দেন বলে অভিযোগ তাদের।

 

 

জানা গেছে, ভুল প্রতিবেদন দেয়ায় জুবাইদা এসআই পল্লবের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু কোনভাবেই সাড়া না পাওয়ায় গত বুধবার বিকেলে পেকুয়া থানায় গিয়ে এসআই পল্লবের কাছ থেকে ঘুষের টাকা ফেরত চান। এতেই বাঁধে বিপত্তি। শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। এক পর্যায়ে জুবাইদা ও তার মা রেহেনাকে মারধর শুরু করেন। মেরে রক্তাক্ত করার পর ইউএনওকে ডেকে পাঠান পেকুয়া থানার ওসি খাইরুল আলম। ইউএনও’র সামনে ঘটনা না ঘটা স্বত্বেও পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ তুলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মা-মেয়েকে এক মাসের সাজা দেন। পরে বিতর্কের মুখে শনিবার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সেই মামলা খারিজ করে মা-মেয়েকে খালাস দেন। এরপর মুক্তি পান তারা।

 

 

শুক্রবার মুঠোফোনে ইউএনও মাহবু আলম জানিয়েছিলেন, থানার ভেতর তার (ইউএনও) সামনে পুলিশের উপর হামলা করায় তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেন। সাজার বিষয়ে অভিযুক্তদের (মা-মেয়ে) সামনাসামনি জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মুক্তি পাওয়ার পর জুবাইদার মায়ের অভিযোগ, ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিষয়ে তারা কিছুই জানতেন না, তাদের সামনে বিচারিক কার্যক্রম হয়নি। কক্সবাজার পৌঁছে কারাগারে প্রবেশের সময় জানতে পারেন তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেয়া হয়েছে।

 

 

তবে ঘটনার পর থেকে একটি প্রশ্নের উত্তর মিলছে না। স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী জুবাইদা ও তার মা পুলিশের উপর হামলা করেছে। শারীরিকভাবে আঘাত করেছে। থানার ভেতর ঢুকে শারীরিকভাবে আঘাত করার ঘটনায় ফৌজধারী আইনে মামলা করে পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে পারতো। কিন্তু সেটা না করে পুলিশের উপর হামলা দেখিয়ে ইউএনওকে ব্যবহার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেন, যা সত্যিই উদ্বেগজনক। অতীতে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেয়া হয়েছে এমন ঘটনার নজির খুব কম। তাদের সন্দেহ, ঘুষ আদায় ও মা-মেয়েকে থানার ভেতর নির্যাতনের ঘটনা আড়াল করতে ইউএনও’কে ব্যবহার করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এই ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে ইউএনও, ওসি ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তি দাবি করেন তারা।

 

 

এদিকে মা-মেয়েকে নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে পেকুয়া থানার ওসির সঙ্গে একাধিকবার ফোন করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন ধরেন নি। শুক্রবার ফোনে কথা বললেও শনিবার ফোন ধরেন নি অভিযুক্ত ইউএনও মাহবুব আলম।

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।