খুঁজুন
, ,

১৬ দফা প্রস্তাবনা পে কমিশনে পেশ করলো বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫, ১:৪৩ অপরাহ্ণ
১৬ দফা প্রস্তাবনা পে কমিশনে পেশ করলো বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন
শেয়ার করুন

সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদ বোনাস দ্বিগুণ করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ)। বুধবার (২৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে নবম জাতীয় পে কমিশনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ ১৬ দফা লিখিত প্রস্তাবনা তুলে ধরে সংগঠনটি।

সভায় বিএফএ নেতারা বলেন, বন অধিদপ্তরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দেশের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জীবনঝুঁকি নিয়ে মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন। তাদের বেতন-ভাতা যুগোপযোগী পর্যায়ে উন্নীত করা এখন সময়ের দাবি।

ডিপ্লোমাধারী ফরেস্টারদের ১০ম গ্রেড চাই

লিখিত প্রস্তাবে জানানো হয়—অর্থ মন্ত্রণালয়ের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বন অধিদপ্তরে নিয়োজিত ডিপ্লোমা-ইন-ফরেস্ট্রি ডিগ্রিধারী ফরেস্টারদের বেতন গ্রেড অন্যান্য ডিপ্লোমাধারীদের ন্যায় ১০ম গ্রেডে উন্নীত করতে হবে এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তা মর্যাদা প্রদান করতে হবে।

এছাড়া হাইকোর্টের রায় (রিট নং ৭০০১/২০১৭) ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা (সিভিল পিটিশন নং ২৭৩৬/২০২১) অনুযায়ী ফরেস্টারদের প্রাপ্য বেতন ও পদমর্যাদা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।

বেতন, ভাতা ও বোনাসে বড় ধরনের প্রস্তাব

বিএফএ সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার এবং সর্বোচ্চ এক লাখ ৪০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করেছে। পাশাপাশি সকল গ্রেডে বাড়ি ভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৬০% করার দাবি জানানো হয়।

শিক্ষা ভাতা একজন সন্তানের জন্য ২ হাজার এবং দুই সন্তানের জন্য ৪ হাজার, চিকিৎসা ভাতা ৫ হাজার, টিফিন ভাতা ৩ হাজার এবং বৈশাখী ভাতা মূল বেতনের ১০০% করার প্রস্তাব করা হয়।

সবচেয়ে আলোচিত প্রস্তাব হলো ঈদ বোনাস দ্বিগুণ করা—যাতে সকল গ্রেডের সরকারি কর্মচারী মূল বেতনের ২০০% ঈদ বোনাস পান।

ঝুঁকিপূর্ণ পেশা—তাই ঝুঁকি ভাতা ৫০%

বিএফএ বলেছে, বন বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বন্যপ্রাণী পাচার রোধ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। তাই তাদের ঝুঁকি ভাতা মূল বেতনের ৫০% নির্ধারণ করতে হবে।

এছাড়া বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ১০%, পেনশন ১০০% করা এবং প্রতি ৫ বছর পর পর নতুন পে কমিশন গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।

ইউনিফর্ম, রেশন ও চিকিৎসা সুরক্ষার দাবি

প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়—

ইউনিফর্মধারী বন কর্মীদের বছরে ৩ বার ইউনিফর্ম ভাতা ও ধোলাই ভাতা প্রদান করতে হবে।

অন্যান্য বাহিনীর ন্যায় রেশন সুবিধা চালু করতে হবে।

সরকারি দায়িত্ব পালনকালে আহত বা নিহত হলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।

বিএফএর ১৬ দফা প্রস্তাব এক নজরে

১) ডিপ্লোমাধারী ফরেস্টারদের ১০ম গ্রেড ও দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদা
২) আদালতের নির্দেশনায় বেতন-পদমর্যাদা বাস্তবায়ন
৩) বেতন স্কেল: ৩৫,০০০–১,৪০,০০০ টাকা
৪) বাড়ি ভাড়া ভাতা ৬০%
৫) শিক্ষা ভাতা: ১ সন্তান ২০০০, ২ সন্তানে ৪০০০ টাকা
৬) চিকিৎসা ভাতা ৫০০০ টাকা
৭) টিফিন ভাতা ৩০০০ টাকা
৮) বৈশাখী ভাতা ১০০%
৯) ঈদ বোনাস ২০০%
১০) ঝুঁকি ভাতা ৫০%
১১) ইনক্রিমেন্ট ১০%
১২) পেনশন ১০০%
১৩) প্রতি ৫ বছরে নতুন পে কমিশন
১৪) বছরে ৩ বার ইউনিফর্ম ও ধোলাই ভাতা
১৫) রেশন সুবিধা
১৬) দায়িত্ব পালনকালে আহত/নিহত হলে বিশেষ সেবা ও ক্ষতিপূরণ

বিএফএ নেতারা আশা প্রকাশ করেন, নবম জাতীয় বেতন কাঠামোতে তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো অন্তর্ভুক্ত হবে এবং মাঠ পর্যায়ের বন কর্মীদের আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।