খুঁজুন
, ,

১৬ বছরের সম্পত্তি বিরোধে নতুন মোড়, আবু বক্কর সিদ্দিকের দখলচেষ্টার অভিযোগ; লিগ্যাল এইডে আবেদন নাকচ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
১৬ বছরের সম্পত্তি বিরোধে নতুন মোড়, আবু বক্কর সিদ্দিকের দখলচেষ্টার অভিযোগ; লিগ্যাল এইডে আবেদন নাকচ
শেয়ার করুন

প্রবাসে থেকে কষ্টার্জিত অর্থে কেনা জমি রক্ষা করতে গিয়ে আমাকে টানা চার মাস মিথ্যাচার, সংঘবদ্ধ ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাসী হামলা ও মিথ্যা আবেদনের মুখোমুখি হতে হয়েছে। অবশেষে গত ১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে কক্সবাজার জেলা লিগ্যাল এইড অফিস সরেজমিন পরিমাপ, কমিশন প্রতিবেদন ও উভয় পক্ষের দলিল পর্যালোচনা শেষে সাবেক সিভিল সার্জন ডা. ফরিদ উদ্দিন মো. ওসমানের দায়ের করা দখল পুনরুদ্ধারের আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন।

 

২০১০ সালে আমি চন্দ্রিমা বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড থেকে রেজিস্ট্রিমূলে প্লটটি ক্রয় করে। বি.এস. দাগ নং ২২৫১৪, প্লট নং ৪৭। সেই থেকে টানা ১৬ বছর ধরে আমরা এই জমি নিরবচ্ছিন্নভাবে, প্রকাশ্যে ও বিনা বাধায় ভোগদখল করে আসছি। এই ১৬ বছরে কোনো দিন, কোনো পক্ষ থেকে আমাদের দখল নিয়ে আপত্তি ওঠেনি।

অন্যদিকে ডা. ফরিদ উদ্দিন মো. ওসমান যে জমির দাবি করছেন, সেটি তাঁর প্রয়াত স্ত্রীর নামে ২০০৮ সালে রেজিস্ট্রিকৃত — বি.এস. দাগ নং ২২৫১৮, প্লট নং ২৮। স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি ও তাঁর সন্তানেরা ওয়ারিশ সূত্রে দাবিদার হলেও অদ্যাবধি তাঁদের কারও নামে কোনো দলিল সৃষ্টি হয়নি, কোনো খতিয়ানও সৃষ্টি হয়নি।

এখানেই ঘটনার মূল সত্যটি লুকিয়ে আছে — দুই পক্ষের দাগ নম্বর ভিন্ন, প্লট নম্বর ভিন্ন, জমির অবস্থানই ভিন্ন। অর্থাৎ দাবির কোনো ভিত্তিই ছিল না। এই মৌলিক সত্যটি জেনেও যে কার্যক্রম চালানো হয়েছে, সেটিকে আমরা সুস্পষ্ট প্রতারণা ছাড়া আর কিছু বলতে পারি না।

 

৬ এপ্রিল ২০২৬। ডা. ফরিদ উদ্দিন মো. ওসমান সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে একাধিক সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করেন। ওই সংবাদে দাবি করা হয় — ২০০৮ সালে প্লট রেজিস্ট্রির পর আমাকে জায়গাটি ভাড়া দেওয়া হয়েছিল, এবং ২০২৬ সালে এসে আমি জায়গা ছাড়ছি না।

এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি কোনোদিন ওই জমির ভাড়াটিয়া ছিলাম না — আমি রেজিস্ট্রিমূলে ক্রয়কৃত বৈধ মালিক। ভাড়ার সপক্ষে আজ পর্যন্ত একটি চুক্তিপত্র, একটি রসিদ কিংবা একটি প্রমাণও ওসমান দেখাতে পারেনি।

আমরা মনে করি, জোরপূর্বক দখলের আগে জনমত বিভ্রান্ত করা এবং প্রবাসী একজন মানুষকে সামাজিকভাবে হেয় করাই ছিল এই মিথ্যা প্রচারণার উদ্দেশ্য। এতে আবু বক্কর ছিদ্দিকের ব্যক্তিগত ও সামাজিক সম্মানহানি হয়েছে।

৬ এপ্রিল ২০২৬। পরিস্থিতির গতিপ্রকৃতি বুঝে এবং জোরপূর্বক দখলের আশঙ্কায় পরদিনই কক্সবাজার সদর মডেল থানায় এজাহার দায়ের করি।

 

১৩ এপ্রিল ২০২৬। ডা. ফরিদ উদ্দিন মো. ওসমান চন্দ্রিমা বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক হোছাইন আহমদ আনসারী-কে সঙ্গে নিয়ে, আমার সম্পূর্ণ অগোচরে, সমিতির প্যাডে একটি একতরফা সিদ্ধান্ত তৈরি করেন।

আমাকে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি। আমাদর বক্তব্য শোনা হয়নি। কোনো শুনানির সুযোগ দেওয়া হয়নি। যে সমিতি থেকে আমি নিজেই জমি ক্রয় করেছি, সেই সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিজের পদ ও প্যাডকে ব্যবহার করে গোপনে বিরোধী পক্ষের অনুকূলে কাগজ তৈরি করবেন — এটি আমার কাছে ক্ষমতার সুস্পষ্ট অপব্যবহার এবং ষড়যন্ত্রে সরাসরি অংশগ্রহণ বলেই প্রতীয়মান হয়।

১৬ এপ্রিল ২০২৬। থানায় অভিযোগ দায়েরের পরও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় আমি নিম্ন আদালতের শরণাপন্ন হয় এবং সি.আর. মামলা নং ৫৪৮/২০২৬ দায়ের করি । মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন।

 

৩০ এপ্রিল ২০২৬। কাগজে-কলমে দাবি প্রতিষ্ঠা করতে না পেরে এবার সরাসরি পেশিশক্তির আশ্রয় নেওয়া হয়। ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমার ১৬ বছরের রেজিস্ট্রিযুক্ত ভোগদখলীয় প্লটটি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালানো হয়।

এই ন্যক্কারজনক হামলায় জড়িতদের একাংশ পরবর্তীতে কারাভোগ করেছেন। ডা. ওসমানের তথাকথিত বায়নাসূত্রে জমির দাবিদার নুরুল ইসলাম ওরফে ‘বার্মাইয়া নুরুল ইসলাম’ কারাভোগ পরবর্তী বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।

এ ঘটনায় পৃথকভাবে সি.আর. মামলা নং ৬৮৩/২০২৬ নিম্ন আদালতে দায়ের করা হয়েছে, যা চলমান।

 

৭ মে ২০২৬। জোরপূর্বক দখলে ব্যর্থ হয়ে ডা. ফরিদ উদ্দিন মো. ওসমান আমাকে প্রতিপক্ষ করে কক্সবাজার জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে দখল পুনরুদ্ধারের আবেদন করেন।

এখানেই ঘটে ঘটনার সবচেয়ে চমকপ্রদ মোড়। যিনি এক মাস আগে সংবাদমাধ্যমে আমাকে “ভাড়াটিয়া” বলে প্রচার করেছিলেন, তিনিই এবার লিখিত আবেদনে দাবি করলেন — ২০২৩ সালে আবু বক্কর ছিদ্দিক তাঁকে জমি থেকে উচ্ছেদ করেছেন!

দুটি বক্তব্য একসঙ্গে সত্য হতে পারে না। একজন মানুষ একই সঙ্গে “ভাড়াটিয়া” এবং “উচ্ছেদকারী” হতে পারেন না। এই স্ববিরোধিতাই প্রমাণ করে, প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য বদলে ফেলা হচ্ছিল।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় — ২০২৩ সালে উচ্ছেদের দাবির সপক্ষে কিংবা অতীতে ওই জমিতে নিজের দখল থাকার সপক্ষে একটি প্রমাণও তিনি উপস্থাপন করতে পারেননি।

 

বিজ্ঞ লিগ্যাল এইড অফিসার উভয় পক্ষের দলিলপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করে লক্ষ্য করেন যে, আবু বক্কর ছিদ্দিক এবং আবেদনকারীর পক্ষে দাবিকৃত জমির বি.এস. দাগ ও প্লট নম্বর সম্পূর্ণ

ভিন্ন।

 

সত্যতা নিশ্চিত করতে তিনি কমিশন নিয়োগ দেন। ২১ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিজ্ঞ লিগ্যাল এইড অফিসার নিজে সরেজমিনে উপস্থিত হন এবং নিয়োগকৃত অ্যাডভোকেট কমিশনার ও সিভিল কোর্ট কমিশনার জমি পরিমাপ করেন।

২৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে প্রদত্ত প্রাথমিক লিখিত আদেশে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়:

 

প্রতিপক্ষ আবু বক্কর ছিদ্দিক বি.এস. ২২৫১৪ দাগের ৪৭ নং প্লটে সঠিক অবস্থানে ও সঠিকভাবে ভোগদখলে রয়েছেন। আবেদনকারীর দাবিকৃত বি.এস. ২২৫১৮ দাগের ২৮ নং প্লটে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক জবর দখলে নেই এবং বেদখলও করেননি।

 

মাটিতে দাঁড়িয়ে ফিতা দিয়ে মাপা এই পরিমাপই মাসের পর মাস চালানো মিথ্যা প্রচারণাকে এক নিমেষে ধূলিসাৎ করে।

 

১২ আগস্ট ২০২৬। মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির দিন ধার্য ছিল। প্রতিপক্ষ আবু বক্কর ছিদ্দিক সশরীরে হাজির হন।

কিন্তু আবেদনকারী ডা. ফরিদ উদ্দিন মো. ওসমান অনুপস্থিত থাকেন।

যিনি সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছেন, সমিতির প্যাডে কাগজ বানিয়েছেন, — নিজের আবেদনের চূড়ান্ত শুনানির দিনে তিনি আদালতমুখো হননি। আমাদের কাছে এই অনুপস্থিতিই তাঁর দাবির প্রকৃত ভিত্তি সম্পর্কে সবচেয়ে বড় জবাব।

সার্বিক তথ্য-প্রমাণ, কমিশন প্রতিবেদন ও সরেজমিন পরিদর্শনের ভিত্তিতে বিজ্ঞ লিগ্যাল এইড অফিসার পূর্ণাঙ্গ চূড়ান্ত আদেশে ডা. ফরিদ উদ্দিন মো. ওসমানের দায়ের করা আবেদনটি খারিজ করে দেন।

 

দীর্ঘ চার মাসের মানসিক নির্যাতন, সামাজিক হেয় প্রতিপন্নকরণ, আর্থিক ক্ষতি ও নিরাপত্তাহীনতার পর এই আদেশে আমি স্বস্তি প্রকাশ করছি।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।