খুঁজুন
শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

এলজিইডি’র হিসাবরক্ষকের ঘুষ দাবি ও হুমকি: ঠিকাদারের লিখিত অভিযোগ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
এলজিইডি’র হিসাবরক্ষকের ঘুষ দাবি ও হুমকি: ঠিকাদারের লিখিত অভিযোগ
শেয়ার করুন

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কক্সবাজার জেলা অফিসে দায়িত্বরত হিসাবরক্ষক মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি ও হুমকি প্রদানের অভিযোগ তুলেছেন এক ঠিকাদার।

লিখিত অভিযোগপত্রে মেসার্স এ. চৌধুরী কনস্ট্রাকশন-এর স্বত্বাধিকারী আবিদ উদ্দিন চৌধুরী উল্লেখ করেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য প্রয়োজনীয় পেমেন্ট সার্টিফিকেট নিতে গেলে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষক ১,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে মহিউদ্দিন তাঁকে গালিগালাজ করেন এবং ভবিষ্যতে তাঁর কোনো বিল অনুমোদন করবেন না বলে প্রকাশ্যে হুমকি দেন। এমনকি প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স বাতিল করারও ভয় দেখানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

ঘটনার সময় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী সাইট পরিদর্শনে থাকায় তাৎক্ষণিক অভিযোগ জানাতে না পারলেও পরে বিষয়টি লিখিতভাবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, হিসাবরক্ষক মহিউদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার অফিসে কর্মরত থাকায় স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন। এই প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে তিনি সময় বর্ধিতকরণ, বিল অনুমোদন, ভাউচার ছাড়সহ বিভিন্ন অজুহাতে ঠিকাদারদের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ আদায় করে আসছেন। অভিযোগকারীর দাবি, ইতোমধ্যে এভাবে তিনি কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন এবং কোনো ঠিকাদারের সম্মান রক্ষা করছেন না।

অভিযোগকারী ঠিকাদার আবিদ উদ্দিন চৌধুরী আরো জানান, হিসাবরক্ষক মহিউদ্দিন রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে জিম্মি করে রাখে ঠিকাদারদের। পাশাপাশি তাকে ঘোষ না দিলে মেলে না কোন ধরেন কাজের বিল।

এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ চারটি দপ্তরে অভিযোগের অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে। দপ্তরগুলো হলো প্রধান প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, ঢাকা; তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, এলজিইডি, চট্টগ্রাম; জেলা প্রশাসক, কক্সবাজার; দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা অফিস, কক্সবাজার।

এ বিষয়ে হিসাবরক্ষক মহিউদ্দিনের সাথে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে (01711★★★865) একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। যোগাযোগ করার বিষয়টি প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছে।

তবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খান বলছেন, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে এমন কোন অভিযোগ ছিল না। আমরা একটা অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি নিয়ে অভিযোগকারী ঠিকাদার সহ আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এলজিইডির একটি সূত্র জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় ঠিকাদারদের অভিযোগ, এলজিইডি’র কক্সবাজার অফিসে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও হয়রানি চলছে। সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এর ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রামুতে সিটি ব্যাংক পিএলসির নতুন এজেন্ট আউটলেট উদ্বোধন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
রামুতে সিটি ব্যাংক পিএলসির নতুন এজেন্ট আউটলেট উদ্বোধন
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় আধুনিক ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। চৌমুহনী এলাকার রবিন শপিং কমপ্লেক্সে সিটি ব্যাংক পিএলসি-এর রামু সদর এজেন্ট আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর ২ ঘটিকার সময় ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে সিটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের কার্যক্রম শুরু হয়।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক-এর ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক কাজী মুতমাইন্না তাহমিদা। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ব্যাংকিং রেগুলেশনস অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ এর অতিরিক্ত পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম, পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ এর অতিরিক্ত পরিচালক রাবেয়া খন্দকার, এসএমই ও স্পেশাল প্রোগ্রাম ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক হাফিয়া তাজরিয়ান এবং একই বিভাগের যুগ্ম পরিচালক নাজিয়া হক ও সালাহউদ্দীন মাহমুদ।

 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংক পিএলসির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব স্মল, মাইক্রোফাইন্যান্স অ্যান্ড এজেন্ট ব্যাংকিং বিজনেস কামরুল মেহেদী এবং হেড অব এজেন্ট ব্যাংকিং বিজনেস মহিবুর রহমান সহ সিটি ব্যাংকের সিনিয়র ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নতুন এই আউটলেট চালুর মাধ্যমে রামু এলাকার সাধারণ মানুষ সহজে, দ্রুত ও নিরাপদে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

 

রামু চৌমুহনী এজেন্ট আউটলেটে এই অগ্রযাত্রায় এজেন্ট মালিক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন তরুণ ও উচ্চশিক্ষিত উদ্যোক্তা আশরাফুল করিম। রামুর পূর্ব শাহমদর পাড়া (চাকমারকুল) এলাকার কৃতি সন্তান আশরাফুল করিম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। তাঁর বাবা শামসুল আলম এবং মাতা শাহিদা খানম। একজন শিক্ষিত তরুণ হিসেবে স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখার লক্ষ্যেই তিনি সিটি ব্যাংকের এই উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছেন।

 

এই এজেন্ট আউটলেটের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দারা জমা উত্তোলন রেমিট্যান্সসহ বিভিন্ন আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা ঘরের কাছেই পাবেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ রামুর অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

 

 

উদ্বোধনের মাধ্যমে রামু বাসীর জন্য আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা আরও একধাপ এগিয়ে গেল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

দুর্ঘটনায় নিভল স্বামী-স্ত্রীর প্রাণ, অনাথ ৩ মাসের শিশু

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
দুর্ঘটনায় নিভল স্বামী-স্ত্রীর  প্রাণ, অনাথ ৩ মাসের শিশু
শেয়ার করুন

শুক্রবার (১ মে) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের মধুখালী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পরীক্ষেতপুর হাচারির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

 

 

নিহতরা হলেন উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের আশাপুর গ্রামের হাবিবুল ইসলামের ছেলে তামিম মিয়া (২০) এবং তার স্ত্রী শিমলা খাতুন (১৯)। তারা মোটরসাইকেলে করে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে ফরিদপুর যাচ্ছিলেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইঞ্জিনচালিত পাঁচ চাকার ট্রলির সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুজনই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তামিম মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

 

 

এদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় শিমলা খাতুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানেও তিনি মারা যান।

 

 

 

নিহত দম্পতির তিন মাস বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। তাদের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

 

 

এ বিষয়ে করিমপুর হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উখিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
উখিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
শেয়ার করুন

উখিয়ায় নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে রাশেদা বেগম (৪৩) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

 

শুক্রবার (১ মে) সকালে উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম নিধানিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৮টার আগে যেকোনো সময় নিজ বসতঘরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন রাশেদা বেগম। পরে সকাল ৯টার দিকে তার স্বামী আবুল হাসেম ঘরে প্রবেশ করে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এসময় তিনি দ্রুত ইনানী পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। খবর পেয়ে ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির এসআই দুর্জয় ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।

 

ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ দুর্জয় সরকার জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। মরদেহের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।