খুঁজুন
, ,

একা হয়ে গেলেন তারেক রহমান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ
একা হয়ে গেলেন তারেক রহমান
শেয়ার করুন

কনকনে ঠাণ্ডার সকাল। কুয়াশাও পড়ছে। হিমশীতল এই দিনে আবালবৃদ্ধবনিতার আরও একটু ঘুমানোর চেষ্টা। কারও আবার ঘুম ভেঙেছে। যারা ঘুম থেকে জেগেছেন, তারা পেলেন গা শিউরে ওঠা দুঃসংবাদ। সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে চলে গেলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

 

মুহূর্তেই শোক ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে। এভারকেয়ার হাসপাতালে আসতে থাকেন বিএনপির নেতাকর্মী ও জনতা। আগে থেকেই সেখানে ছিলেন পুত্র তারেক রহমান।

 

মায়ের মৃত্যুতে তিনি বড্ড একা হয়ে পড়লেন। নিশ্চয়ই তিনি এই মঙ্গলবার তার সারাজীবনে চাননি। দেশে ফেরার পাঁচদিনের মাথায় হৃদয়বিদারক খবরটি দুমড়েমুচড়ে দিচ্ছে তারেক রহমানকে। হয়তো আমৃত্যুই তাকে পোড়াবে।

 

শেষবারের মতো মায়ের হাসপাতালে যাওয়ার খবর লন্ডনে বসে যখন তারেক রহমান পেলেন, তখন তার ভীষণ মন খারাপের কথা জানা যাচ্ছিল। সেখানকার নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা করছিলেন না। কিছুটা সময় কাটাচ্ছিলেন একান্তে। নিশ্চয়ই তিনি মাকে নিয়ে ভাবছিলেন।

 

 

তার স্মৃতির মানসপটে হয়তো মনে পড়ছিল, দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় মায়ের অবিচল লড়ে যাওয়া। র্দীঘ সময় ধরে দূরে থাকায় মায়ের সেবা করতে না পারা।

 

অথচ বাবা জিয়াউর রহমানকে হারিয়ে মা যখন রাজপথে এলেন, তখন তার পাশেই থেকেছেন তারেক রহমান। সে সময় তারেকের বয়স ছিল খুবই অল্প।

 

কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপথ হারিয়ে গেলে সেই আঘাত জিয়া পরিবারেও লাগে। ভীষণভাবে লাগে।

 

এই আঘাত তারেক রহমানকে দেশ ছাড়া করে। সইতে হয় শারীরিক-মানসিক নির্যাতন। একই ভাগ্য নেমে এসেছিল ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর ক্ষেত্রেও।

 

কোকো তা কাটিয়ে উঠতে পারেননি। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন খালেদা জিয়ার ছোটপুত্র। ভাইকে দেখার সুযোগ হয়নি তারেক রহমানের। আর মা খালেদা জিয়া এতটাই ভেঙে পড়েছিলেন যে তাকে ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেয়া হয়।

 

এর তিন বছরের মাথায় কারাগারে যান খালেদা জিয়া। এই যাত্রায় জিয়া পরিবার ও বিএনপি নেতাকর্মীরা ভেঙে পড়ে। তার পরের অধ্যায়ে খালেদা জিয়ার নানা অসুস্থতার খবর দেশবাসী পায়।

 

গণঅভ্যুত্থানের পরে মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে গিয়ে চিকিৎসা নিলে দলের নেতাকর্মীরা আশা দেখছিলেন, তাদের নেত্রী তাদের ছেড়ে যাবেন না সহসাই। ভোট করবেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। প্রকাশ্যে না এলেও আড়ালে থেকে দিক-নির্দেশনা দেবেন।

 

কিন্তু গত ২৩ নভেম্বর থেকে এভারকেয়ারে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়াকে নিয়ে শঙ্কা জাগে। দেশের মানুষের প্রার্থনায় ঠাঁই পান তিনি। এর মাঝে বিদেশে নেয়া, চিকিৎসক নিয়ে আসাসহ সব ধরনের চেষ্টা চালানো হয়।

 

কিন্তু তার শরীর প্রস্তুত ছিল না উড়াল দেয়ার জন্য। হয়তো সৃষ্টিকর্তাও চেয়েছিলেন, তার বিদায় বাংলাদেশের মাটিতেই হোক। কারণ, খালেদা জিয়ার সারাজীবনের আকাঙ্ক্ষা-প্রতিজ্ঞাই তো ছিল এই— ‘আমি দেশ ছেড়ে, দেশের মানুষকে ছেড়ে কোথাও যাব না। এই দেশই আমার একমাত্র ঠিকানা। দেশের বাইরে আমার কিছু নেই, কোনো ঠিকানাও নেই।’

 

তিনি হয়তো অপেক্ষা করছিলেন ছেলে তারেকের জন্য। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের রাজসিক প্রত্যাবর্তন দেখতে।

 

সব বাধা কাটিয়ে ছেলে এলেন লাল-সবুজের দেশে। কাড়লেন পুরো দেশের নজর। যা দেশ ছড়িয়ে যায় বিদেশে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তাকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে।

 

ছুটির দিনেও তারেকের ফেরাকে ঘিরে রাজধানী ঢাকা অচল হয়ে পড়েছিল। রাস্তায় রাস্তায় সর্বস্তরের মানুষের উপচেপড়া ঢল দেখা গেছে। বিমানবন্দর থেকে সংবর্ধনাস্থল ৩০০ ফিটে আসতে প্রায় ৭ কিলোমিটারের পথে সময় লাগে দুই ঘণ্টার বেশি।

 

কিন্তু পাঁচদিনের মাথায় তারেক আবারও পরিবারের সদস্য হারানোর বেদনাসিক্ত হলেন। জীবনের কিছুই বুঝে ওঠার আগে ’৮১ সালে পিতাকে হারান তারেক। নির্মম মৃত্যুর এই দৃশ্য কীভাবে আজও ভুলবে তারেক?

 

এরপর ভাইকে নিয়ে মায়ের সাথে লড়ে যান দেশ গড়ার লড়াইয়ে। কিন্তু পথিমধ্যে ভাইকেও হারান। এই মৃত্যুও স্বাভাবিক নয়। নির্যাতনের ক্ষতেই তো দুনিয়া ছাড়েন কোকো।

 

এক দশকের বেশি সময় পর আবার পরিবারের সদস্যের মৃত্যু সংবাদ, এবার এতিম হলেন তারেক রহমান। বাবা বা ভাই হারানোর শোক হয়তো তিনি ভুলতে চেয়েছিলেন ‘আম্মার’ চোখের দিকে তাকিয়ে। কিন্তু সেই চোখও বুজে গেলো চিরতরে। এই মা হারানো কতটা কষ্টের, কতটা বেদনার, তা কেবল একজন মা-হারা সন্তান-ই জানেন।

 

তবে বিদায়বেলায় তারেককে হয়তো খালেদা জিয়া একটি বার্তা দিয়ে গেলেন। শত প্রতিকূলতার মাঝেও দেশ-দেশের মানুষকে ছেড়ে না যাওয়া, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়ে যাওয়া। দেশ রক্ষায় ও মানুষের জন্য প্রয়োজনে নিরাপদ জীবনের বদলে কন্টকাকীর্ণ পথ বেছে নেওয়া। একা হয়ে পড়া তারেকের জন্য এ লড়াই নিশ্চয়ই সহজ নয়। কিন্তু পাড়ি যে দিতে হবে দীর্ঘ পথ! সেই পথও যে বন্ধুর, তাও নিশ্চয়ই ‘আম্মা’ তার প্রাণপ্রিয় তারেককে বলে গেছেন।

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।